Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, আগস্ট 26, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় ঘাটতি জনবলের
    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় ঘাটতি জনবলের

    নিউজ ডেস্কআগস্ট 26, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। নতুন হাসপাতাল হয়েছে, চিকিৎসা প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে, ওষুধের সহজলভ্যতা তৈরি হয়েছে এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত নানা ধরনের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু এত অগ্রগতির পরও একটি মৌলিক দুর্বলতা রয়ে গেছে—জনসংখ্যার তুলনায় পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী নেই।

    সম্প্রতি প্রকাশিত একটি বৈশ্বিক গবেষণা বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার এই কাঠামোগত দুর্বলতাকেই নতুন করে সামনে এনেছে। গবেষণার হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বাংলাদেশে প্রতি ১০ হাজার মানুষের বিপরীতে স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা ছিল আনুমানিক ৫৬ দশমিক ৭ জন। একই সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার গড় ছিল ৬৮ দশমিক ৬ জন। অর্থাৎ স্বাস্থ্যকর্মীর ঘনত্বের দিক থেকে বাংলাদেশ এখনো আঞ্চলিক গড়ের পেছনে রয়েছে।

    এই পরিসংখ্যান শুধু একটি সংখ্যাগত ঘাটতির কথা বলে না। এর পেছনে রয়েছে এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থার চিত্র, যেখানে মানুষের চিকিৎসার প্রয়োজন বাড়ছে, কিন্তু সেই চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনবল তৈরি হচ্ছে না। জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগের ধরনও বদলাচ্ছে, মানুষের আয়ু বাড়ছে এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগের চাপ বাড়ছে। ফলে স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা যেমন বাড়ছে, তেমনি প্রয়োজন হচ্ছে আরও বেশি চিকিৎসক, নার্স, ধাত্রী, ওষুধ বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন স্তরের প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর।

    গবেষণাটি ১৯৯০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ২০ ধরনের স্বাস্থ্যকর্মী নিয়ে ২০৪টি দেশ ও অঞ্চলের তথ্য বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রতি ১০ হাজার মানুষের বিপরীতে চিকিৎসকের সংখ্যা মাত্র ৭ দশমিক ৯ জন। নার্সিংকর্মীর সংখ্যা ৫ দশমিক ৭ জন। বিপরীতে ওষুধ বিশেষজ্ঞ ও ওষুধ সহকারীর ঘনত্ব ১১ জন। কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন ৭ দশমিক ১ জন। ধাত্রীকর্মীর সংখ্যা মাত্র ১ দশমিক ৭ জন এবং দন্তচিকিৎসক ও দন্ত সহকারীর সংখ্যা ১ দশমিক ২ জন।

    এই পরিসংখ্যানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে ভারসাম্যের অভাব। একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা শুধু চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়িয়ে তৈরি করা যায় না। চিকিৎসক, নার্স, ধাত্রী, ওষুধ বিশেষজ্ঞ, কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী এবং অন্যান্য পেশাজীবীর প্রত্যেকের আলাদা দায়িত্ব রয়েছে। একজনের ঘাটতি অন্য পেশার অতিরিক্ত জনবল দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।

    উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশের ওষুধ বিশেষজ্ঞদের তুলনামূলক বেশি সংখ্যাকে নেওয়া যায়। প্রতি ১০ হাজার মানুষের বিপরীতে তাদের সংখ্যা ১১ জন হলেও তা চিকিৎসকের ঘাটতি পূরণ করতে পারে না। একইভাবে রোগীর পাশে থেকে সার্বক্ষণিক সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে নার্সের ভূমিকার বিকল্প নেই। মাতৃস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে ধাত্রীর ঘাটতিও অন্য কোনো পেশাজীবী দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। ফলে শুধু মোট স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা বাড়ানোর পরিবর্তে কোন খাতে কতজন প্রয়োজন, সেটিও সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে।

    এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেকটি বড় সমস্যা—শহর ও গ্রামের বৈষম্য। রাজধানী ঢাকা এবং দেশের বড় শহরগুলোতে তুলনামূলকভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও রোগ নির্ণয়ের সুযোগ বেশি। কিন্তু এসব সেবার ব্যয় অনেক মানুষের নাগালের বাইরে। অন্যদিকে গ্রাম ও উপজেলা পর্যায়ে qualified চিকিৎসক এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যপেশাজীবীর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম।

    ফলে জাতীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীর যে গড় হিসাব পাওয়া যাচ্ছে, বাস্তবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের অভিজ্ঞতা তার চেয়েও কঠিন হতে পারে। একজন শহুরে মানুষ হয়তো কয়েক কিলোমিটারের মধ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা উন্নত রোগ নির্ণয়ের সুবিধা পেয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু গ্রামের একজন রোগীকে একই সেবার জন্য উপজেলা থেকে জেলা শহর কিংবা আরও দূরে যেতে হতে পারে। এতে চিকিৎসার খরচ যেমন বাড়ে, তেমনি সময়ও নষ্ট হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগই হারিয়ে যায়।

    এই বাস্তবতায় উপজেলা পর্যায়ে ডিপ্লোমা পর্যায়ের চিকিৎসক তৈরির প্রস্তাবটি নতুন করে গুরুত্ব পাওয়ার মতো। যথাযথ প্রশিক্ষণ, স্পষ্ট দায়িত্ব, নিয়মিত তদারকি এবং সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে কার্যকরভাবে যুক্ত করা গেলে তারা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি পূরণে ভূমিকা রাখতে পারেন।

    তবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। গ্রামীণ মানুষের জন্য এমন কোনো ব্যবস্থা তৈরি করা উচিত নয়, যেখানে শহরের মানুষ পূর্ণাঙ্গ ও উচ্চমানের চিকিৎসা পাবেন আর গ্রামের মানুষকে তুলনামূলক কম যোগ্যতাসম্পন্ন সেবার ওপর নির্ভর করতে হবে। গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবাকে দ্বিতীয় শ্রেণির চিকিৎসাব্যবস্থায় পরিণত না করে বরং একটি শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। সেখানে বিভিন্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেদের নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত উচ্চতর পর্যায়ের চিকিৎসার সঙ্গে রোগীকে যুক্ত করবেন।

    বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আরেকটি বড় সমস্যা হলো বিনিয়োগের দৃষ্টিভঙ্গি। দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়কে অনেক সময় শুধুই সরকারি ব্যয় হিসেবে দেখা হয়েছে। অথচ স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ আসলে দেশের মানবসম্পদে বিনিয়োগ। একজন সুস্থ মানুষ কর্মক্ষেত্রে বেশি সময় দিতে পারেন, শিশুরা নিয়মিত স্কুলে যেতে পারে এবং একটি পরিবার অসুস্থতার কারণে বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়া থেকে রক্ষা পেতে পারে।

    তাই একজন চিকিৎসক, নার্স, ধাত্রী কিংবা কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীকে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মী হিসেবে দেখলে চলবে না। তারা দেশের উৎপাদনশীলতারও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্বাস্থ্যবান জনগোষ্ঠী অর্থনীতিতে বেশি কার্যকরভাবে অবদান রাখতে পারে। সেই অর্থে স্বাস্থ্য খাতে দক্ষ জনবল তৈরি করা দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।

    বিশ্বের সামগ্রিক চিত্রও বাংলাদেশের জন্য একটি সতর্কবার্তা। ১৯৯০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্বে স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা প্রায় তিন গুণ বেড়ে ৪ কোটি ৯ লাখ থেকে ১২ কোটি ২১ লাখে পৌঁছেছে। এত বড় সম্প্রসারণের পরও বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য দূর হয়নি। সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কার্যকর সেবার সূচকে ১০০-এর মধ্যে ৮০ নম্বর অর্জনের জন্য বিশ্বে এখনও আনুমানিক ৩ কোটি ৪৪ লাখ অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকর্মীর প্রয়োজন।

    এই ঘাটতির সবচেয়ে বড় অংশ নার্স ও ধাত্রীদের। বিশ্বজুড়ে আরও প্রায় ২ কোটি ৩৯ লাখ নার্স ও ধাত্রী প্রয়োজন বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। শুধু দক্ষিণ এশিয়াতেই প্রয়োজন আরও প্রায় ১ কোটি নার্স ও ধাত্রী এবং ২৬ লাখ চিকিৎসক।

    স্বাস্থ্য খাতে নারীর অংশগ্রহণের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৯০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্বে স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা যে হারে বেড়েছে, তার ৭০ শতাংশের বেশি এসেছে নারীদের মাধ্যমে। ২০২৩ সালে বিশ্বের নার্সিংকর্মীর ৮০ দশমিক ৭ শতাংশ, ধাত্রীকর্মীর ৯৬ শতাংশ এবং কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীর ৮৯ দশমিক ৫ শতাংশ ছিলেন নারী। কিন্তু চিকিৎসক এবং নেতৃত্বের পর্যায়ে নারীদের প্রতিনিধিত্ব এখনও তুলনামূলক কম।

    বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও নারী স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুবিধার অভাব, অনমনীয় কর্মসূচি, মাতৃত্বকালীন সহায়তার সীমাবদ্ধতা কিংবা পদোন্নতির সুযোগ কম থাকলে প্রশিক্ষিত অনেক নারী স্বাস্থ্যকর্মী দীর্ঘমেয়াদে পেশায় টিকে থাকতে সমস্যায় পড়তে পারেন। ফলে শুধু নতুন নারী স্বাস্থ্যকর্মী তৈরি নয়, তাদের পেশাগতভাবে ধরে রাখার ব্যবস্থাও করতে হবে।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শুধু হাসপাতালের সংখ্যা বাড়ালেই স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত হয় না। একটি আধুনিক হাসপাতাল তৈরি করা সম্ভব, সেখানে উন্নত যন্ত্রপাতিও বসানো সম্ভব। কিন্তু সেই যন্ত্র পরিচালনা করার মতো দক্ষ মানুষ না থাকলে কিংবা রোগীর পাশে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও নার্স না থাকলে অবকাঠামো তার কাঙ্ক্ষিত সুফল দিতে পারবে না।

    এ কারণে বাংলাদেশের প্রয়োজন একটি দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য জনবল পরিকল্পনা। চিকিৎসা ও নার্সিং শিক্ষার আসন বাড়ানোর পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মানও নিশ্চিত করতে হবে। পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণকেন্দ্র তৈরি, আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রতিযোগিতামূলক বেতন, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে কাজের জন্য বিশেষ প্রণোদনা দিতে হবে। একই সঙ্গে যেসব এলাকায় স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি বেশি, সেখানে তাদের ধরে রাখার কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করা প্রয়োজন।

    জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি ২০১১-এর বাস্তবায়নও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। একটি নীতি তৈরি করাই শেষ কথা নয়; সেটিকে বাস্তবে রূপ দিতে ধারাবাহিক অর্থায়ন, কার্যকর প্রতিষ্ঠান এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী ও ওষুধ খাতের সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে অগ্রগতি দেখিয়েছে। এখন চিকিৎসক, নার্স ও ধাত্রীসহ যেসব ক্ষেত্রে বড় ঘাটতি রয়েছে, সেখানে আরও পরিকল্পিত বিনিয়োগ প্রয়োজন।

    বিশেষ করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে শক্তিশালী করা গেলে পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ কমানো সম্ভব। সব রোগীকে বড় হাসপাতাল বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে হলে উচ্চতর পর্যায়ের চিকিৎসাব্যবস্থা অপ্রয়োজনীয় চাপের মুখে পড়ে। উপজেলা ও স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী থাকলে সাধারণ রোগের চিকিৎসা, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুসেবা, টিকাদান, রোগ প্রতিরোধ এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগ ব্যবস্থাপনা অনেকটাই কাছাকাছি থেকে করা সম্ভব।

    বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভবিষ্যৎ তাই শুধু নতুন হাসপাতাল, নতুন ভবন কিংবা আধুনিক যন্ত্রপাতির ওপর নির্ভর করবে না। এর কেন্দ্রে থাকতে হবে মানুষ। কারণ শেষ পর্যন্ত একজন রোগীর পাশে দাঁড়ানো, তার রোগ বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া এবং তাকে মানসিকভাবে সহায়তা করার কাজটি কোনো ভবন বা যন্ত্র করতে পারে না।

    বাংলাদেশের স্বাস্থ্যকর্মীর তুলনামূলক কম ঘনত্ব তাই শুধু স্বাস্থ্য খাতের একটি দুর্বলতা নয়, এটি দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনারও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত। সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা যদি বাস্তব লক্ষ্য হয়, তাহলে চিকিৎসক, নার্স, ধাত্রী, কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মীসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যপেশাজীবীকে অপরিহার্য মানবসম্পদ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

    শেষ পর্যন্ত একটি দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার সাফল্য শুধু কতটি হাসপাতাল নির্মাণ হয়েছে কিংবা কতটি আধুনিক যন্ত্র কেনা হয়েছে, তা দিয়ে মাপা যায় না। আসল প্রশ্ন হলো, সেই হাসপাতালগুলোর ভেতরে পর্যাপ্ত দক্ষ মানুষ আছেন কি না এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন সাধারণ মানুষও সম্মানের সঙ্গে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাচ্ছেন কি না। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবাকে সত্যিকার অর্থে শক্তিশালী করতে হলে এখন সবচেয়ে বড় বিনিয়োগটি করতে হবে সেই মানুষগুলোর ওপর, যারা প্রতিদিন অন্য মানুষের জীবন ও সুস্থতার দায়িত্ব বহন করেন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    বিদেশে কর্মসংস্থানে ৫০ হাজার কেয়ারগিভার গড়তে ৮৩৪ কোটি টাকার বড় প্রকল্প

    আগস্ট 26, 2026
    বাংলাদেশ

    কলেজের সংখ্যায় বিশ্বসেরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তবু র‍্যাংকিংয়ে নেই অবস্থান

    আগস্ট 26, 2026
    বাংলাদেশ

    ফুলবাড়ীতে আবারও উন্মুক্ত কয়লা খননের পথে সরকার?

    আগস্ট 26, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.