নতুন একটি সামরিক জোটে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশে হঠাৎ করেই নানা আলোচনা শুরু হয়েছে, যার কিছুটা বেশ উত্তেজনাপূর্ণ। গত ৫৫ বছর ধরে বাংলাদেশ কঠোরভাবে ‘জোটনিরপেক্ষ’ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে আসছে। এর মাধ্যমে পরাশক্তিগুলোর রাজনীতি এবং সামরিক জোটের সঙ্গে স্পষ্ট দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু এখন সেগুনবাগিচা থেকে আসা কথাবার্তার ধরন দেখে মনে হচ্ছে, সেই পরিস্থিতি বুঝি বদলাতে চলেছে।
বাংলাদেশ সত্যিই এ জোটে যোগ দিলে রাজনৈতিক অঙ্গনের চরম ডানপন্থিরা স্বাগত জানাবে, তাতে সন্দেহ নেই। তারা একে ভারতকে টেক্কা দেওয়ার একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে।
কিন্তু পশ্চিম এশিয়ার বিপজ্জনকরকম পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির মধ্যে সামরিক শক্তি নিয়ে জড়িয়ে পড়লে তাতে বাংলাদেশের স্বার্থ কতটা রক্ষা হবে, কিংবা বর্তমান সরকারের বারবার উচ্চারিত ‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতির সঙ্গে তা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে, তা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ রয়েছে।
‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ বা এমজেডিএতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার জল্পনা শুরু হয় ১৭ অগাস্টের দিকে। ওই সময় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান। এর মাত্র ১০ দিন আগে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান এমজেডিএতে স্বাক্ষর করে, যা ওই অঞ্চলে কয়েক দশক ধরে চলে আসা যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক প্রতিরক্ষা কাঠামো থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দেয়।
চুক্তিতে বলা হয়েছে, জোটের সদস্য কোনো একটি দেশের ওপর হামলা হলে তা সব সদস্যের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে। ফলে জোটের কোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে তা বৃহত্তর সংঘাতের পটভূমি তৈরি করতে পারে। এ ধরনের উচ্চাভিলাষী অঙ্গীকার করা যত সহজ, বাস্তবায়ন ততটা নয়। আর সর্বাত্মক যুদ্ধের নীলনকশার হিসেবে নয়, বরং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবেই এ ধরনের জোটের কাঠামো সাজানো হয়।
তাত্ত্বিকভাবে ঢাকার জন্য এ ধরনের অঙ্গীকার করার অর্থ ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার মত, যার সঙ্গে বাংলাদেশের আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই। ফলে এ নিয়ে এখন পর্যন্ত যতটুকু কথাবার্তা হয়েছে, বিষয়টি নিশ্চিতভাবে তার চেয়ে অনেক বেশি আলোচনার দাবি রাখে।
এরশাদের সাদ্দাম-কৌশল
এ বছরের শেষ দিকে তারেক রহমান রিয়াদে গেলে সৌদি আরব বাংলাদেশকে এমজেডিএ-তে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানাতে পারে, তার সব সম্ভাবনাই দেখা যাচ্ছে। এমনকি সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তার আগেও আমন্ত্রণ আসতে পারে। সৌদি আরবের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা বাংলাদেশের জন্য কঠিন, কারণ অন্য যে কোনো দেশের তুলনায় সেখানে বেশি বাংলাদেশির বসবাস। তাদের অধিকাংশই অভিবাসী হিসেবে আনুষ্ঠানিক মর্যাদা বা অধিকার পান না। তারপরও তারা বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
১৯৯০ সালে ইরাক যখন কুয়েত দখল করে নিল, সেই ঘটনা এখানে স্মরণ করা যেতে পারে। আরব শেখদের ছোট্ট দেশটি থেকে সাদ্দাম হোসেনের বাহিনীকে বিতাড়িত করতে সৌদি আরব তখন যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য চেয়েছিল। আর তাতে সাড়া দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র একটি জোট গঠন করে এবং বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলোকে সৈন্য পাঠানোর আহ্বান জানায়।
বাংলাদেশের জনমত যে পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এবং সাদ্দাম হোসেনের পক্ষে ছিল, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তা নিশ্চয় জানতেন। তারপরও তিনি জনমত উপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিলেন এবং সৌদি আরবের অনুরোধে সাড়া দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে সৈন্য পাঠানোর নির্দেশ দিলেন।
যদিও সেই সেনা সদস্যরা সরাসরি যুদ্ধ করেননি। তারা যুদ্ধ-পরবর্তী কুয়েতের নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। বলা যায়, ১৯৯০ সালে এরশাদের ওই সিদ্ধান্তই পরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি সামরিক বাহিনীর অংশগ্রহণের পথ খুলে দিয়েছিল।
এখন বড় প্রশ্ন হল, এমজেডিএতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত কি ১৯৯০ সালে এরশাদের নেওয়া সিদ্ধান্তের মত দূরদর্শী প্রমাণিত হবে? নাকি সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিস্থিতি ও বিচিত্র স্বার্থের টানাপড়েনের মধ্যে এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশকে ওই অঞ্চলের ক্ষমতার রাজনীতির চোরাবালিতে আটকে ফেলবে, কোনো একটি পক্ষ নিতে বাধ্য করবে এবং জাতীয় স্বার্থের অপূরণীয় ক্ষতি করবে?
ভারত-ভাবনা
এসব প্রশ্ন নিয়ে বিস্তর আলোচনা প্রয়োজন; তবে মনে হচ্ছে, বাংলাদেশি বিশ্লেষকরা, বিশেষ করে যারা এমজেডিএ-তে যোগ দেওয়ার পক্ষে, তারা বিষয়টিকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন। মক্কা জোটের অবয়বে পশ্চিম এশিয়ার ছাপ স্পষ্ট, কিন্তু বাংলাদেশ থেকে তা দেখা হচ্ছে ভারতের চশমা দিয়ে।
এই জোটের ফল যদি হয় সৌদি বনাম ইরান, কিংবা তুরস্ক বনাম ইসরায়েল সংঘাত, বাংলাদেশ তখন কী ভূমিকা নেবে সেই আলোচনা এখানে করা দরকার। কিন্তু তার বদলে বেশিরভাগ আলোচনা আবর্তিত হচ্ছে এরকম একটি জোটে যোগ দিলে কীভাবে ভারতকে ‘প্রতিরোধ’ করা যাবে, তা নিয়ে। ইসলামপন্থি শিবিরের কারও কারও কাছে মুসলিম বিশ্বের দুই বড় সামরিক শক্তি তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মেলানোর এ সুযোগ হাতছাড়া করার মতো নয়।
সৌদি-পাকিস্তান জোট নিয়ে ভারতের খুব বেশি উদ্বেগে ভোগার সম্ভাবনা কম, কারণ ইসলামাবাদের সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই আরব রাজাদের ভাড়াটে সৈন্য হিসেবে কাজ করেছে। আরব রাজাদের জনসংখ্যা কম, কিন্তু প্রচুর অর্থ রয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের জনসংখ্যা অনেক, কিন্তু অর্থ নেই। বিশ্বে নিজেদের জন্য একটি অবস্থান খুঁজতে ইসলামাবাদ সবসময়ই পশ্চিম দিকে, বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল এবং তার বাইরে তাকিয়েছ।
এই জোটে তুরস্কের অন্তর্ভুক্তি দেখে দিল্লির ভ্রু কিছুটা কুঁচকাতেই পারে, কিন্তু তারপরও তা ভারতের নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
তবে বাংলাদেশ এই জোটে যোগ দিলে ভারত কিছুটা অস্বস্তিতে পড়তে পারে। কারণ সেরকম হলে এমজেডিএর মোড়কে ঢাকা-ইসলামাবাদ সামরিক জোট আনুষ্ঠানিক রূপ পাবে। দিল্লি তখন দুই-ফ্রন্টে লড়াইয়ের পরিস্থিতি নিয়ে ভাবতে বাধ্য হবে। আর চীনও যদি এই সমীকরণে যুক্ত হয়, তাহলে সেটা ভারতের জন্য হবে তিন-ফ্রন্টের অর্ধ-অবরোধের সমতুল্য।
হুমকির উৎস কোথায়?
এমজেডিএ কীভাবে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করবে–এই বড় প্রশ্নটি খুব কম মনোযোগ পাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। সম্প্রতি পদোন্নতি পাওয়া পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তারা বিষয়টিকে ‘ইতিবাচক’ হিসেবে দেখছেন। তবে এর মধ্যে ‘ইতিবাচক’ কী আছে, তা তিনি স্পষ্ট করে বলেননি।
পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে প্রচলিত জোটনিরপেক্ষ অবস্থান ছুঁড়ে ফেলে এমন একটি জোটে যাওয়া, যা বাংলাদেশকে এমন সব দ্বন্দ্বে জড়িয়ে ফেলতে পারে, যেখানে ঢাকার প্রভাব খাটানোর কোনো সুযোগ নেই, নিয়ন্ত্রণ করা তো দূরের কথা–তা সত্যিই অনেক বড় ভাবনার বিষয়।
এই জোট তিন প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের প্রত্যেককে কিছু না কিছু সুবিধা দিচ্ছে। রিয়াদের সম্মতিতে আঙ্কারাকে উত্তর সিরিয়ার ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ সুসংহত করার সুযোগ দিচ্ছে। আর সৌদি আরবকে ইরান ও ইয়েমেনের হুমকি মোকাবিলার ক্ষেত্রে আরও বেশি নিরাপত্তার অনুভূতি দিচ্ছে। আরব রাজারা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবসময়ই বিদেশি সামরিক বাহিনীর ওপর নির্ভর করেছেন।
এমজেডিএ-র প্রকৃতি আসলে কী এবং কোন দিক থেকে আসা কী ধরনের হুমকি মোকাবিলা করার জন্য এই জোট তৈরি করা হয়েছে–এমন প্রশ্ন শুরু থেকেই আছে। শুরুতে মনে হচ্ছিল, এটি সৌদি আরবের একটি উদ্যোগ; যার লক্ষ্য পূর্ব দিক থেকে ইরান এবং দক্ষিণে ইয়েমেনের হুতিদের প্রতিহত করা। ইরানিরা শুরুতেই সৌদিদের সতর্ক করে বলেছিল, এ ধরনের জোট তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেবে না। রিয়াদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জোট যেমন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি, এটাও পারবে না।
কিন্তু দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মিশরকে অন্তর্ভুক্ত করে জোট সম্প্রসারণের আলোচনা বাড়তে দেখা গেল। সেই আলোচনা ছাপিয়ে এখন আরও কৌতূহলোদ্দীপক কিছু প্রস্তাব আসছে। ইরানিরাও নিশ্চিত করেছে, তেহরানকে এমজেডিএতে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ইরাক ও সিরিয়াকেও জোটে যুক্ত করার আলোচনা চলছে।
সমীকরণে কুর্দিরা
মক্কা জোটের এতটা সম্প্রসারণ বাস্তবে ঘটবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। তবে যদি তা ঘটে, তাহলে এমজেডিএর দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্টতই অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তামুখী হয়ে উঠবে। এই দেশগুলোর মধ্যে চারটি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা নিয়ে একই ধরনের হুমকির মুখে রয়েছে, আর সেই হুমকির কারণ হল কুর্দিরা।
পশ্চিমা অর্থনৈতিক সহায়তা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার কারণে ইরাকের কুর্দিরা কয়েক দশক ধরে তুরস্ক ও ইরান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করছে। তুরস্ক ও ইরান–উভয় দেশের কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ইরাকি কুর্দিস্তানে আশ্রয় পায়। সিরিয়ার কুর্দিরা আগে দেশটির তেলসমৃদ্ধ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণে ছিল; যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমর্থনের কারণে তারা সেই নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে পেরেছিল। কিন্তু দামেস্কে সরকার পরিবর্তনের পর সেই বাইরের সমর্থন কমে গেছে এবং তাদের নিয়ন্ত্রণও কিছু বিচ্ছিন্ন এলাকায় সীমিত হয়ে এসেছে।
ইরান, ইরাক ও সিরিয়া যদি জোটে যোগ দেয়, তাহলে তুরস্ক আশা করবে, জোটের সদস্য কোনো দেশ কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সহায়তায় তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না। একইভাবে সৌদি আরব আশা করবে, ইয়েমেনের হুতিদের হামলা থেকে এমজেডিএ তাদের সুরক্ষা দেবে। তুরস্কও এই জোটকে তার ভূখণ্ডের অখণ্ডতার জন্য একটি রক্ষাকবচ হিসেবে দেখবে।
জোটের সমীকারণ যদি এমনই হয়, তাহলে সেখানে বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়? সত্যি বলতে, কোনো বিবেচনাতেই বাংলাদেশের সেখানে জায়গা হয় না।
বাংলাদেশ সরকারকে এই জোটে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে বেশ উৎফুল্ল শোনাচ্ছে। জোটে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণকে তারেক রহমানের ‘নেতৃত্বের’ একটি সাফল্য হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। তবে এই বয়ানের বিরোধিতা করা কণ্ঠগুলোও ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।
মোদ্দা কথা হল, মুসলমানদের ধর্মীয় ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোকে নিয়ে গড়া কোনো সাধারণ জোট এমজেডিএ নয়। এমন কয়েকটি দেশ নিয়ে এই জোট হয়েছে, যারা নিজেদের অঞ্চলে বহুমাত্রিক ভূরাজনৈতিক সংঘাতে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। এখানে চুক্তি স্বাক্ষর করা যতটা সহজ, জোট ও আনুগত্যের অবস্থান বদলে যাওয়া ঠিক ততটাই সহজ।
বেশি দিন আগের কথা নয়, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যৌথভাবে কাতারের ওপর অবরোধ আরোপ করেছিল। তুরস্ক কাতারের পাশে দাঁড়িয়ে সৌদি আরবকে প্রতিহত করতে তাদের সৈন্য পাঠিয়েছিল। আজ সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত একে অপরের ঘোর বিরোধী, অন্যদিকে আঙ্কারা রিয়াদের সঙ্গে জোট করেছে।
উপসাগরীয় অঞ্চল ও এর বাইরের সব দেশের সঙ্গে সর্বোত্তম সম্পর্ক বজায় রাখা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা যদি মক্কা চুক্তিতে যোগ দেয়, তাহলে সেই সম্পর্কগুলো আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে, এমনকি সম্পর্ক বজায় রাখা অসম্ভবও হয়ে দাঁড়াতে পারে।
- সাবির মুস্তাফা: সাংবাদিক ও পডকাস্টার। সূত্র: বিডিনিউজ২৪

