বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার আমানউল্লাপুর ইউনিয়নের ওয়াপদা খাল থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বেগমগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আজম সুলতান ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত খোকন তিন বিয়ে করেন। ছোট স্ত্রীর সঙ্গে তিনি আমানউল্লাপুর ইউনিয়নের চরওয়াপদা খাল পাড়ে বসবাস করতেন। গত ১০ নভেম্বর তার স্ত্রী বেগমগঞ্জ থানায় তার স্বামী নিখোঁজ রয়েছেন বলে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
বুধবার দিনগত গভীর রাতে এক জেলে ওয়াপদা খালে মাছ ধরতে যায়। সেখানে টর্চ লাইটের আলোয় জেলে দেখতে পান একটি মরদেহ খালে ভাসমান অবস্থায় কচুরিপানায় আটকে আছে। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে সকালে লাশ উদ্ধার ও সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। লাশ পচে যাওয়ায় শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আছে কিনা বুঝা যায়নি।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নিখোঁজের ১০ দিন পর খাল থেকে এক বেদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত খোকন হোসেন (৬৫) লক্ষীপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মজুপুর গ্রামের সর্দার বাড়ির আব্দুল ওহাবের ছেলে। তিনি বর্তমানে বেগমগঞ্জের আমানউল্লাপুর ইউনিয়নের বেদে পল্লীর পলোয়ানপুল এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
বেগমগঞ্জ থানা পরিদর্শক (তদন্ত) বলেন, মৃত ব্যক্তির স্ত্রী ১০ দিন আগে তার স্বামী নিখোঁজ হওয়ার একটি ডায়েরি করে। ডায়েরি করার ১০দিন পর বুধবার রাতে ওয়াপদা খালে তার মরদেহ পাওয়া যায়। নিহতের পরিবার ধারণা করছে, নিহত খোকন স্ট্রোকের রোগী ছিলেন। স্ট্রোকের করে হয়তো পানিতে ডুবে মারা যান।

