Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, এপ্রিল 30, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » শহুরে দারিদ্র্য এক দশকে বেড়েছে ৫ লাখ
    বাংলাদেশ

    শহুরে দারিদ্র্য এক দশকে বেড়েছে ৫ লাখ

    সিভি ডেস্কUpdated:সেপ্টেম্বর 3, 2025সেপ্টেম্বর 3, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশের শহরাঞ্চলে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা গত এক দশকে বেড়েছে প্রায় ৫ লাখ। ২০১০ সালে শহরে গরিব মানুষের সংখ্যা ছিল ৭৪ লাখ। ২০২২ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৯ লাখে।

    এই তথ্য উঠে এসেছে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘ন্যাশনাল কনফারেন্স অন সোশ্যাল প্রোটেকশন ২০২৫’-এর দ্বিতীয় দিনে। মঙ্গলবার সম্মেলনের শহুরে দারিদ্র্যবিষয়ক সেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদী। গবেষণা উপস্থাপন করেন রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র‌্যাপিড)-এর চেয়ারম্যান এম এ রাজ্জাক।

    অধিবেশনে জানানো হয়, গত এক যুগে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ। তবে শহরে দারিদ্র্য দ্রুত বাড়লেও সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ সেভাবে বাড়েনি। দেশের সামাজিক সুরক্ষা বাজেটের প্রায় ৮০ শতাংশ খরচ হয় গ্রামাঞ্চলে।

    এম এ রাজ্জাক উপস্থাপনায় বলেন, “গ্রামে মানুষ কমছে, বাড়ছে শহরে। ২০৪০ সালের মধ্যে শহরের জনসংখ্যা গ্রামকে ছাড়িয়ে যাবে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে সামাজিক সুরক্ষার ৮০ শতাংশ ব্যয় হচ্ছে গ্রামে। শহরে খোলা বাজারে পণ্য বিক্রি ছাড়া তেমন কোনো উদ্যোগ নেই।”

    তিনি আরও জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শহরের দরিদ্রদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল মাত্র ৪ শতাংশ। গ্রামীণ এলাকায় বরাদ্দ ছিল ২৭ শতাংশ এবং গ্রাম-শহর উভয়ের জন্য ছিল ৬৮ শতাংশ।

    প্রধান অতিথি সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদী বলেন, “আমাদের ৩৩০টি পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনসহ মোট ৫৬০টি আরবান সেন্টার আছে। এসব এলাকায় জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নদীভাঙনের কারণে মানুষ শহরমুখী হচ্ছে। ফলে বস্তিবাসীর স্বাস্থ্যসেবা ও পয়োনিষ্কাশন নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।”

    তিনি আরও জানান, এই আরবান সেন্টারগুলোতে সামাজিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ খাতে সরকার বছরে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে। অথচ বাস্তব প্রয়োজন ৭ থেকে ৮ বিলিয়ন ডলার। সচিব বলেন, “শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্যও আমরা কাজ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।”

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    আখাউড়া স্থলবন্দরে ৩ কোটি টাকার পণ্য ধ্বংস

    এপ্রিল 30, 2026
    বাংলাদেশ

    ভুল নীতিতে পরিচালিত হচ্ছে দেশের রেল খাত

    এপ্রিল 30, 2026
    বাংলাদেশ

    ঢাকায় প্রথমবার নারী ডিসি-এসপি একসঙ্গে নিয়োগ

    এপ্রিল 30, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.