Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, জুন 17, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দেশের প্রথম আশ্রয়ণ প্রকল্পে ২৮ বছরের অবহেলা
    বাংলাদেশ

    দেশের প্রথম আশ্রয়ণ প্রকল্পে ২৮ বছরের অবহেলা

    সিভি ডেস্কসেপ্টেম্বর 13, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    সাদা বালুর সৈকতে ঢেউ আছড়ে পড়ছে। আকাশে চক্কর দিচ্ছে গাঙচিল। সেই সৌন্দর্যের পাশে জীর্ণ পলিথিনের ছাউনি ঘর। সেন্ট মার্টিনের এই বাড়িতেই থাকেন সাবেক গ্রাম পুলিশ হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, “১২ বছর আগে ঘর ভেঙে গেছে। এরপর পলিথিন আর বাঁশ দিয়ে কোনোভাবে টিকে আছি। গত ২৮ বছরে কেউ খোঁজ নেয়নি, কেমন আছি জানতে চায়নি।”

    ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন দেশের প্রথম আশ্রয়ণ প্রকল্প চালু হয় সেন্ট মার্টিনে। ঝড়ে ঘরহারা হাবিবুর রহমানসহ ৫০টি পরিবারকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল এখানে। কিন্তু প্রায় তিন দশক পরও সেই ঘরগুলো সংস্কার হয়নি।

    সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান ও ফিরোজ আহমদ খান জানান, নির্মাণের পর থেকে প্রকল্পটির কোনো সংস্কার হয়নি। টিনের ছাউনি নষ্ট, বাঁশের বেড়া ভেঙে পড়েছে। এখানকার পরিবারগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছে।

    ৮০ শতক জমির ওপর নির্মিত হয়েছিল পাঁচটি শেড। সঙ্গে ছিল তিনটি নলকূপ, তিনটি ল্যাট্রিন ও কাঁটাতারের সীমানা। এখন সবই অচল।

    মুজিবুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ৯ জুন কক্সবাজারকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত জেলা ঘোষণা করা হলেও সেন্ট মার্টিনে কেউ ঘর পায়নি। কারণ, দ্বীপে খাসজমি নেই। ফলে দেশের প্রথম আশ্রয়ণ প্রকল্প সংস্কারও হয়নি।

    ৬ সেপ্টেম্বর সরেজমিনে দেখা যায়, প্রকল্পের ঘরে এখন ৮০টি পরিবারের চার শতাধিক মানুষ থাকেন। লোক বেড়েছে কিন্তু ঘর বাড়েনি। অধিকাংশ ঘর ভেঙে গেছে। পলিথিনের ঝুপড়িতে চলছে জীবন।

    ইউপি সদস্য মো. আল নোমান বলেন, “বিদ্যুৎ নেই, বেড়া নেই। ল্যাট্রিন নষ্ট হয়ে খোলা জায়গায় মলত্যাগ করতে হয়। কয়েক বছর নলকূপও বন্ধ ছিল। এখন এনজিওর সহযোগিতায় পানির ব্যবস্থা হয়েছে। কাজ না থাকায় জীবন খুবই কষ্টের।”

    জুলেখা বেগম নামে এক বাসিন্দা জানান, ১০ সদস্যের পরিবার নিয়ে একটি কক্ষে গাদাগাদি করে থাকতে হয়। পর্যটন মৌসুমে তাঁর ছেলে টমটম চালিয়ে কিছু আয় করেন, বাকিটা সময় থাকে বেকার।

    ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কামরুল হাসান প্রকল্পটি পরিদর্শন করে দ্রুত সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তা আর বাস্তবায়ন হয়নি।

    ইউপি সদস্য আল নোমান বলেন, এক দশক ধরে নতুন শেড নির্মাণের দাবি জানানো হলেও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

    জেলা প্রশাসক মো. সালাহউদ্দিন বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মেয়াদ গত জুনে শেষ হয়েছে। বর্তমানে নতুন কোনো আশ্রয়ণ প্রকল্প চালু নেই। তবে বিষয়টি ভূমি মন্ত্রণালয়কে জানানো হবে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে সংস্কার করা হবে। আপাতত খাদ্যসহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    ভোটাধিকার ইস্যুতে সমঝোতা: বিজিএমইএ ভোটে রপ্তানিহীন কারখানার অধিকার বহাল

    জুন 17, 2026
    অপরাধ

    আলোচনায় এলে তদন্তে গতি, নীরবে থমকে ধর্ষণ মামলা

    জুন 17, 2026
    বাংলাদেশ

    ২৬ জুন পালিত হবে পবিত্র আশুরা

    জুন 16, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.