আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসসহ দেশের সব কাস্টম স্টেশন ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা ছুটি না রেখে খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকরা। তারা চাইছেন, সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতেও রপ্তানি কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে চলুক।
বিজিএমইএ-এর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো চিঠিতে এই অনুরোধ জানিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, রপ্তানি বাণিজ্যের গতি সচল রাখতে এবং বিদেশি ক্রেতাদের নির্ধারিত ‘লিড টাইম’-এর মধ্যে পণ্য পৌঁছে দিতে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সব কাস্টমস স্টেশন, ব্যাংক ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) কার্যক্রম চালু রাখার প্রয়োজন।
এনবিআর সূত্রে জানানো হয়, তৈরি পোশাক খাত সম্পূর্ণভাবে ফ্যাশন ও সময়ের ওপর নির্ভরশীল। বিদেশি ক্রেতাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য জাহাজীকরণ করতে ব্যর্থ হলে রপ্তানি আদেশ বাতিল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এতে উদ্যোক্তারা বড় আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হন এবং দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক মুদ্রা হারানো যায়। বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে বন্দর, কাস্টমস ও ব্যাংকের সমন্বিত ও নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতা ছাড়া রপ্তানি বাণিজ্য সচল রাখা কঠিন।
পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা মনে করেন, সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা ছাড়া রপ্তানির সক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব নয়। নির্ধারিত সময়ে শিপমেন্ট না করলে শুধু রপ্তানি আদেশই বাতিল হবে না, দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা হারানোর ভয়ও থাকে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্ববর্তী বছরগুলোতে ঈদের ছুটির সময়ে কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম চালু রেখে যে সহায়তা দেওয়া হয়েছিল, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবারও একই ধরনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

