সিটি ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা ২০২৫ অর্থবছরের জন্য মোট ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছেন। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ নগদ এবং ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ রয়েছে। ব্যাংকের ৪৩তম বার্ষিক সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান হোসেন খালেদের সভাপতিত্বে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিপুলসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার অংশ নেন। সভায় পরিচালনা পর্ষদের সুপারিশ অনুযায়ী লভ্যাংশ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে তা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন পায়।
সভায় ব্যাংকের ২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়। সেখানে দেখা যায়, ব্যাংকটির সমন্বিত কর-পরবর্তী মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। আগের বছরের ১ হাজার ১৪ কোটি টাকার তুলনায় যা প্রায় ৩১ শতাংশ বেশি।
চেয়ারম্যান হোসেন খালেদ বলেন, বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও সুশাসন, কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কারণে ব্যাংকটি স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। তিনি ভবিষ্যতে টেকসই উন্নয়ন, গ্রাহক আস্থা বৃদ্ধি এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও বড় ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সভায় শেয়ারহোল্ডাররা ব্যাংকের আর্থিক কার্যক্রম, ব্যবসায়িক কৌশল এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন।
ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ মনে করছে, মুনাফা বৃদ্ধি এবং আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী হওয়ার ফলে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য আকর্ষণীয় লভ্যাংশ ঘোষণা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল ব্যাংকিং, সেবা সম্প্রসারণ এবং ব্যবসায়িক সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

