Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুন 9, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সিএসআর অর্থ বণ্টনে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল ও হাসিনা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গেছে ১২৪৩ কোটি টাকা
    ব্যাংক

    সিএসআর অর্থ বণ্টনে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল ও হাসিনা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গেছে ১২৪৩ কোটি টাকা

    নিউজ ডেস্কজুন 9, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশের ব্যাংক খাতের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর তহবিল ব্যবহারে বড় ধরনের অনিয়ম, প্রভাব খাটানো এবং নীতিমালা উপেক্ষার অভিযোগ উঠে এসেছে একটি ফরেনসিক অডিট প্রতিবেদনে। ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা এক দশকের লেনদেন বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিপুল অঙ্কের সিএসআর অর্থ নির্দিষ্ট কয়েকটি সরকারি তহবিল ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক প্রকল্পে কেন্দ্রীভূত হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে ব্যাংকগুলো থেকে মোট প্রায় ১২৪৩ কোটি টাকা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি ট্রাস্ট এবং সূচনা ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়। এর একটি বড় অংশ বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সুপারিশ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

    অডিটে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই সময়ে বিএবির মাধ্যমে সরাসরি সদস্য ব্যাংকগুলো থেকে প্রায় ১০৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে বিভিন্ন খাতে পাঠানো হয়। বাকি প্রায় ১১৩৮ কোটি টাকা ব্যাংকগুলো আলাদা আলাদা অনুরোধপত্রের ভিত্তিতে সরাসরি প্রদান করে। পাশাপাশি আরও প্রায় ৫৬৫ কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে, যেগুলোর ক্ষেত্রে একই ধরনের খাতে অর্থ গেলেও প্রয়োজনীয় অনুরোধপত্র বা দালিলিক প্রমাণ অনুপস্থিত ছিল।

    সব মিলিয়ে ২৯টি ব্যাংকের সিএসআর ব্যয়ের একটি বড় অংশ এই ধরনের অনুদানে ব্যবহৃত হয়েছে, যা মোট সিএসআর খরচের প্রায় ২৪ শতাংশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালায় সিএসআর খাতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পরিবেশ ও জলবায়ু অভিযোজনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা থাকলেও বাস্তবে সেই ভারসাম্য বজায় রাখা হয়নি বলে অডিটে মন্তব্য করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ ব্যয়ের নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবে কেন্দ্রীয় তহবিলভিত্তিক অনুদানই বেশি দেখা গেছে।

    অডিটে আরও দেখা যায়, ত্রাণ, বন্যা মোকাবিলা এবং শিক্ষা সহায়তার নামে সবচেয়ে বেশি অর্থ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে গেছে, যার পরিমাণ প্রায় ১১১১ কোটি টাকা। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি ট্রাস্টে দেওয়া হয়েছে প্রায় ৩৭৪ কোটি টাকা, যার একটি বড় অংশ বিভিন্ন জাতীয় কর্মসূচি ও উদযাপনে ব্যয় হয়।

    সূচনা ফাউন্ডেশনে গেছে প্রায় ২৬ কোটি টাকা। এছাড়া বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ এবং বিডিআর বিদ্রোহে নিহত পরিবারের সহায়তায়ও অর্থ ব্যয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, স্মৃতি ট্রাস্টের নেতৃত্বে শেখ হাসিনা ছিলেন এবং সূচনা ফাউন্ডেশনের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। পরবর্তীতে দুর্নীতি দমন কমিশন সূচনা ফাউন্ডেশন সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করে।

    মুজিববর্ষ উদযাপন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া আয়োজনেও উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় হয়েছে। শুধু এই জাতীয় উদযাপনের জন্য প্রায় ১৭৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এছাড়া চলচ্চিত্র নির্মাণ এবং ক্রীড়া ইভেন্ট স্পন্সরশিপেও কোটি কোটি টাকা ব্যয়ের তথ্য উঠে আসে।

    অডিট প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কিছু ব্যাংক কর্মকর্তা দাবি করেছেন যে সিএসআর অনুদান প্রদানে চাপ প্রয়োগ করা হতো। অনুদান না দিলে উচ্চপর্যায়ে অভিযোগ, প্রশাসনিক চাপ কিংবা পেশাগত ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হতো বলে তারা জানান। এর ফলে অনেক ব্যাংক নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়েও অর্থ প্রদান করেছে।

    একাধিক সাবেক ব্যাংক নির্বাহী জানান, অনুদানের প্রকৃত ব্যবহার সম্পর্কে ব্যাংকগুলোর কোনো কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ছিল না। ফলে অনেক ক্ষেত্রে অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যয় হয়েছে তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সিএসআর তহবিল মূলত শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ব্যবহারের কথা থাকলেও দীর্ঘ সময় ধরে এর বড় অংশ কেন্দ্রীয় তহবিল ও বিশেষ প্রকল্পে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। এতে সামাজিক উন্নয়নের প্রত্যাশিত সুফল সীমিত হয়ে গেছে বলে তাদের মত।

    অডিটে আরও ৫৩৩ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে, যেগুলোকে সমর্থনযোগ্য নয় বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ব্যয়ের ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বা প্রয়োজনীয় নথি অনুপস্থিত ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

    এর মধ্যে কয়েকশ কোটি টাকার অনুদানের ক্ষেত্রে প্রমাণপত্র যাচাই করা যায়নি। কিছু ক্ষেত্রে ব্যাংকিং রেকর্ড, প্রাপকের স্বীকৃতি এবং অনুমোদনের ঘাটতি পাওয়া গেছে। এছাড়া নগদ অনুদান, ভুয়া সরবরাহকারী, ব্যক্তিগত কার্ড ব্যবহার, এবং অনুমোদনহীন অর্থ স্থানান্তরের মতো অনিয়মও শনাক্ত হয়েছে।

    একাধিক ঘটনায় দেখা গেছে, অনুমোদন ছাড়াই কোটি কোটি টাকা এক খাত থেকে অন্য খাতে স্থানান্তর করা হয়েছে। কিছু অর্থ ঘোষিত উদ্দেশ্যের বাইরে ব্যবহার হওয়ার প্রমাণও পাওয়া গেছে, যা সিএসআর ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

    অডিট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সিএসআর ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত দুর্বলতা, পর্যাপ্ত নজরদারির অভাব এবং প্রভাবশালী প্রভাবের সম্ভাবনা ছিল। ফলে নীতিগত লক্ষ্য অনুযায়ী অর্থ ব্যবহারের পরিবর্তে কেন্দ্রীভূত অনুদান সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। সব মিলিয়ে এই ফরেনসিক অডিট ব্যাংক খাতের সিএসআর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নীতিমালা বাস্তবায়নের ঘাটতিকে সামনে এনেছে, যা ভবিষ্যতে কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা আরও জোরালোভাবে তুলে ধরেছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৯ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনায় অর্থনীতিতে নতুন গতি

    জুন 9, 2026
    ব্যাংক

    ডাচ-বাংলা ব্যাংকের বহু বুথে নগদ টাকার সংকট, ভোগান্তিতে গ্রাহক

    জুন 9, 2026
    ব্যাংক

    তারল্য চাপে ইসলামী ব্যাংক, চাইল ১০ হাজার কোটি টাকার সহায়তা

    জুন 9, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.