রাষ্ট্রমালিকানাধীন অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে সরকার। একসঙ্গে তিনজন পরিচালককে পদ থেকে প্রত্যাহার করে নতুন করে চারজনকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
গত ৩০ আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন একজন সাবেক সচিব, একজন সাবেক জেলা ও দায়রা জজসহ মোট চারজন। এই চারজনকেই যোগদানের তারিখ থেকে তিন বছর মেয়াদে পর্ষদে অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর নির্ধারিত বিধি অনুসরণ করেই এই নিয়োগ কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
অন্যদিকে, একই সময়ে পর্ষদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে আগের তিনজন পরিচালককে। তাদের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তও ৩০ আগস্ট থেকেই তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
নতুন নিয়োগ ও প্রত্যাহার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলো পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেও অবহিত করা হয়েছে। এ ছাড়া নতুন চার পরিচালক আনুষ্ঠানিকভাবে কবে পর্ষদে যোগ দিচ্ছেন, সেই তারিখ যথাসময়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে জানানোর জন্যও ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদে এ ধরনের রদবদল সাধারণত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও নীতিনির্ধারণী কাঠামোয় নতুন অভিজ্ঞতা যুক্ত করার লক্ষ্যেই করা হয়ে থাকে। এবারের এই ব্যাপক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে অগ্রণী ব্যাংকের পর্ষদ পরিচালনায় নতুন গতি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

