Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, অক্টো. 12, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » জামানত ছাড়াই মিলবে ঋণ, তরুণদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে নতুন ব্যাংকিং নীতি
    ব্যাংক

    জামানত ছাড়াই মিলবে ঋণ, তরুণদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে নতুন ব্যাংকিং নীতি

    নিউজ ডেস্কঅক্টোবর 12, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় শক্তি তার তরুণ জনগোষ্ঠী। এই জনগোষ্ঠীর সৃজনশীলতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও শ্রমকে উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা গেলে তা জাতীয় উন্নয়নের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বহু তরুণের ব্যবসা শুরুর আগ্রহ ও সক্ষমতা থাকলেও প্রয়োজনীয় মূলধনের অভাবে তাঁদের পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নেয় না।

    ব্যাংকঋণ পেতে সম্পত্তি জামানত রাখার বাধ্যবাধকতা, ব্যবসা পরিচালনার অভিজ্ঞতার অভাব এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যবসায়িক ইতিহাস না থাকায় নতুন উদ্যোক্তাদের একটি বড় অংশ আনুষ্ঠানিক অর্থায়নের বাইরে থেকে যায়।

    এই দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচি। ২০২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পবিষয়ক বিভাগ প্রকাশিত বিশেষ নীতিমালার মাধ্যমে চালু হওয়া এই কর্মসূচির পূর্ণ নাম ‘উদ্যোগ: উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি’। এর ইংরেজি নাম ‘ইউডিওয়াইওজি: আপাজিলা-ড্রিভেন ইয়ুথ অপরচুনিটি ফর গ্রোথ’। কর্মসূচিটির উদ্দেশ্য হলো উপজেলা পর্যায়ে সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তাদের খুঁজে বের করা, তাঁদের ব্যবসায়িক উদ্যোগ যাচাই করা এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন, প্রশিক্ষণ ও বাজারসংযোগের মাধ্যমে উৎপাদনশীল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

    উদ্যোগটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো, একজন যোগ্য উদ্যোক্তার জন্য সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত সমন্বিত অর্থায়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর অর্ধেক ব্যাংকঋণ এবং বাকি অর্ধেক অনুদান হিসেবে দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি সহায়ক জামানত ছাড়াই ঋণ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফলে যেসব তরুণের ব্যবসায়িক ধারণা ও পরিশ্রম করার সক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু জমি, বাড়ি বা অন্য কোনো সম্পদ বন্ধক রাখার সুযোগ নেই, তাঁদের জন্য নতুন দরজা খুলতে পারে এই নীতি।

    তবে নীতিমালার ঘোষণা আর বাস্তব সাফল্য এক বিষয় নয়। অর্থায়ন যেন প্রকৃত উদ্যোক্তার হাতে পৌঁছায়, ব্যবসা যেন টেকসই হয় এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর নতুন কোনো আর্থিক চাপ সৃষ্টি না হয়—এই তিনটি বিষয় নিশ্চিত করাই হবে কর্মসূচিটির সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।

    ঋণ ও অনুদানের সমন্বয়ে নতুন অর্থায়নব্যবস্থা। প্রচলিত ব্যাংকঋণব্যবস্থায় উদ্যোক্তাকে নেওয়া অর্থের সম্পূর্ণ অংশ নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচিতে ঋণ ও অনুদানের সমন্বিত কাঠামো গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যবসা শুরুর প্রাথমিক আর্থিক চাপ কমানোর পাশাপাশি উদ্যোক্তাকে উৎপাদনশীল কাজে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নীতিমালা অনুযায়ী, একজন নির্বাচিত উদ্যোক্তার প্রকৃত ব্যবসায়িক প্রয়োজন, প্রস্তাবিত ব্যয় এবং চূড়ান্ত মূল্যায়নের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন অনুমোদন করা যেতে পারে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা ব্যাংকঋণ এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অনুদান। অর্থাৎ ঋণ ও অনুদানের অনুপাত ৫০:৫০। তবে সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হলেও প্রত্যেক আবেদনকারী যে সম্পূর্ণ ২০ লাখ টাকা পাবেন, এমন নিশ্চয়তা নেই।

    উদাহরণ হিসেবে, কোনো তরুণের একটি খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবসা শুরু করতে ১২ লাখ টাকা প্রয়োজন হলে এবং যাচাইয়ের পর ওই পরিমাণ অর্থায়ন অনুমোদিত হলে তিনি ৬ লাখ টাকা ঋণ ও ৬ লাখ টাকা অনুদান পেতে পারেন। ফলে পুরো ১২ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে পরিশোধের দায় তাঁর ওপর বর্তাবে না। এই কাঠামো নতুন ব্যবসার প্রাথমিক পর্যায়ে মূলধনের সংকট কমাতে সহায়ক হতে পারে।

    এখানে অনুদানের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অনুদানকে নিঃশর্ত আর্থিক সুবিধা হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। নীতিমালায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে অথবা অর্থের অপব্যবহার প্রমাণিত হলে অনুদানের সমপরিমাণ অর্থও ঋণে রূপান্তরিত হতে পারে। সেই অর্থ সরকারি পাওনা হিসেবে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আদায়যোগ্য হবে। ঋণ ও অনুদানের অর্থ একই সময়ে, এককালীন এবং নগদে নয়, উদ্যোক্তার ব্যাংক হিসাবে দেওয়ার বিধানও রয়েছে। অর্থাৎ কর্মসূচিটি তরুণদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি অর্থের সঠিক ব্যবহার ও সময়মতো ঋণ পরিশোধের দায়িত্বও স্পষ্ট করে দিয়েছে।

    সুদের হার ও উদ্যোক্তাবান্ধব অর্থায়ন। নতুন ব্যবসার ক্ষেত্রে অর্থায়নের ব্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ব্যবসা শুরুর প্রথম দিকে আয় অনিয়মিত হতে পারে, অথচ কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি, কর্মচারী, পরিবহন ও বিপণনের ব্যয় নিয়মিত বহন করতে হয়। এ অবস্থায় ঋণের সুদের হার বেশি হলে উদ্যোক্তার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে।

    ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির আওতায় প্রযোজ্য পুনঃঅর্থায়নব্যবস্থা অনুযায়ী স্টার্টআপ উদ্যোগের ক্ষেত্রে ৪ শতাংশ, নারী উদ্যোক্তার ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ এবং অন্যান্য উদ্যোক্তার ক্ষেত্রে ৭ শতাংশ সুদ বা মুনাফার হারের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে আবেদনকারী কোন শ্রেণিতে পড়বেন এবং তাঁর ঋণের ক্ষেত্রে কোন হার প্রযোজ্য হবে, তা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কাছে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

    তুলনামূলক কম সুদের হার ব্যবসার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। তবে শুধু ঋণ সস্তা হলেই কোনো ব্যবসা লাভজনক হয়ে ওঠে না। পণ্যের বাজার চাহিদা, উৎপাদন ব্যয়, প্রতিযোগিতা, বিক্রয়মূল্য, নগদ প্রবাহ এবং কিস্তি পরিশোধের সক্ষমতা বিবেচনা করেই ব্যবসার পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।

    এখানে উদ্যোক্তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো, ব্যবসার সম্ভাব্য আয় ও ব্যয়ের হিসাব আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা। যে উদ্যোগ থেকে নিয়মিত আয় তৈরি হওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা নেই, সেখানে ঋণ ও অনুদান—দুই ধরনের অর্থই ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

    প্রথম পর্যায়ে আট জেলার ৬৪ উপজেলায় কার্যক্রম। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, কর্মসূচিটির প্রাথমিক পর্যায়ে আটটি জেলার ৬৪টি উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জেলাগুলো হলো মানিকগঞ্জ, ফেনী, নওগাঁ, ঝিনাইদহ, ভোলা, হবিগঞ্জ, রংপুর ও নেত্রকোনা। প্রতিটি উপজেলা থেকে ১০ জন করে উদ্যোক্তা নির্বাচনের পরিকল্পনায় প্রথম পর্যায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৪০ জন। পরবর্তী সময়ে কর্মসূচিটি সম্প্রসারণ করে বছরে পাঁচ হাজার তরুণ উদ্যোক্তাকে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যের কথাও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

    প্রথম পর্যায়ের জন্য আবেদন গ্রহণের সময়সীমা ২০২৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত। আবেদনপত্র বাংলাদেশ ব্যাংক, সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পবিষয়ক পোর্টাল এবং অংশগ্রহণকারী তফসিলি ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যায়। সংশ্লিষ্ট উপজেলার যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের শাখায় নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আবেদন জমা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে আগে থেকেই হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক নয়। অন্যান্য জেলার জন্য ১ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত আবেদনের সময়সীমার কথাও ব্যাংকের প্রকাশিত কর্মসূচিসংক্রান্ত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তবে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট জেলার জন্য প্রযোজ্য সময়সীমা, প্রয়োজনীয় নথি এবং অন্যান্য শর্ত যাচাই করা জরুরি। বিশেষ করে কর্মসূচির প্রথম পর্যায় ও পরবর্তী পর্যায়ের আওতাভুক্ত এলাকা সম্পর্কে ভুল ধারণা থাকলে অনেক যোগ্য আবেদনকারী সময়মতো আবেদন করতে ব্যর্থ হতে পারেন।

    কর্মসূচিটির সুবিধা যেন প্রকৃত তরুণ উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছায়, সে জন্য নির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্ত রাখা হয়েছে। আবেদনকারীকে প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং আবেদনের শেষ তারিখে তাঁর বয়স সর্বোচ্চ ২৮ বছর হতে হবে। তাঁকে সংশ্লিষ্ট উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং নিজের ব্যবসায়িক উদ্যোগ, গ্রহণযোগ্য ব্যবসায়িক ধারণা অথবা নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠার বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা উপস্থাপন করতে হবে।

    এ ছাড়া ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে আগে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নেওয়া ব্যক্তিরা এই কর্মসূচির আওতায় বিবেচিত হবেন না। কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিরাও অযোগ্য। সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্যও এ অর্থায়ন প্রযোজ্য নয়। অসত্য তথ্য দেওয়া কিংবা অন্যের ব্যবসায়িক ধারণা নিজের নামে ব্যবহার করার প্রমাণ পাওয়া গেলে আবেদন বাতিল এবং আবেদনকারীকে কালো তালিকাভুক্ত করার বিধান রয়েছে।

    এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ব্যবসা আগে থেকেই চালু থাকা বাধ্যতামূলক নয়। নতুন ব্যবসা শুরু করার বাস্তবসম্মত পরিকল্পনাও বিবেচিত হতে পারে। ফলে যেসব তরুণ এখনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি, কিন্তু সম্ভাব্য ক্রেতা, উৎপাদনব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় ব্যয় ও আয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করেছেন, তাঁরাও সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রাখেন।

    আবেদনকারীর পরিচয়পত্র, সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ থাকলে তার অনুলিপি, নির্ধারিত আবেদনপত্র, পাসপোর্ট আকারের ছবি এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার প্রমাণ হিসেবে নাগরিক সনদ বা প্রত্যয়নপত্র প্রয়োজন। আবেদন জমা দেওয়ার আগে ব্যাংকের কাছে নথির সর্বশেষ তালিকা নিশ্চিত করা উচিত।

    কৃষি থেকে প্রযুক্তি—বহুমুখী ব্যবসার সুযোগ। বাংলাদেশে উদ্যোক্তা উন্নয়নকে কেবল দোকান, পোশাক বিক্রি কিংবা অনলাইন বাণিজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে স্থানীয় অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব হবে না। ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচিতে কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তশিল্প, মৎস্য, পশুপালন, পর্যটন, সেবা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, হালকা প্রকৌশল এবং প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপসহ আইনসম্মত বিভিন্ন ব্যবসাকে বিবেচনার আওতায় রাখা হয়েছে।

    উদাহরণ হিসেবে, কৃষিপ্রধান এলাকার একজন তরুণ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ফল সংগ্রহ করে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত করার ব্যবসা শুরু করতে পারেন। উপকূলীয় এলাকায় মাছ সংরক্ষণ, বরফ সরবরাহ বা বাজারজাতকরণে নতুন উদ্যোগ গড়ে উঠতে পারে। আবার কোনো তরুণ স্থানীয় কারিগরদের তৈরি হস্তশিল্প অনলাইন ও প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

    প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগেও রয়েছে সম্ভাবনা। কৃষিপণ্যের বাজারদর জানানো, ক্ষুদ্র ব্যবসার হিসাবরক্ষণ, স্থানীয় পর্যটনসেবা, শিক্ষা সহায়তা কিংবা পণ্য সরবরাহব্যবস্থা সহজ করার জন্য প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা তৈরি করা যেতে পারে।

    এ ধরনের উদ্যোগের অর্থনৈতিক গুরুত্ব হলো, এগুলো স্থানীয় সম্পদকে কাজে লাগিয়ে নতুন আয় সৃষ্টি করতে পারে। কৃষক, কারিগর, পরিবহনকর্মী, সরবরাহকারী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা উপকৃত হতে পারেন। একই সঙ্গে উৎপাদিত পণ্যের অপচয় কমানো, বাজারসংযোগ বাড়ানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে মূল্য সংযোজনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    তবে প্রত্যেক উদ্যোক্তাকে ব্যবসা শুরুর আগে সম্ভাব্য ক্রেতা, প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান, কাঁচামালের উৎস এবং পণ্য বাজারজাত করার পদ্ধতি সম্পর্কে বাস্তবসম্মত ধারণা অর্জন করতে হবে। কেবল অর্থায়ন পাওয়ার জন্য ব্যবসার ধারণা তৈরি করলে দীর্ঘমেয়াদে সাফল্য অর্জন কঠিন হবে।

    অর্থের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও বাজারসংযোগ। নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মূলধনের অভাব একটি বড় বাধা হলেও এটিই একমাত্র সমস্যা নয়। অনেক উদ্যোক্তা ব্যবসার হিসাব রাখা, উৎপাদন ব্যয় নির্ধারণ, ক্রেতা খুঁজে পাওয়া, পণ্যের মান বজায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় নিবন্ধন সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েন। ফলে অর্থায়ন পাওয়ার পরও তাঁদের ব্যবসা প্রত্যাশিত গতিতে এগোয় না।

    এই বাস্তবতা বিবেচনায় ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচিতে আর্থিক জ্ঞানবিষয়ক প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শ, ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা, ব্যবসা নিবন্ধন এবং বাজারসংযোগের ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ও কর শনাক্তকরণ নম্বরের মতো প্রয়োজনীয় বিষয়েও নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের দিকনির্দেশনা দেওয়ার বিধান রয়েছে।

    এই সহায়তাগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে তরুণেরা শুধু অর্থ পাবেন না; বরং ব্যবসা পরিচালনার প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতাও অর্জন করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে আগ্রহী উদ্যোক্তাকে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যসম্মত সংরক্ষণ, প্যাকেজিং ও বিক্রয়ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে। অনলাইন ব্যবসায় আগ্রহীদের ডিজিটাল বিপণন, নিরাপদ লেনদেন, গ্রাহকসেবা ও পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় দক্ষ করে তোলা যেতে পারে।

    এখানে ব্যাংকের দায়িত্ব কেবল অর্থ বিতরণে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। ব্যবসা শুরুর পর নিয়মিত অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শ এবং বাজারের সঙ্গে সংযোগ তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে। এর ফলে উদ্যোক্তার ব্যবসা টেকসই হওয়ার পাশাপাশি ঋণ পরিশোধের সক্ষমতাও বাড়তে পারে।

    ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা ও নতুন নীতির তাৎপর্য। জামানতবিহীন ঋণের গুরুত্ব বুঝতে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের বর্তমান পরিস্থিতিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৬ সালের জুন শেষে দেশের ব্যাংক খাতে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। মার্চ শেষে এই পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসে শ্রেণিকৃত ঋণ বেড়েছে ১৭ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা।

    এই পরিসংখ্যান ব্যাংকিং খাতে ঋণ ব্যবস্থাপনা, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং সুশাসন জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। একদিকে নতুন উদ্যোক্তাদের অর্থায়নের সুযোগ বাড়াতে হবে, অন্যদিকে ঋণের অর্থ যেন অনুৎপাদনশীল কাজে ব্যবহৃত না হয় এবং ঋণ পরিশোধের সংস্কৃতি শক্তিশালী হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

    এখানে ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা রয়েছে। বড় সম্পত্তি জামানত রাখার সক্ষমতাকে একমাত্র বিবেচ্য বিষয় না ধরে ব্যবসার বাস্তবতা, বাজারের সম্ভাবনা, নগদ প্রবাহ ও উদ্যোক্তার দক্ষতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে জামানত না থাকলেও যথাযথ যাচাই-বাছাই অপরিহার্য। সহায়ক জামানতবিহীন অর্থায়ন মানে ঝুঁকিমুক্ত ঋণ নয়।

    নীতিমালায় উদ্যোক্তা নির্বাচন, ব্যাংকের ঋণ মূল্যায়ন, অর্থের ব্যবহার পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণের বিধান রয়েছে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়াও ঋণ পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়; সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে নিজস্ব ঋণনীতি ও প্রযোজ্য বিধিবিধান অনুসরণ করতে হবে। এই শর্তগুলো ব্যাংকের আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

    স্বচ্ছ নির্বাচন ও জবাবদিহিই হবে সাফল্যের ভিত্তি। যেকোনো সহায়তামূলক কর্মসূচির কার্যকারিতা নির্ভর করে প্রকৃত সুবিধাভোগী নির্বাচনের ওপর। স্থানীয় পর্যায়ে উদ্যোক্তা বাছাইয়ের সময় রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি, পরিচিতজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া কিংবা অসম্পূর্ণ ব্যবসায়িক পরিকল্পনাকে অনুমোদন দেওয়ার ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

    এ কারণে আবেদন মূল্যায়নের জন্য স্পষ্ট ও পরিমাপযোগ্য মানদণ্ড অনুসরণ করা জরুরি। আবেদনকারীর ব্যবসায়িক ধারণার বাস্তবতা, বাজারের চাহিদা, আর্থিক পরিকল্পনা, উদ্যোক্তার দক্ষতা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে। নীতিমালায় ব্যাংক প্রতিনিধি, সফল উদ্যোক্তা, সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞ এবং অন্যান্য অংশীজনকে নিয়ে স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনপ্রক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোর উচিত আবেদন গ্রহণ থেকে অর্থ বিতরণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপের তথ্য সংরক্ষণ করা। কতটি আবেদন জমা পড়ল, কতজন নির্বাচিত হলেন, কী পরিমাণ অর্থ অনুমোদিত ও বিতরণ করা হলো এবং কতটি ব্যবসা বাস্তবে চালু হলো—এসব তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আবেদনকারীদের অভিযোগ জানানোর সহজ ব্যবস্থা থাকা উচিত। কোনো আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে তার কারণ লিখিতভাবে সংরক্ষণের বিধান কার্যকরভাবে অনুসরণ করা দরকার। এতে অনিয়ম কমবে এবং যোগ্য উদ্যোক্তাদের মধ্যে আস্থা বাড়বে।

    অনুদানের অপব্যবহার ঠেকাতে অর্থের ব্যবহারও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তবে ব্যবসায়িক ঝুঁকির কারণে কোনো উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অর্থের অপব্যবহার করা এক বিষয় নয়। যথাযথ যাচাইয়ের মাধ্যমে দায় নির্ধারণ করা হলে সৎ উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা দেওয়া এবং সরকারি অর্থের অপচয় রোধ—দুই লক্ষ্যই অর্জন করা সম্ভব হবে।

    কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা ও বাস্তবতার পরীক্ষা। একটি সফল ক্ষুদ্র উদ্যোগ শুধু উদ্যোক্তার ব্যক্তিগত আয় বাড়ায় না; এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন কর্মচারী, সরবরাহকারী, পরিবহনকর্মী, স্থানীয় উৎপাদক ও সেবাদাতারা। ফলে একটি ব্যবসার প্রসার স্থানীয় অর্থনীতিতে বহুমুখী প্রভাব ফেলতে পারে।

    বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ে উৎপাদন ও সেবাভিত্তিক উদ্যোগ বাড়লে কর্মসংস্থানের সুযোগ স্থানীয় পর্যায়েই তৈরি হতে পারে। এতে কাজের সন্ধানে বড় শহরমুখী হওয়ার চাপ কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসবে না। ব্যবসার স্থায়িত্ব, বাজার সম্প্রসারণ এবং আয় বৃদ্ধির ওপর কর্মসংস্থানের বাস্তব প্রভাব নির্ভর করবে।

    এ কারণে কর্মসূচির সাফল্য শুধু ঋণ ও অনুদান বিতরণের পরিমাণ দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। এক বছর ও তিন বছর পর কতটি ব্যবসা সচল রয়েছে, কতজন নতুন কর্মী নিয়োগ পেয়েছেন, উদ্যোক্তাদের আয় কতটা বেড়েছে এবং ঋণ পরিশোধের হার কেমন—এসব সূচক মূল্যায়ন করতে হবে।

    নারী উদ্যোক্তা এবং প্রত্যন্ত এলাকার তরুণদের অংশগ্রহণও বিশেষ গুরুত্ব পাওয়া উচিত। তথ্যের অভাব, প্রশিক্ষণের সীমাবদ্ধতা কিংবা ব্যাংকিং প্রক্রিয়া সম্পর্কে অনভিজ্ঞতার কারণে সম্ভাবনাময় আবেদনকারীরা যেন পিছিয়ে না পড়েন, সে জন্য স্থানীয় পর্যায়ে প্রচার ও সহায়তা বাড়ানো প্রয়োজন।

    অর্থায়নের সুযোগকে টেকসই উদ্যোগে রূপ দিতে হবে। বাংলাদেশের তরুণদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা এবং উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান বাড়ানো এখন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি। এ লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচি একটি সম্ভাবনাময় পদক্ষেপ। জামানতবিহীন ঋণ, ঋণ ও অনুদানের সমন্বিত অর্থায়ন, আর্থিক প্রশিক্ষণ এবং বাজারসংযোগের ব্যবস্থা তরুণদের দীর্ঘদিনের মূলধনসংকট কমাতে সহায়ক হতে পারে।

    তবে এই উদ্যোগের প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হবে বাস্তব ফলাফলে। যোগ্য উদ্যোক্তার কাছে সময়মতো অর্থ পৌঁছানো, ব্যবসার প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থায়ন নির্ধারণ, প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা, অনুদানের সঠিক ব্যবহার পর্যবেক্ষণ এবং ব্যাংকিং খাতে সুশাসন বজায় রাখা—সবকিছু সমান গুরুত্বপূর্ণ।

    উদ্যোক্তাদেরও মনে রাখতে হবে, ঋণ ও অনুদান ব্যবসা প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি করে, কিন্তু সাফল্যের নিশ্চয়তা দেয় না। বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা, বাজার সম্পর্কে জ্ঞান, নিয়মিত হিসাবরক্ষণ, পরিশ্রম এবং আর্থিক দায়িত্বশীলতার সমন্বয়েই একটি উদ্যোগ টেকসই হয়ে উঠতে পারে।

    রাষ্ট্র ও ব্যাংকিং খাতের দায়িত্ব হলো তরুণদের সামনে সুযোগের দরজা খুলে দেওয়া; আর সেই সুযোগকে উৎপাদন, আয় ও কর্মসংস্থানে রূপান্তর করার দায়িত্ব উদ্যোক্তাদেরও নিতে হবে। একই সঙ্গে স্বচ্ছ নির্বাচন, কার্যকর তদারকি এবং নিয়মিত মূল্যায়নের মাধ্যমে কর্মসূচিটির জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

    জামানতবিহীন অর্থায়নের প্রকৃত সাফল্য শুধু কত টাকা বিতরণ হলো, তাতে নয়; বরং সেই অর্থের মাধ্যমে কতটি টেকসই ব্যবসা গড়ে উঠল, কতজন মানুষের কর্মসংস্থান হলো এবং কতজন তরুণ নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারলেন—তার মধ্যেই নিহিত। ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচি যদি এই লক্ষ্যগুলো অর্জন করতে পারে, তাহলে এটি বাংলাদেশের উপজেলা পর্যায়ে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে একটি কার্যকর দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    মতামত

    যে প্রেসিডেন্ট প্রতিপক্ষের নামও বলতে চান না

    অক্টোবর 12, 2026
    মতামত

    সৌদি হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে, কিন্তু পরাজিত করতে পারবে কি?

    অক্টোবর 12, 2026
    মতামত

    কনস্যুলেট সমর্পণ চুক্তিতে যুক্তরাজ্য কি ইসরায়েলের কাছে নতি স্বীকার করল?

    অক্টোবর 12, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.