Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, জুন 27, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ইইউ বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে ৫% কার্বন কর কার্যকর হতে পারে
    বাণিজ্য

    ইইউ বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে ৫% কার্বন কর কার্যকর হতে পারে

    মনিরুজ্জামানমার্চ 31, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    একটি নতুন গবেষণায় সতর্ক করে বলা হয়েছে, কার্বন নিঃসরণ কমানো না হলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে প্রায় ৫ শতাংশ অতিরিক্ত কার্বন কর আরোপ হতে পারে।

    ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার। সরবরাহ চেইনে কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য সম্প্রতি তারা চালু করেছে কার্বন বর্ডার অ্যাডজাস্টমেন্ট মেকানিজম (সিবিএএম)। এই কাঠামোর আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে তৈরি পোশাক খাতও আসতে পারে।

    গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমান কার্বন নিঃসরণের হার বজায় থাকলে ২০৩০ সালের পর বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে ৪.৮ শতাংশ অতিরিক্ত কার্বন কর লাগতে পারে। এই তথ্য এসেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ ইমরাজ কবিরের যৌথ গবেষণায়। ২৯ মার্চ সিপিডির ওয়েবসাইটে প্রতিবেদনের প্রকাশিত হয়।

    অতিরিক্ত এই কর এমন এক সময়ে আসছে, যখন বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা হারানোর কারণে ইউরোপের শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা হারাচ্ছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, শুল্কমুক্ত সুবিধা হারালে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে গড়ে প্রায় ১২ শতাংশ শুল্ক আরোপ হতে পারে। কার্বন করের ৪.৮ শতাংশ যুক্ত হলে মোট শুল্ক দাঁড়াবে প্রায় ১৭ শতাংশ।

    “ইইউ কার্বন ট্যাক্স: পসিবল ইমপ্লিকেশনস ফর বাংলাদেশস অ্যাপারেল এক্সপোর্ট” শীর্ষক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইইউ-সিবিএএমের আওতায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৪.৮ শতাংশ কার্বন কর বসতে পারে। যদি ইইউর এমএফএন  শুল্ক ১২.১ শতাংশ ধরা হয়, তবে মোট আমদানি শুল্ক দাঁড়াবে প্রায় ১৬.৯ শতাংশ।

    ২০২৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এই পরিস্থিতি বাস্তবায়িত হতে পারে। এমনকি ইইউ যদি ২০২৯ সাল পর্যন্ত শুল্কমুক্ত সুবিধা বাড়িয়ে দেয়, তবু তৈরি পোশাক খাতকে ২০২৬ থেকে ২০২৯ সালের মধ্যে সিবিএএমের আওতায় অন্তত ৪.৮ শতাংশ কর দিতে হতে পারে।

    সিপিডির অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশের পোশাক খাতের কার্বন নিঃসরণ অনুযায়ী আমরা প্রাক্কলন করেছি এবং এই হিসাব পেয়েছি।” তবে উদ্যোক্তারা আতঙ্কিত নন। তারা বলছেন, অনেক কারখানা ইতিমধ্যে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারসহ পরিবেশবান্ধব উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বাকি কারখানাগুলোও ধাপে ধাপে যুক্ত হবে।

    বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, “আমরা ইতিমধ্যেই ইইউর শর্ত অনুযায়ী উৎপাদনে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করার প্রস্তুতি শুরু করেছি। বেশ কিছু কারখানা ইতিমধ্যে পরিবেশবান্ধব প্রক্রিয়া চালু করেছে। ছোট ও মাঝারি কারখানাগুলোও সরকারের সঙ্গে কাজ করছে যেন শর্ত পূরণ করতে পারে।”

    বিশ্বব্যাপী পরিবেশবান্ধব কারখানার দিক থেকে বাংলাদেশ অন্যতম শীর্ষস্থানীয়। বর্তমানে দেশে প্রায় ৩০০টি ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল স্বীকৃত গ্রিন কারখানা রয়েছে। মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “বিদ্যমান কারখানাগুলো ইইউর সব শর্ত পুরোপুরি পূরণ করতে না পারলেও এটি বড় অগ্রগতি।”

    ইইউ ২০২১ সালের জুলাইয়ে সিবিএএম চালু করে। প্রথমে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে সিমেন্ট, সার ও ইস্পাত পণ্যে প্রযোজ্য হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সব পণ্যের জন্য এটি কার্যকর হবে।

    বাংলাদেশের মোট রপ্তানির পাঁচ ভাগের চার ভাগ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এর অর্ধেকের বেশি রপ্তানি যায় ইউরোপে। তাই নতুন এই নিয়ম দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    প্রতিবেদনে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, কার্বন কর এড়াতে বাংলাদেশকে উৎপাদনে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে। প্রস্তাবিত পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে:

    • জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি আমদানিতে শুল্ক কমানো,
    • ইটিপি স্থাপনে ভর্তুকিযুক্ত ঋণ,
    • কার্বন নিঃসরণ কমানোর নীতিমালা বাস্তবায়ন,
    • প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি,
    • সিবিএএম প্রভাব পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা,
    • ডব্লিউটিওর সঙ্গে আলোচনা চালানো,
    • দেশীয় কার্বন প্রাইসিং ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি জোরদার করা।

    এছাড়া বলা হয়েছে, সিবিএএম যেন কোনোভাবেই উন্নত দেশের বাণিজ্য সুরক্ষাবাদী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাণিজ্য

    ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলে চীনা বিনিয়োগের নতুন অধ্যায়

    জুন 27, 2026
    বাণিজ্য

    বিমানবন্দরের চাপ কমাতে কার্গো ভিলেজ স্থাপনের প্রস্তাব

    জুন 25, 2026
    বাণিজ্য

    সংস্কারে চাঙা নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাত, ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত

    জুন 25, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.