রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানী ও গুলশান-এ অনুমোদনবিহীন সিসা (শিশা/হুক্কা) বার ও লাউঞ্জ বন্ধে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী এবং ন্যাশনাল ল’ ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস. এম. জুলফিকার আলী জুনু এই নোটিশ পাঠান।
নোটিশটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর-এর মহাপরিচালক এবং র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭-এর আওতাধীন বনানী ও গুলশানে দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনহীন সিসা বার ও লাউঞ্জ অবাধে পরিচালিত হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের আড়ালে মাদক ব্যবসা ও সেবন কার্যক্রমও চালু রয়েছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, সরকারের ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবে যথাযথভাবে কার্যকর হচ্ছে না, যা রাষ্ট্রীয় নীতির পরিপন্থি।
নোটিশে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর অনুমোদনবিহীন সিসা ও হুক্কা লাউঞ্জ বন্ধের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এতে আইনের শাসন ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

