দেশে সম্প্রতি ৫০০তম উপজেলা সৃষ্টি হয়েছে। অচিরেই এই তালিকায় আরও কয়েকটি নতুন উপজেলার নাম যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের নীতির অংশ হিসেবে প্রতিটি নতুন উপজেলাকে ঘিরে গড়ে ওঠে একটি বিস্তৃত সরকারি কাঠামো।
প্রতিটি উপজেলায় প্রায় ২৫টি সরকারি দপ্তর স্থাপিত হয়। নির্মিত হয় দৃষ্টিনন্দন প্রশাসনিক ভবন। বরাদ্দ দেওয়া হয় নতুন যানবাহন। নিয়োগ পান শত শত কর্মকর্তা ও কর্মচারী। এর ফলে এক সময়ের সাধারণ এলাকা ধীরে ধীরে রূপ নেয় নতুন শহরে। গড়ে ওঠে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ নানা সেবা কাঠামো।
কিন্তু উন্নয়নের এই আলোর পাশেই ধীরে ধীরে দেখা দেয় অন্ধকারের উপস্থিতি। নতুন গড়ে ওঠা এসব শহরকে কেন্দ্র করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিস্তার ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়। মাদক ব্যবসা, মারামারি, ইভটিজিং, অবৈধ ইটভাটা, খাদ্যে ভেজাল, সরকারি খাস জমি দখল, ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি দখল এবং পারিবারিক ও সামাজিক বিরোধকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের দেওয়ানি ও ফৌজদারি অপরাধের বিস্তার ঘটে বলে পর্যবেক্ষণে উঠে আসে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে। ৫০০টির বেশি উপজেলায় ৫০০-এরও বেশি থানা রয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ ফাঁড়িও রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে র্যাব, ডিবি, এসবি এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মতো বিশেষায়িত সংস্থাগুলো।
অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে এসব বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে বিশ্লেষণে উঠে আসছে, মূল চ্যালেঞ্জটি শুধু আইন প্রয়োগে নয়; বরং কাঠামোগত আরও কিছু দুর্বলতার মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে সমস্যার গভীরতা। উপজেলা সম্প্রসারণ উন্নয়নের নতুন দিগন্ত খুললেও এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সামাজিক ও অপরাধগত জটিলতা বাড়ার শঙ্কাও তৈরি করছে—এমনটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে বর্তমান বাস্তবতা।
অতিরিক্ত চাপের মুখে সীমিত নিষ্কাশন ক্ষমতা:
দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা বাড়লেও বিচার বিভাগে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিচারক ও অবকাঠামোর ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ফলে পুরো বিচার প্রক্রিয়াকে অনেকেই একটি ফানেলের সঙ্গে তুলনা করছেন। এই কাঠামোয় ফানেলের প্রশস্ত মুখ দিয়ে পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক মামলা বিচার বিভাগে প্রবেশ করছে। কিন্তু বিচার ব্যবস্থার শেষ প্রান্ত বা ‘বোতলের মুখ’ এতটাই সংকুচিত যে মামলার নিষ্পত্তি হতে সময় লাগছে বছরের পর বছর, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে দশকও পেরিয়ে যাচ্ছে।
অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে বিচার বিভাগে জেলা জজ পদমর্যাদার কিছু নতুন পদ সৃষ্টি হওয়ায় উচ্চ আদালত ও জেলা পর্যায়ের মামলার চাপ কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এ ছাড়া সারাদেশে ৭২টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল সক্রিয় থাকায় কিছু আলোচিত মামলা তুলনামূলক দ্রুত নিষ্পত্তি হয়েছে। ‘আছিয়া হত্যা’ বা ‘রামিসা হত্যা’র মতো জঘন্য অপরাধের বিচার ও রায় দ্রুততম সময়ে পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
আইনমন্ত্রী একে বিচার ব্যবস্থার ‘উল্টা পিরামিড’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, উচ্চ আদালত বা জেলা পর্যায়ে কাঠামো ও পদসংখ্যা বাড়লেও মাঠ পর্যায়ে, অর্থাৎ সহকারী জজ ও ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ে জনবল সংকট রয়ে গেছে। এই স্তরেই মামলার মূল উৎপত্তি হলেও এখানকার সীমিত জনবল পুরো ব্যবস্থাকে চাপের মধ্যে ফেলছে বলে মত বিশ্লেষকদের।
বিচার ব্যবস্থার এই সংকট নিরসনে অতিরিক্ত বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসছে। প্রায় ২২০০ কোটি টাকার বর্তমান বার্ষিক বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩৫০০ থেকে ৪৪০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব আলোচনায় রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগ বাড়লে জনবল বৃদ্ধি ও অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তির সময় কমানো সম্ভব। এতে দীর্ঘদিনের মামলাজট অনেকাংশে কমে আসতে পারে।
দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি হলে আদালত ফি ও রাষ্ট্রীয় রাজস্ব বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নাগরিকদের সময় ও অর্থের অপচয় কমবে এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা পুনরুদ্ধার হবে। বিচার বিভাগে বিনিয়োগ বাড়ানো হলে শুধু কাঠামোগত উন্নয়নই নয়, সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রীয় সেবার কার্যকারিতাও বৃদ্ধি পাবে।
মাঠ পর্যায়ের নির্মম সংখ্যাতাত্ত্বিক বাস্তবতা: দেশের দেওয়ানি, ফৌজদারি এবং আইনি সহায়তা খাতের বাস্তব চিত্র বিশ্লেষণ করলে মাঠ পর্যায়ে জনবল ও মামলার চাপের বড় ধরনের অসামঞ্জস্য দেখা যায়।
দেওয়ানি আদালত:
দেশে উপজেলা সংখ্যা ৫০০টি হলেও দেওয়ানি মামলার মূল বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সহকারী জজ (সিভিল জজ) পদ রয়েছে মাত্র ১০৬টি। পাশাপাশি সিনিয়র সহকারী জজ পদ রয়েছে ২৫৬টি।
সব মিলিয়ে দেশে দেওয়ানি বিচারক আছেন মাত্র ৩৬২ জন। এর ফলে অন্তত ১৩৮টি উপজেলার জন্য কোনো পৃথক সিভিল জজ নেই। এই উপজেলার দায়িত্ব অতিরিক্তভাবে অন্যান্য বিচারকদের ওপর বর্তাচ্ছে।
বর্তমানে প্রতিটি সিভিল বিচারকের কাঁধে গড়ে প্রায় ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মামলার ভার রয়েছে। অথচ স্বাভাবিকভাবে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ এক হাজারের মধ্যে সীমিত থাকা উচিত ছিল বলে বিশ্লেষণে বলা হয়। এই অতিরিক্ত চাপ মোকাবিলায় বিচার প্রক্রিয়া স্বাভাবিক গতিতে এগোতে পারছে না। ফলে মামলা নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সময় লাগছে এবং আদালতে জট বাড়ছে।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য অন্তত আরও ৭০০ জন সিভিল ও সিনিয়র সিভিল জজ নিয়োগ প্রয়োজন। মামলার এই অতিরিক্ত চাপের কারণে প্রতিদিন প্রতিটি আদালতে অন্তত এক ঘণ্টা কর্মঘণ্টা কার্যত অপ্রয়োজনীয় বিলম্বে ব্যয় হচ্ছে। এই সময় মূলত তারিখ নির্ধারণ, অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ এবং প্রক্রিয়াগত কার্যক্রমে নষ্ট হচ্ছে।
এই দীর্ঘসূত্রতার ফলে বিচারক, আইনজীবী, কোর্ট স্টাফ এবং মুহুরিদের মতো সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মূল্যবান সময় অপচয় হচ্ছে। এতে আদালতের সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা কমে যাচ্ছে। মাঠ পর্যায়ের এই কাঠামোগত চাপ কমানো না গেলে মামলাজট আরও বাড়তে পারে এবং বিচার প্রক্রিয়া আরও ধীরগতির দিকে যেতে পারে।
ফৌজদারি আদালত:
৫০০টি উপজেলার জন্য কাগজে-কলমে ৫০০টি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পদ থাকলেও বাস্তবে প্রায় ১০০টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এই ঘাটতির কারণে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার কার্যক্রমে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।
ম্যাজিস্ট্রেট সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশেষ আদালতগুলোর ওপর। সামারি ট্রায়াল, পরিবেশ আদালত, খাদ্য আদালত, বন আদালত এবং সদ্য প্রবর্তিত ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ আদালতের কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। জনবল স্বল্পতার কারণে এসব আদালতের নিয়মিত কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়।
সাম্প্রতিক সময়ে আইনি ও আর্থিক এখতিয়ার পরিবর্তনের ফলে যুগ্ম জেলা জজ আদালত থেকে হাজার হাজার মামলা—বিশেষ করে চেক সংক্রান্ত সিআর মামলাসহ অন্যান্য ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলা—ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্থানান্তরিত হয়েছে। এর ফলে প্রতিটি ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর মামলার চাপ বহুগুণ বেড়েছে। বর্তমানে একজন ম্যাজিস্ট্রেটের কাঁধে গড়ে প্রায় আড়াই হাজার মামলা রয়েছে।
মানসম্মত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে একজন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে সর্বোচ্চ এক হাজার মামলা থাকা উচিত। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতা তার দ্বিগুণেরও বেশি চাপ নির্দেশ করছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য দেশে অন্তত আরও ৫০০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করা হচ্ছে। জনবল সংকট কাটানো না গেলে ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম আরও ধীরগতির হয়ে পড়বে এবং মামলার জট বাড়তে থাকবে।
সরকারি আইনি সহায়তায় ঘাটতি:
৫০০টি উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশনের বিশাল জনগোষ্ঠীর তুলনায় সরকারি আইনি সহায়তা ব্যবস্থায় জনবল সংকট স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বর্তমানে সব মিলিয়ে লিগ্যাল এইড অফিসার আছেন মাত্র প্রায় ১০০ জন।
প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) এবং মধ্যস্থতা সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য থাকলেও জনবল স্বল্পতার কারণে সেই সেবা সর্বত্র পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিটি উপজেলায় অন্তত একজন লিগ্যাল এইড অফিসার এবং জেলা ও মহানগর পর্যায়ের অফিসগুলোতে অতিরিক্ত ৩ থেকে ৪ জন কর্মকর্তা থাকা প্রয়োজন।
বর্তমান কাঠামোর তুলনায় বাস্তব চাহিদা অনেক বেশি। এই ঘাটতি পূরণে দেশে অন্তত আরও ৫০০ জন লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করা হচ্ছে। জনবল সংকটের কারণে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি কার্যক্রম ও আইনি সহায়তা সেবা কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোতে পারছে না। এতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার প্রাপ্তির সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বিচারক নিয়োগে ব্যয় বিশ্লেষণ ও রাষ্ট্রের সক্ষমতা:
বিচার বিভাগকে কাঠামোগত চাপ থেকে রক্ষা করতে এই মুহূর্তে মোট ১৭০০ জন নতুন বিচারক নিয়োগের প্রস্তাব সামনে এসেছে। এর মধ্যে ৭০০, ৫০০ এবং ৫০০ জন—এই তিন স্তরের জনবল যোগ করার হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি কোনো বিলাসিতার বিষয় নয়, বরং বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতা টিকিয়ে রাখার প্রশ্ন।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ১৭০০ জন কর্মকর্তার মাসিক গড় বেতন ৬০ হাজার টাকা ধরা হলে বছরে মোট বেতন ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ১২০ কোটি টাকা। প্রতি বিচারকের জন্য গড়ে ৩ জন সহায়ক কর্মী নিয়োগের প্রস্তাব রয়েছে। সে হিসাবে মোট ৫১০০ জন সহায়ক স্টাফ প্রয়োজন হবে। তাদের গড় মাসিক বেতন ২৫ হাজার টাকা ধরলে বার্ষিক ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ১৭৮ কোটি টাকা।
প্রতি বিচারকের জন্য অফিস, এজলাস ও লজিস্টিকস বাবদ এককালীন গড়ে ৫০ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হলে মোট ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদে ২৫ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য অবকাঠামো হিসেবে বিবেচিত। বইপত্র, কম্পিউটার, আইটি সাপোর্ট ও স্টেশনারি খাতে বছরে আনুমানিক ৫১ কোটি টাকার ব্যয় ধরা হয়েছে।
সব মিলিয়ে প্রথম বছরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন নির্মাণ, ডিজিটালাইজেশন এবং জুডিশিয়াল প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ একাডেমি উন্নয়নসহ মোট ব্যয় দাঁড়াতে পারে প্রায় ১২০০ থেকে ১৫০০ কোটি টাকা। সর্বোচ্চ ক্ষেত্রে এই ব্যয় ২০০০ কোটি টাকাও হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরবর্তী বছরগুলোতে পরিচালন ব্যয় নেমে আসবে আনুমানিক ৩৫০ থেকে ৫০০ কোটি টাকায়।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যদি একযোগে ১৭০০ জন বিচারক নিয়োগ সম্ভব না হয়, তবে বিকল্প হিসেবে আইনজীবী বা আইনি গবেষকদের মধ্য থেকে ৫ বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক ‘অ্যাড-হক’ নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। এই সময়ের মধ্যে স্থায়ী নিয়োগ সম্পন্ন করে ধীরে ধীরে চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থা বন্ধ করার সুযোগ থাকবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পর্যায়ের বিনিয়োগ রাষ্ট্রের জন্য আর্থিকভাবে অপ্রতুল নয়। বরং সময়মতো বিনিয়োগ না করলে মামলাজট ও বিচার বিলম্বের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষতি আরও বহুগুণ বাড়তে পারে। একটি রাষ্ট্র কেবল রাস্তা, কালভার্ট, ফ্লাইওভার কিংবা নতুন নতুন প্রশাসনিক উপজেলা গড়ে তোলার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হয় না। রাষ্ট্রের প্রকৃত মেরুদণ্ড হলো তার আইন ও বিচার ব্যবস্থা।

