Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, নভে. 2, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • কৃষি
      • রাজনীতি
      • ভিডিও
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ফৌজদারি মামলায় আপস: কোন অপরাধে সম্ভব, কোনটিতে নয়
    আইন আদালত

    ফৌজদারি মামলায় আপস: কোন অপরাধে সম্ভব, কোনটিতে নয়

    নিউজ ডেস্কUpdated:নভেম্বর 2, 2026নভেম্বর 2, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    নয় লাখ টাকার সমঝোতার পরও বারিধারার সড়ক দুর্ঘটনার মামলা থামেনি। নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মিমের মৃত্যুর ঘটনায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ ওঠে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরের বিরুদ্ধে। ৪ অক্টোবর ঢাকার একটি কিশোর আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেন। পুলিশের প্রতিবেদন অনুযায়ী ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে কিশোরের সম্পৃক্ততা দেখা গেছে। এই মামলা একটি বড় প্রশ্ন সামনে এনেছে: দুই পক্ষ একমত হলে কি অপরাধের মামলা শেষ হতে পারে, নাকি রাষ্ট্রকে বিচার চালিয়ে যেতেই হবে?

    দেওয়ানি মামলায় যা চলে, ফৌজদারিতে তা চলে কতটা

    দেওয়ানি মামলায় আপসের পথ আমাদের দেশে বেশ পরিচিত। দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক থেকে ৮৯ঙ ধারায় মধ্যস্থতা, সালিশ ও মীমাংসার সুযোগ আছে। ফৌজদারি মামলায় এই সুযোগ অনেক সীমিত। সেখানে আপসের প্রধান দরজা হলো ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা, যাকে বলা হয় অপরাধ আপসযোগ্য করার বিধান।

    এই ধারায় কিছু অপরাধের তালিকা আছে। ৩৪৫(১) উপধারায় থাকা অপরাধগুলোতে দুই পক্ষ নিজেরাই আপস করতে পারে। অবসরপ্রাপ্ত আপিল বিভাগের বিচারপতি মুহাম্মদ ইমান আলীর লেখা অনুযায়ী এমন অপরাধ আছে ২৪টি। ৩৪৫(২) উপধারার অপরাধে আদালতের অনুমতি লাগে, আর সেগুলোর সংখ্যা ৪৫টি। ৩৪৫(৬) উপধারা বলে, বৈধভাবে আপস হলে অভিযুক্ত খালাস পাবেন। আবার ৩৪৫(৭) উপধারা স্পষ্ট করে বলেছে, এই ধারার বাইরে কোনো অপরাধ আপস করা যাবে না।

    কেন ফৌজদারি মামলায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি দরকার

    সবচেয়ে বড় কারণ মামলার জট। ইমান আলীর মতে দেশে মামলার জট এখন প্রায় ৫০ লাখের কাছাকাছি। তাঁর রক্ষণশীল হিসাবে এর প্রায় ৫৫ শতাংশই ফৌজদারি মামলা। এর অনেকগুলো এমন অপরাধের, যা শুরুতেই মীমাংসা করা যেত।

    একটি ঘটনা থেকে অনেক সময় পাঁচ থেকে ছয় ধাপের মামলা তৈরি হয়। বিচার, আপিল, রিভিশন, লিভ টু আপিল এবং রিভিউ পর্যন্ত যায়। অপর পক্ষও পাল্টা মামলা করে, আর সেটিও একই পথে চলে। এতে বছরের পর বছর যায়, খরচ বাড়ে, সাক্ষী হারিয়ে যায়।

    দ্বিতীয় কারণ মানবিক। অনেক ছোট অপরাধে আসামি ও ভুক্তভোগী একই গ্রামে বা একই পরিবারে থাকেন। সাজা হলে সম্পর্ক ভেঙে যায়, কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত মানুষটি কিছুই ফেরত পান না। আপসের সুযোগ থাকলে ভুক্তভোগী নিজের মতামত দিতে পারেন, ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন, আর সম্পর্কও টিকে থাকে।

    কোন মামলায় আপস চলতে পারে

    যে অপরাধ মূলত দুই ব্যক্তির মধ্যকার ব্যক্তিগত ক্ষতি, সেখানে আপসের যুক্তি সবচেয়ে জোরালো। ইমান আলী উদাহরণ দিয়েছেন আঘাত, অনধিকার প্রবেশ, মানহানি, সম্পত্তির ক্ষতি এবং পরিচিত মানুষের মধ্যে আমানতে খেয়ানতের। চুরির মতো অপরাধও আইনে আপসযোগ্য, যদিও কোন অপরাধ কীভাবে আপস হবে তা ৩৪৫ ধারার তালিকা দেখেই ঠিক হয়। নেগোসিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার চেক ডিজঅনারের মামলাও আপসযোগ্য।

    তবে আপসযোগ্য হলেই সব ক্ষেত্রে আপস ঠিক নয়। পারিবারিক সহিংসতা, দুই পক্ষের ক্ষমতার বড় ফারাক, কিংবা বারবার অপরাধ করার ইতিহাস থাকলে আগে যাচাই করা দরকার। ইমান আলী বলেছেন, এমন ক্ষেত্রে আইনগত সহায়তা কর্মকর্তার হাতে মামলা আবার আনুষ্ঠানিক বিচারে ফেরত পাঠানোর ক্ষমতা থাকা উচিত। না হলে মধ্যস্থতা ন্যায়বিচারের বদলে চাপ দেওয়ার হাতিয়ার হয়ে যেতে পারে।

    কোন মামলায় আপস চলে না

    খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, ডাকাতি ও চোরাচালানের মতো অপরাধ আপসের তালিকায় নেই। এসব অপরাধ শুধু একজন মানুষের বিরুদ্ধে নয়, পুরো সমাজের বিরুদ্ধে। তাই টাকা দেওয়া হলেও রাষ্ট্র বিচার বন্ধ করতে পারে না। এমনকি সরকারি কৌঁসুলিরও এসব অপরাধ আপস করার ক্ষমতা নেই।

    বারিধারার মামলা এই জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ। সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ১১৭ ধারায় ৬৬, ৭২, ৭৫, ৮৭, ৮৯ ও ৯২ ধারার অপরাধ আপসযোগ্য। কিন্তু এই মামলায় ৯৮ ও ১০৫ ধারার অভিযোগ আনা হয়েছে, যা আপসযোগ্য নয়। ৯৮ ধারায় সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড বা তিন লাখ টাকা জরিমানা, কিংবা দুটিই হতে পারে। ১০৫ ধারায় সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, কিংবা দুটিই। এ কারণে ভুক্তভোগীর পরিবার স্বেচ্ছায় নয় লাখ টাকা নিলেও এই ব্যক্তিগত সমঝোতায় মামলা বন্ধ হওয়ার কথা নয়, এটি প্রতিবেদনভিত্তিক আইনি বিশ্লেষণ।

    আরেকটি কথা মনে রাখা দরকার। ২০২৪ সালে সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের প্রস্তাবে ৯৮ ধারাকে জামিনযোগ্য এবং আপসযোগ্য করার কথা উঠেছিল। সেই প্রস্তাবের বর্তমান অবস্থা আমরা যাচাই করতে পারিনি।

    আপসের ভালো দিক

    ভালো দিক হলো সময় ও খরচ দুইটাই বাঁচে। মামলা দ্রুত শেষ হলে বাদী ও আসামি, দুই পক্ষই বছরের পর বছর আদালতে ঘোরার ধকল থেকে মুক্তি পায়। আদালতের ওপর চাপও কমে।

    দ্বিতীয় লাভ ভুক্তভোগীর অংশগ্রহণ। প্রচলিত বিচারে ভুক্তভোগী অনেক সময় শুধু একজন সাক্ষী হয়ে থাকেন। আপসে তিনি ফলাফল ঠিক করার প্রক্রিয়ায় সরাসরি যুক্ত থাকেন।

    তৃতীয় লাভ প্রথমবার অপরাধ করা মানুষের সংশোধন। ইমান আলী লিখেছেন, ছোট অপরাধে স্বল্পমেয়াদি কারাবাস অনেক সময় মানুষকে আরও কঠিন অপরাধীতে পরিণত করে। একটা রিহ্যাবিলিটেশন প্রসেস দরকার এসব ক্ষেত্রে। সব কিছু আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে না দেখে মানবিক ভাবেও বিবেচনা করা উচিত।

    আন্তর্জাতিকভাবে পুনঃস্থাপনমূলক ন্যায়বিচারের ফলাফলও একই দিকে ইঙ্গিত করে: ভুক্তভোগীর সন্তুষ্টি বেশি এবং ছোট অপরাধীদের আবার অপরাধে ফেরা কম।

    আপসের খারাপ দিক ও ঝুঁকি

    সবচেয়ে বড় ঝুঁকি চাপ। গরিব বা দুর্বল ভুক্তভোগীকে টাকার বিনিময়ে মামলা তুলে নিতে বাধ্য করা হতে পারে। তখন আপস স্বেচ্ছায় হয় না, ক্ষমতাবানের সুবিধায় পরিণত হয়। বারিধারার মামলার আলোচনাতেও এই প্রশ্ন উঠেছে।

    দ্বিতীয় ঝুঁকি অপরাধের গুরুত্ব হালকা হয়ে যাওয়া। গুরুতর অপরাধে টাকা দিয়ে রেহাই পাওয়া গেলে ধনী ও গরিবের জন্য আইন দুই রকম হয়ে যায়। তাই বিচারক দেখবেন আপসটি স্বেচ্ছায় হয়েছে কি না, পক্ষগুলো সবকিছু বুঝে রাজি হয়েছে কি না, এবং আপসটি আইনসম্মত কি না।

    তৃতীয় ঝুঁকি প্রশিক্ষিত মধ্যস্থতাকারীর অভাব। ইমান আলী জানিয়েছেন, তিনি যেসব জেলায় আলোচনা করেছেন সেখানে মধ্যস্থতাকারী, বসার জায়গা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি স্পষ্ট ছিল। অপ্রশিক্ষিত ব্যক্তির হাতে এই কাজ গেলে ভুল সিদ্ধান্তের ঝুঁকি বাড়ে। কোন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তির উপস্থিতিতেই মধ্যস্ততা করতে হবে।

    আদালতের রায় ও আইনি নজির

    আপসের পক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি উদ্ধৃত রায় মো. জয়নাল বনাম মো. রুস্তম আলী মিয়া মামলা, ১৯৮৪ সালে আপিল বিভাগের রায়। এটি ৩৬ ডিএলআর (এডি) ২৪০ নম্বরে প্রকাশিত বলে একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে। রায়ের মূল কথা হলো, আইন আপসকে উৎসাহিত করে, তবে ফৌজদারি অপরাধে সেটি ৩৪৫ ধারার সীমার ভেতরেই করতে হবে।

    আরেকটি রায় ৩৮ ডিএলআর (এডি) ৩৮। সেখানে আপিল বিভাগ ৩৭৯ ধারার চুরির অপরাধকে মালিকের দ্বারা আপসযোগ্য ধরে অভিযুক্তকে খালাস দেয়। হাইকোর্ট বিভাগের ফৌজদারি আপিল নম্বর ৯০৪৭/২০২০ (মোহাম্মদ ইউসুফ) মামলায় এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার অপরাধকে আপসযোগ্য ধরে দুই পক্ষের যৌথ আপস গ্রহণ করা হয়েছে।

    প্রতিবেশী ভারতে একই আইনি কাঠামো আছে, কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট আরও এগিয়ে গেছে। গিয়ান সিং বনাম পাঞ্জাব রাজ্য মামলায় আদালত বলেছে, পক্ষগুলো মীমাংসা করলে এবং মামলা চালিয়ে যাওয়ার কোনো লাভ না থাকলে হাইকোর্ট তার অন্তর্নিহিত ক্ষমতায় আপসযোগ্য নয় এমন মামলাও বাতিল করতে পারে। আমাদের দেশে এসব বিষয়ে নীতি নির্ধারকদের মধ্যে আলাদা আলোচনা দরকার, কারণ এতে অপব্যবহারের ঝুঁকিও বড়, আর ভালো ও খারাপ দিক সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যাবে।

    নতুন সংশোধনী কী বদলাল

    ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশের মাধ্যমে ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৩৪৫(৮) উপধারা যুক্ত করে, যা পরে আইনে রূপ নেয়। ২০২৬ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন আইনও এখন কার্যকর আইন হিসেবে সরকারি আইনের ওয়েবসাইটে আছে। এর ফলে দুই পক্ষ রাজি থাকলে আদালত নিজে আপসে সহায়তা করতে পারেন, কিংবা বিষয়টি আইনগত সহায়তা কর্মকর্তা বা পক্ষগুলোর আইনজীবীর কাছে পাঠাতে পারেন। আইনজীবী না থাকলে পক্ষগুলোর কাছেও পাঠানো যায়।

    একই সঙ্গে ২০২৫ সালে আইনগত সহায়তা আইনও সংশোধন হয়েছে, যাতে মধ্যস্থতা স্পষ্টভাবে তার আওতায় আসে। এসব পরিবর্তন সঠিক পথের দিকে ইঙ্গিত দেয়, কিন্তু মাঠপর্যায়ে এর প্রয়োগ কেমন হবে সেটাই আসল পরীক্ষা।

    দোষ স্বীকারের বিনিময়ে সমঝোতা

    আপসের পাশাপাশি আলোচনায় আসে প্লি বার্গেনিং, অর্থাৎ দোষ স্বীকার করে বিনিময়ে লঘু সাজা বা কম অভিযোগের সুবিধা নেওয়া। ভারতে ২০০৫ সালে এই ব্যবস্থা ফৌজদারি কার্যবিধিতে যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে এটি এখনো নিয়মিত ব্যবস্থা হিসেবে নেই।

    একটি মতামত নিবন্ধে বলা হয়েছে, দেশে সাজার হার গড়ে মাত্র ৮ থেকে ১০ শতাংশ, তাই প্লি বার্গেনিং উপকারী হতে পারে। তবে এ বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতে হবে। আসামি যেন চাপে দোষ স্বীকার না করেন, সেজন্য কঠোর সুরক্ষা দরকার।

    ব্যবস্থাটি কাজ করাতে কী লাগবে

    এর জন্য তিনটি শর্ত পূরণ হতে হবে। প্রথমত, ফৌজদারি মামলার জন্য আলাদাভাবে প্রশিক্ষিত ও স্বীকৃত মধ্যস্থতাকারী লাগবে। দ্বিতীয়ত, নিম্ন আদালত ও আইনগত সহায়তা অফিসের কাছেই মধ্যস্থতার জন্য নিরাপদ জায়গা লাগবে। তৃতীয়ত, চাপ, ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা ও বারবার অপরাধের ক্ষেত্রে মামলা ফিরিয়ে দেওয়ার স্পষ্ট নিয়ম লাগবে।

    ছোটখাটো অপরাধ আপসের তালিকায় যুক্ত করা যেতে পারে এবং ব্যবস্থাটি স্থানীয় পর্যায়ে নেওয়া দরকার, যাতে মানুষকে মীমাংসার জন্য দূরে যেতে না হয়।

    ফৌজদারি মামলায় আপস পুরোপুরি বাতিল করাও ঠিক নয়, আবার চোখ বুজে সবকিছুতে অনুমতি দেওয়াও ঠিক নয়। ছোট ও ব্যক্তিগত বিরোধে দ্রুত মীমাংসা মানুষের সময়, টাকা ও সম্পর্ক বাঁচায়। কিন্তু প্রাণহানি, যৌন সহিংসতা ও জনস্বার্থ জড়িত অপরাধে রাষ্ট্রকে জবাবদিহির দায় থেকে সরে আসার সুযোগ দেওয়া যাবে না। বারিধারার মামলার মতো ঘটনা মনে করিয়ে দেয়, টাকার অঙ্ক যত বড়ই হোক, আইন কোন অপরাধ আপসযোগ্য করেছে সেটাই শেষ কথা।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    আওয়ামী লীগের নেতাদের সম্পত্তি বিক্রি করে ক্ষতিপূরন দেয়ার জন্য চিঠি প্রসিকিউশানের

    নভেম্বর 2, 2026
    আইন আদালত

    প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাসের ছবিতে মন্তব্য: স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি সেই যুবকের

    নভেম্বর 2, 2026
    আইন আদালত

    ৭৮৬ কোটি টাকার শেয়ার ফেরত নিয়ে নগদ ও দুদকের মুখোমুখি অবস্থান

    নভেম্বর 2, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.