Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, নভে. 3, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • কৃষি
      • রাজনীতি
      • ভিডিও
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ বলে ৫০ লাখ টাকা দাবি ‘সমন্বয়কের’: ১০ লাখ নিয়ে বাকি ৪০ লাখ নিতে গিয়ে ধরা
    আইন আদালত

    ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ বলে ৫০ লাখ টাকা দাবি ‘সমন্বয়কের’: ১০ লাখ নিয়ে বাকি ৪০ লাখ নিতে গিয়ে ধরা

    নিউজ ডেস্কনভেম্বর 3, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    রাজধানীর গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহম্মেদের বাসায় গিয়ে তাঁর স্বামীকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে গ্রেপ্তারের ভয় দেখানো এবং ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনায় ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নিজেদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে এই চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন অভিযুক্তরা। দাবির মধ্যে ১০ লাখ টাকা তাঁরা আদায় করেন। কয়েক দিন পর বাকি ৪০ লাখ টাকা নিতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন পাঁচজন। পরে গ্রেপ্তার হন আরও একজন।

    পিবিআইয়ের তদন্তে বলা হয়েছে, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অভিযুক্তরা নিজেদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচয় দিতেন। ওই পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে তাঁরা নিয়মিত থানায় যাতায়াত করতেন এবং বিভিন্ন মামলার আসামি আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার ও অবস্থান-সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তার মাধ্যমে সখ্য গড়ে তোলেন। পরে তাঁরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে আওয়ামী লীগের দোসর, সহযোগী বা সমর্থক আখ্যা দেন এবং মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়রানির ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি ও গ্রহণ করেছেন বলে জানা যায়।

    রিয়াদের বাড়িতে নির্মাণাধীন পাকা ভবন। নোয়াখালীর সেনবাগে

    অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ মুন্সী উল্লেখ করেছেন, তদন্ত ও সাক্ষ্যপ্রমাণে আবদুর রাজ্জাক ওরফে রিয়াদ এবং জানে আলম অপুর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৮, ৩৮৫ ও ৩৮৬ ধারার অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে সাকাদাউন সিয়াম, সাদমান সাদাব ও ইব্রাহিম হোসেনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৮ ও ৩৮৫ ধারার অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

    মামলাটি ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই গুলশান থানায় করেন সিদ্দিক আবু জাফর (৭৫)। তিনি গুলশান-২-এর ৮৩ নম্বর সড়কের একটি বাসায় থাকেন। মামলার তদন্ত নথি অনুযায়ী, সাবেক এমপি শাম্মী আহম্মেদ তাঁর স্ত্রী। প্রথমে মামলাটি তদন্ত করেন গুলশান থানার উপপরিদর্শক মোখলেছুর রহমান। পরে তদন্তের দায়িত্ব নেয় পিবিআই। সংস্থাটির উপপরিদর্শক ফিরোজ আহমেদ মুন্সী তদন্ত শেষে গত ১৫ অক্টোবর ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। তিনি জানান, আসামিদের একজন শিশু হওয়ায় তাঁর বিচার হবে শিশু আদালতে। ১০ নভেম্বর মামলার পরবর্তী দিন ধার্য আছে, ওই দিন অভিযোগপত্র গ্রহণের শুনানি হবে। মামলার ছয় আসামিই এখন জামিনে আছেন। তবে সর্বশেষ ১ নভেম্বর পর্যন্ত থানার জিআরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অভিযোগপত্রটি এখনো আদালতে জমা হয়নি।

    পিবিআইয়ের তদন্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই রাতে শাম্মী আহম্মেদ গুলশানের বাসায় আছেন, এমন খবর পেয়ে কয়েকজন নিজেদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক পরিচয়ে গুলশান-২ গোলচত্বরে জড়ো হন। পরে আবদুর রাজ্জাক ও জানে আলম অপু রাত আনুমানিক দুইটার দিকে গুলশান থানায় গিয়ে বিষয়টি জানান এবং তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানোর ব্যবস্থা করতে পুলিশকে বলেন। থানা-পুলিশ বিষয়টি গুলশান বিভাগের উপপুলিশ কমিশনারকে জানায়। এরপর পুলিশ ও কথিত সমন্বয়কদের একটি দল বাসায় যায়।

    তদন্তে পাওয়া তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনার বরাত দিয়ে পিবিআই জানায়, ১৭ জুলাই ভোরে গুলশান থানার উপপরিদর্শক আরমান আলীর নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য এবং আবদুর রাজ্জাক, জানে আলম অপু, সাকাদাউন সিয়াম, সাদমান সাদাব, ইব্রাহিম হোসেন, আমিনুল ইসলামসহ আরও ১০ থেকে ১২ জন ওই বাসায় যান। তাঁরা নিজেদের সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কক্ষে সাবেক এমপিকে খোঁজেন। শাম্মী আহম্মেদকে না পেয়ে সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে তল্লাশির একটি তালিকা তৈরি করে সবাই বাসা থেকে বেরিয়ে যান।

    কিন্তু পুলিশ চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই আবদুর রাজ্জাক ও জানে আলম অপু আবার বাসাটিতে যান। পিবিআইয়ের তদন্ত নথিতে বলা হয়েছে, তাঁরা বাদীকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে গ্রেপ্তারের ভয় দেখান এবং গ্রেপ্তার এড়াতে ৫০ লাখ টাকা দাবি করেন। ভয়ভীতির মুখে বাদী টাকা দিতে রাজি হন। তাৎক্ষণিকভাবে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার পর আসামিরা বাকি ৪০ লাখ টাকা প্রস্তুত রাখতে বলে চলে যান। টাকা নেওয়ার ভিডিও ফুটেজও তদন্তকারীরা পেয়েছেন বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এরপর ১৯ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে আবদুর রাজ্জাক ও জানে আলম অপু আবার ওই বাসায় যান। ফ্ল্যাটের দরজায় ধাক্কাধাক্কি করলেও কেউ দরজা না খোলায় তাঁরা চলে যান। পিবিআই জানায়, কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) পর্যালোচনা করে ওই সময় তাঁদের ঘটনাস্থলে থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

    নথি অনুযায়ী, ২৬ জুলাই বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বাকি ৪০ লাখ টাকা আদায়ের জন্য আবার ওই বাসার সামনে যান আসামিরা। তখন বাদী বাসায় ছিলেন না। বাসার নিরাপত্তাকর্মী মো. হান্নান ফোনে তাঁকে বিষয়টি জানান। বাদী সঙ্গে সঙ্গে গুলশান থানায় খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আবদুর রাজ্জাক, সাকাদাউন সিয়াম, সাদমান সাদাব, ইব্রাহিম হোসেন ও কিশোর আমিনুল ইসলামকে আটক করে। জানে আলম অপু পালিয়ে যান। পরে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহায়তায় তাঁকেও গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে আবদুর রাজ্জাক ও জানে আলম অপু আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। তদন্ত নথিতে তাঁদের জবানবন্দিতে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

    আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আবদুর রাজ্জাক ওরফে রিয়াদ চাঁদার টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি নিজেকে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে পরিচয় দেন। বিভিন্ন সময়ে ‘ফ্যাসিবাদী লোকজন’ গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে পুলিশকে সহযোগিতা করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। রিয়াদের জবানবন্দি অনুযায়ী, শাম্মী আহমেদ গুলশানের বাসায় আছেন, এমন খবর পেয়ে তাঁরা থানায় যান। পরে পুলিশের একটি দল তাঁদের সঙ্গে নিয়ে ওই বাসায় অভিযান চালায়, কিন্তু সেখানে শাম্মীকে পাওয়া যায়নি। রিয়াদ আদালতকে বলেন, বাসা থেকে ফেরার সময় জানে আলম অপু একটি ইয়ারপড নিয়ে এসেছিলেন। সেটি ফেরত দেওয়ার জন্য তাঁরা সকাল ১০টার দিকে আবার বাসায় যান। অপু পানি খাওয়ার অজুহাতে ভেতরে ঢোকেন। এরপর বাদীকে বলা হয়, তাঁরা বুঝতে পারছেন তাঁর স্ত্রী বাসায় আছেন এবং তাঁকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়া হবে। বাদী টাকা দিতে রাজি হলে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা চাওয়া হয়। বাদী ১০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিলে তাঁরা তাতে রাজি হন। পরে সেই টাকা নিয়ে তাঁরা বাসায় গিয়ে সমান ভাগ করে নেন।

    বাকি ৪০ লাখ টাকা আদায়ের বিষয়ে রিয়াদ বলেন, ২৬ জুলাই বিকেল ৫টায় তিনি ইব্রাহিম হোসেন, সাকাদাউন সিয়াম ও সাদমান সাদাবকে ওই বাসায় পাঠান। তাঁর ভাষ্য, পুলিশ তাঁকে ফাঁদে ফেলার জন্য বাসায় যেতে বলে। তখন তিনি গোলচত্বরে অবস্থান করছিলেন। পুলিশের কথা বিশ্বাস করে ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর বাদী থানায় খবর দেন এবং পুলিশ এসে তাঁদের হাতেনাতে আটক করে। জবানবন্দির শেষ দিকে রিয়াদ বলেন, তিনি গরিবের ছেলে, টাকার লোভ সামলাতে পারেননি এবং ক্ষমা চান।

    আসামি জানে আলম অপুও আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন বলে তদন্ত নথিতে উল্লেখ রয়েছে। তবে বাকি ৪০ লাখ টাকা চাওয়ার সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না বলে দাবি করেন। পিবিআই অবশ্য জানায়, ঘটনাস্থলে অপু ছিলেন, তবে পালিয়ে যান। অপুর জবানবন্দি অনুযায়ী, তিনি আগে একটি কমিটির সমন্বয়ক ছিলেন। ১৭ জুলাই রাতে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে গুলশানে সাবেক এক নারী এমপি থাকার খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান। পরে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাসায় অভিযান চালানো হয়, কিন্তু সাবেক এমপিকে পাওয়া যায়নি।

    অপু বলেন, এরপর রিয়াদ তাঁকে আবার ওই বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বাদীর কাছে টাকা চাওয়া হলে তিনি প্রথমে ৫ লাখ টাকা দিতে রাজি হন, কিন্তু রিয়াদ এক কোটি টাকা দাবি করেন। দীর্ঘ আলোচনার পর ৫০ লাখ টাকায় বিষয়টি ঠিক হয় এবং তখন ১০ লাখ টাকা তাঁদের দেওয়া হয়। অপুর ভাষ্য অনুযায়ী, টাকা নিয়ে তাঁরা রিয়াদের বাড্ডার বাসায় যান এবং পাঁচ লাখ টাকা করে ভাগ করে নেন। নিজের ভাগের টাকা থেকে ৩ লাখ ৭ হাজার টাকা দিয়ে তিনি একটি ইয়ামাহা এফজেড-এক্স মোটরসাইকেল কেনেন। কিছু টাকা ধারদেনা পরিশোধে ব্যয় করেন। আরও ৫০ হাজার টাকা বিকাশে পাঠাতে গিয়ে ভুল নম্বরে চলে যায় বলে তাঁর দাবি। পরে তাঁর কাছ থেকে ১৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। অপু দাবি করেন, বাকি ৪০ লাখ টাকা আদায়ের জন্য রিয়াদ ফোন করলে তিনি যেতে অস্বীকৃতি জানান এবং এরপর রিয়াদের সঙ্গে যোগাযোগও বন্ধ করে দেন। তাঁর বক্তব্য, পরবর্তী সময়ে রিয়াদ অন্যদের নিয়ে ওই বাসায় টাকা চাইতে গেলেও তিনি সেখানে ছিলেন না এবং নারী এমপিকে কোনো চাপ দেননি।

    তদন্ত নথিতে বলা হয়েছে, আবদুর রাজ্জাকের দেখানো পূর্ব বাড্ডার বৈঠাকালী এলাকার একটি বাসা থেকে ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ও দুটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়। জব্দ করা ফোনের মধ্যে ছিল রেডমি নোট ১০ প্রো ও দুটি আইফোন ১৩। অন্যদিকে জানে আলম অপুর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদপুরের নবীনগর এলাকার একটি বাসার গ্যারেজ থেকে ইয়ামাহা এফজেড-এক্স মোটরসাইকেল, একটি আইফোন ১১ ও নগদ ১৭ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

    মামলার প্রধান আসামি আবদুর রাজ্জাক রিয়াদের আইনজীবী আকরাম হোসাইন বলেন, তাঁরা এখনো অভিযোগপত্র দেখেননি এবং রিয়াদের পক্ষে আদালতে আবেদন করবেন। অভিযোগপত্রের বিষয়ে জামিনে থাকা রিয়াদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর ফোন নম্বরটি এখন ব্যবহার করছেন তাঁর বড় ভাই রেজাউল করিম, যিনি জানান, এই মামলার বিষয়ে রিয়াদ এখনই কথা বলতে চান না।

    মহানগর দায়রা জজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত কৌঁসুলি মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী পরিচয়দাতা আবদুর রাজ্জাক রিয়াদ এই চাঁদাবাজির হোতা। সেই সময় আদালত তাঁকে একাধিকবার রিমান্ডে পাঠিয়েছিলেন। অভিযোগপত্রে সব আসামিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং অভিযোগপত্র অনুযায়ী বিচারের মুখোমুখি করে তাঁদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানান। মামলার বাদী সিদ্দিক আবু জাফরের আইনজীবী জহুরুল আলম বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগপত্র দেওয়ায় তিনি সন্তুষ্ট এবং তাঁর মক্কেল ন্যায়বিচার চান।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    মাদ্রাসায় হামলা-ভাঙচুরের মামলায় শাহজালাল রুমীকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ হাইকোর্টের

    নভেম্বর 3, 2026
    আইন আদালত

    ‘দীপ কৌশলে প্রশ্ন এড়াচ্ছেন, নীরব থাকছেন’- হত্যা মামলায় আরও ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

    নভেম্বর 3, 2026
    আইন আদালত

    সমুদ্রে তেল থেকে ক্ষতি, তিন আন্তর্জাতিক চুক্তিতে যোগ দিয়েও বাংলাদেশের সামনে রয়ে গেছে বড় প্রশ্ন

    নভেম্বর 3, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.