Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, জুন 21, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার ৩৫ হাজারের বেশি মামলা পাঁচ বছরেও নিষ্পত্তি হয়নি
    আইন আদালত

    নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার ৩৫ হাজারের বেশি মামলা পাঁচ বছরেও নিষ্পত্তি হয়নি

    হাসিব উজ জামানজুন 15, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    রাজধানী ঢাকার খিলক্ষেত এলাকায় ৯ বছর আগে এক ৯ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়। মামলায় একমাত্র অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে এবং এই পর্যন্ত ৯৬টি শুনানি হয়েছে। তারপরও বিচার কার্যক্রম এখনো শেষ হয়নি। চলমান অবস্থায় রয়েছে।

    অথচ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি ধারায় বলা হয়েছে, মামলার কার্যক্রম শুরু হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে এই ধরনের মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে।

    এই দীর্ঘসূত্রতার মূল কারণ, মামলার ১০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬ জনই আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেননগত ১৫ এপ্রিল এক শুনানিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮ এর বিচারক বলেন, “সাক্ষীদের সময়মতো হাজির করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই মামলা নিষ্পত্তিতে অকারণ বিলম্ব হচ্ছে”।

    ট্রাইব্যুনাল ৪ জন সাক্ষীর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ২১ মে তাদের আদালতে হাজির করতে খিলক্ষেত, গাইবান্ধা, নীলফামারী ও মাদারীপুর থানাকে নির্দেশ দেন। তবে সেদিন তারা আদালতে হাজির হননি বলে জানিয়েছেন আদালতের একজন কর্মচারী।

    এই বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বলেন, তারা সাক্ষীদের হাজির করতে আদালতের কোনো আদেশ পাননি।

    এটা কেবলই একটি উদাহরণ। দেশজুড়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা ৩৫ হাজার ২৬২টি মামলা পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে নিষ্পত্তি না হয়ে ঝুলে আছে। ফলে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার অপেক্ষা হচ্ছে দীর্ঘ।

    সুপ্রিম কোর্টের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩১৪টিতে। এর মধ্যে গত এক বছরেই দায়ের হয়েছে ৩৩ হাজার ৪৮৫টি মামলা।

    আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৮০ দিনের সময়সীমার মধ্যে এসব মামলার বিচার শেষ না হওয়ার পেছনে রয়েছে নানা কারণ—সাক্ষীরা আদালতে হাজির হন না, রাষ্ট্রপক্ষের আন্তরিকতার অভাব এবং অনেক অভিযুক্ত উচ্চ আদালতের আদেশ নিয়ে বিচার স্থগিত করে রাখেন।

    প্রায় ৪ বছর আগে ২০১৬ সালের হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, এই আইনে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়। তবে সুপ্রিম কোর্ট সূত্র বলছে, বর্তমানে এই সেলটি আর কার্যকর নেই।

    নির্দেশনায় হাইকোর্ট জানিয়েছিল, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বা হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রারের নেতৃত্বে গঠিত সেলটি এই মামলাগুলোর বিচার ১৮০ দিনের মধ্যে শেষ হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সময়ে সময়ে রিপোর্ট দেবে, যেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

    এই বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মুয়াজ্জেম হোসেন বলেন, তিনি এই সেলের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে অবগত নন।

    তিনি জানান, কয়েক মাস আগে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নেতৃত্বে ১৩টি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেগুলো সব ধরনের মামলার বিচার কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য কাজ করছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলাও এর অন্তর্ভুক্ত।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে ১০১টি ট্রাইব্যুনাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলাগুলো নিয়ে কাজ করছে এবং এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সরকার আরও ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করার পরিকল্পনা করছে।

    আইন বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন: ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ খুরশীদ আলম খান বলেন, যেহেতু এই আইনে মামলার বিচার ১৮০ দিনের মধ্যে শেষ করার বিষয়টি বাধ্যতামূলক নয়, তাই বিচারকাজ সম্পন্ন করতে রাষ্ট্রপক্ষের আন্তরিকতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

    তিনি বলেন, “আপিল বিভাগ ও হাইকোর্টের নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের জন্য সুপ্রিম কোর্টের অধীনে একটি আলাদা সচিবালয় গঠন করা উচিত, যারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে”।

    সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শুক্লা সারওয়াত সিরাজ বলেন, “দেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকারদের কার্যকরভাবে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে”। তিনি বলেন, “আমাদের আইন ভালো, কিন্তু সেগুলোর যথাযথ প্রয়োগ নেই। অনেক ভুক্তভোগী লোকলজ্জার ভয় এবং অপরাধীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের কারণে অভিযোগ দায়ের করেন না”।

    বেশিরভাগে ক্ষেত্রেই অভিযুক্তদের সঙ্গে মীমাংসা করতে চাপের মুখে পড়েন ভুক্তভোগীরা। এছাড়া পুলিশ ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা অনেক সময় আসামিদের পক্ষেই কাজ করেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, “ডিএনএভিত্তিক প্রমাণ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আমরা অনেক দেশের তুলনায় পিছিয়ে। আমাদের আরও ট্রাইব্যুনাল, নিবেদিতপ্রাণ প্রসিকিউটর এবং ‘বিচার মুলতবি না করা’ নীতির কঠোর প্রয়োগ প্রয়োজন। এরচেয়েও জরুরি হচ্ছে—সামাজিক সচেতনতা”।

    আইন বিশেষজ্ঞ ইশরাত হাসান বলেন, “এই আইনটি মূলতঃ দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ নারী ও শিশুদের নির্যাতন ও নিপীড়ন থেকে রক্ষা করার জন্যই প্রণীত হয়েছিল”।

    তিনি বলেন, “অথচ, ১৮০ দিনের সময়সীমা থাকলেও হাজার হাজার মামলা আটকে আছে। পুলিশের তদন্ত প্রায়শই অসম্পূর্ণ থাকে বা তাদের প্রতিবেদন দিতে দেরি হয়। দুর্বল অবকাঠামোর কারণে গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রমাণ—যেমন: ডিএনএ রিপোর্ট পেতে মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর লেগে যায়। অতিরিক্ত চাপের মুখে থাকা বিশেষ ট্রাইব্যুনালগুলো বারবার শুনানি মুলতবি করে এবং সাক্ষীরা ভয় বা হুমকির কারণে আদালতে হাজির হন না”।

    তিনি আরও বলেন, “ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারকে দীর্ঘ সময় মামলার শুনানিসহ অন্যান্য কার্যক্রমে অংশ নিতে গিয়ে সামাজিক কথার মুখে এবং অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে হয়। অনেকেই হতাশ হয়ে মামলা বাদ দিয়ে দেন। এই কারণেই অনেক জেলায় দণ্ডাদেশের হার আশঙ্কাজনকভাবে কম, তিন শতাংশের নিচে”।

    আইন বিশেষজ্ঞ ইশরাত হাসান আরো বলেন “এই কাঠামোগত ব্যর্থতার অবিলম্বে সংস্কার জরুরি। সরকারকে আরও ট্রাইব্যুনাল গঠন, পুলিশকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ এবং ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে”।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    শুধু সনদধারী নয়—ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কেমন আইনজীবী প্রয়োজন?

    জুন 21, 2026
    আইন আদালত

    বিচারকের আসন ছাড়লেও থামেনি আদালতপাড়ার পথচলা

    জুন 20, 2026
    আইন আদালত

    বাজেটে বিচার বিভাগ কতটা গুরুত্ব পেল?

    জুন 16, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.