Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, সেপ্টে. 2, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দণ্ডবিধি ৩৮৫ ধারা: চাঁদাবাজি ও হুমকি রোধে আইন ও শাস্তি
    আইন আদালত

    দণ্ডবিধি ৩৮৫ ধারা: চাঁদাবাজি ও হুমকি রোধে আইন ও শাস্তি

    মনিরুজ্জামানঅক্টোবর 4, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ৩৮৫ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে জখম করার বা জখম করার ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় বা কোনো সম্পত্তি অর্পণে বাধ্য করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই অপরাধের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

    ধারা ৩৮৫: জখমের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি ও সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ:

    ধারা ৩৮৫ মূলত এমন অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত যেখানে কেউ অন্যের উপর জখমের ভয় সৃষ্টি করে, তাকে চাঁদাবাজি বা সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য বাধ্য করে। সহজভাবে বলা যায়, এটি ‘বলপ্রয়োগ বা ভয় দেখিয়ে সম্পদ আদায়’ সম্পর্কিত একটি বিধান।

    যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যকে জখম করার বা কোনো ক্ষতি করার হুমকি দেখায় এবং সেই ভয়ের কারণে অন্য ব্যক্তি তাকে অর্থ, সম্পত্তি বা কোনো মূল্যবান জিনিস দিতে বাধ্য হয়, তাহলে এটি ৩৮৫ ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। এখানে মূল বিষয় হলো—অপরাধী ব্যক্তি বল বা ভয়ের মাধ্যমে অন্যকে নিজের ইচ্ছামতো কিছু দিতে প্ররোচিত করে।

    ধারাটি সাধারণত চাঁদাবাজি, মোটা অংকের ঋণ আদায়, ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত বিরোধে হুমকি প্রদর্শন এবং জবরদস্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এটি সমাজে আর্থিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

    শাস্তি: ৩৮৫ ধারার অধীনে দণ্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারে। এছাড়াও আদালত তার ওপর জরিমানা আরোপ করতে পারে। প্রয়োজনে উভয় দণ্ড—কারাদণ্ড ও জরিমানা—একসাথে দেওয়াও সম্ভব। এই শাস্তি অপরাধীকে প্রতিরোধমূলক শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি সমাজে চাঁদাবাজি ও জখমের ভয় দেখানোর মতো আচরণ দমন করার উদ্দেশ্য রাখে।

    ধারা ৩৮৫ মূলত ভয় বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে অন্যের সম্পত্তি আদায়কে অপরাধ হিসেবে শনাক্ত করে। এটি ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, চাঁদাবাজি রোধ করতে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অপরাধীদের শাস্তি কারাদণ্ড এবং জরিমানা উভয়ের মাধ্যমে সামাজিক ও আইনগত সতর্কতা প্রদান করে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বিদেশি নাগরিকত্ব যাচাইয়ে আইনি নোটিশ

    সেপ্টেম্বর 1, 2026
    আইন আদালত

    প্যাডেল রিকশা বন্ধ, প্রাইভেটকারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ চেয়ে আইনি নোটিশ

    সেপ্টেম্বর 1, 2026
    বিশেষ বিশ্লেষণ

    পুলিশ গ্রেপ্তার করলে প্রথম ২৪ ঘণ্টায় করণীয় কি?

    সেপ্টেম্বর 1, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.