Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুন 16, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বাংলাদেশে আয়কর আইন
    আইন আদালত

    বাংলাদেশে আয়কর আইন

    মনিরুজ্জামানঅক্টোবর 21, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশে আয়কর আইন মূলত আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এই আইন ব্যক্তিগত, ব্যবসায়িক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের আয়কে করের আওতায় আনে। সরকারের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আয়কর থেকেই পাবলিক সেবার জন্য রাজস্ব আসে। নিচে আয়কর আইন সম্পর্কে মূল বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো:

    ১. কর প্রশাসন:

    • জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর): এটি দেশের প্রধান কর কর্তৃপক্ষ। আয়কর নির্ধারণ, সংগ্রহ এবং আইন বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকে।
    • আয়কর অফিস: দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত। করদাতাদের রিটার্ন ফাইল করতে সহায়তা করে, তথ্য প্রদান করে এবং অডিট ও নিরীক্ষা পরিচালনা করে।

    ২. করযোগ্য আয়:

    • সংজ্ঞা: বেতন, ব্যবসা বা পেশাগত আয়, সম্পত্তি আয়, মূলধন লাভ, লভ্যাংশ এবং অন্যান্য আয় করযোগ্য।

    • মুক্ত আয়: কিছু আয় করমুক্ত, যেমন কৃষি আয় নির্দিষ্ট শর্তে, সরকারি কর্মচারীদের কিছু ভাতা, এবং দাতব্য প্রতিষ্ঠানের আয়।

    ৩. করের হার:

    • ব্যক্তিগত কর হার: আয়ের ওপর প্রগ্রেসিভ হার প্রযোজ্য। বেশি আয় হলে বেশি কর দিতে হয়। বাজেটে এটি প্রতি বছর আপডেট হয়।

    • কোম্পানি কর: বিভিন্ন ব্যবসায় ভিন্ন কর হার প্রযোজ্য। বিশেষ শিল্প বা অঞ্চল যেমন এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনে (EPZ) আলাদা হার বা ছাড় থাকতে পারে।

    • ন্যূনতম কর: কিছু করদাতাকে, বিশেষ করে কোম্পানিকে, লাভ বা ক্ষতির পরেও টার্নওভারের ভিত্তিতে ন্যূনতম কর দিতে হয়।

    ৪. কর ফাইল ও পরিশোধ:

    • কর বছর: প্রতি বছর ১ জুলাই থেকে শুরু হয়ে পরবর্তী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত।

    • কর রিটার্ন: ব্যক্তি ও ব্যবসা ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বছরের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সময় বাড়ানো যেতে পারে।

    • অগ্রিম কর: বছরব্যাপী অনুমানিত আয়ের ওপর প্রাথমিকভাবে কর দিতে হয়, যা ত্রৈমাসিক কিস্তিতে জমা হয়।

    • স্ব-আবেদন: নির্ভুল রিটার্ন হলে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ ও কম নজরদারি সুবিধা পাওয়া যায়।

    ৫. ছাড় ও ভাতা:

    • ব্যক্তিগত ছাড়: সঞ্চয়, দাতব্য দান, জীবন বীমা প্রিমিয়ামের জন্য ছাড় পাওয়া যায়।

    • ব্যবসায়ী খরচ: ব্যবসা পরিচালনার খরচ যেমন বেতন, ভাড়া, ইউটিলিটি, সম্পদ হ্রাসমূল্য ও ঋণের সুদ কমানো যায়।

    ৬. কর ছাড় ও প্রণোদনা:

    • বিনিয়োগ ক্রেডিট: পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, গবেষণা ও উন্নয়ন, রপ্তানিমুখী শিল্পে বিনিয়োগে সুবিধা পাওয়া যায়।

    • বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ইপিজেড সুবিধা: কর হ্রাস, কর ছুটি বা কিছু শুল্ক ও শুল্কমুক্তি সুবিধা পাওয়া যায়।

    ৭. উৎসে কর কর্তন:

    • আয়ের উৎস: বেতন, লভ্যাংশ, সুদ ও চুক্তির পেমেন্টের ওপর কর কর্তন প্রযোজ্য। প্রদানকারী কর কেটে NBR-এ জমা দেবে।

    • চূড়ান্ত হিসাব: কিছু ক্ষেত্রে উৎসে কর্তিত কর চূড়ান্ত হিসাবে ধরা হয়, অর্থাৎ আর কর দিতে হয় না।

    ৮. কর নিরীক্ষা ও মূল্যায়ন:

    • নিরীক্ষা প্রক্রিয়া: এনবিআর নিশ্চিত করে করদাতা আইন মেনে চলছে কি না। অডিটে অতিরিক্ত কর, জরিমানা বা সুদ ধার্য হতে পারে।

    • বিবাদ সমাধান: করদাতা কর ট্রাইব্যুনাল বা উচ্চ আদালতের মাধ্যমে আপিল করতে পারেন।

    ৯. জরিমানা ও অপরাধ:

    • দেরিতে ফাইল করা: রিটার্ন দেরিতে জমা দিলে জরিমানা এবং সুদ দিতে হয়।

    • অমান্যতা: কর ফাঁকি, আয় লুকানো বা মিথ্যা তথ্য প্রদানে শাস্তি ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    • ক্ষমা প্রোগ্রাম: মাঝে মাঝে সরকার পূর্বে অঘোষিত আয় ঘোষণা করলে কম জরিমানা দেওয়ার সুযোগ দেয়।

    ১০. আন্তর্জাতিক কর:

    • দ্বৈত কর এড়ানো: বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তি থাকে, যাতে একই আয়ের ওপর দুইবার কর না লাগে।

    • বিদেশী আয়: দেশীয়রা বৈশ্বিক আয় অনুযায়ী কর দায়িত্বে, তবে বিদেশী কর ক্রেডিট সুবিধা থাকতে পারে।

    ১১. ডিজিটাল কর:

    • ই-কমার্স ও ডিজিটাল সেবা: অনলাইন বিক্রয়, ডিজিটাল সেবা ও প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মের ওপর কর কার্যক্রম বাড়ছে।

    ১২. কর সংস্কার ও বাজেট পরিবর্তন:

    • বার্ষিক বাজেট: প্রতি বছর বাজেটে কর হার, ছাড় ও নীতি পরিবর্তন করা হয়। নতুন অর্থবছরের শুরু থেকে এটি কার্যকর হয়।

    বাংলাদেশের আয়কর আইন সমগ্র আয়ের উৎসকে কাভার করে। এটি ন্যায্য কর প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য প্রণোদনা দেয়।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আইন আদালত

    গুম তদন্তে কমিশন নয়—ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ

    জুন 15, 2026
    মতামত

    বুলিং ও র‍্যাগিং রোধে আইন প্রণয়ন প্রয়োগ না সচেতনতা?

    জুন 13, 2026
    আইন আদালত

    আইন অঙ্গনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অ্যাটর্নি জেনারেলের অগ্রযাত্রা

    জুন 13, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.