চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার ২৪ দশমিক ৯৬ শতক সরকারি জমি আত্মসাৎ ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ রোববার (৪ অক্টোবর) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ বিষয়টি জানান।
অনুমোদিত মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা একে অপরের সহযোগিতায় অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। নিজেরা লাভবান হওয়া এবং অন্যকে লাভবান করার অসৎ উদ্দেশ্যে তাঁরা জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া রেকর্ডপত্র তৈরি করেন। পরে সেসব নথি খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে সরকারি জমি দখলে রাখেন।
এ ছাড়া সরকারি ওই জমির ভাড়া পরিশোধ না করে ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৩৯ হাজার ২৬৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে।
অভিযুক্তদের মধ্যে আছেন আগ্রাবাদ কনভেনশন হলের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ ফাহিম আহমেদ এবং মোহাম্মদ শাহ-আলম ফারুক। শাহ-আলম ফারুক চট্টগ্রাম গণপূর্ত উপবিভাগ-২, রহমতগঞ্জের সাবেক উপবিভাগীয় প্রকৌশলী। বর্তমানে তিনি বাগেরহাট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত।
অনুমোদিত মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

