পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ডেটা অ্যান্ড পার্সোনালাইজেশন সেন্টারের পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার পাসপোর্ট অধিদপ্তর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁকে বরখাস্ত করার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল নূরুল আনোয়ার এ খবর নিশ্চিত করেছেন।
তৌফিকুল ইসলাম খান পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মধ্যে একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের মধ্যে তিনি একজন, যিনি বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছে। দুদক কর্তৃক দায়ের করা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে গৃহীত হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, তৌফিকুলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ায় তাঁকে ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে সাময়িকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি এ প্রজ্ঞাপনে সই করেন।
তৌফিকুল ইসলাম খান ২০০৪ সালে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। তাঁর প্রথম পোস্টিং ছিল যশোর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। পরে তিনি বিভিন্ন জেলা অফিসে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নোয়াখালী, গোপালগঞ্জ, সিলেট, কুমিল্লা, খুলনা এবং ঢাকার যাত্রাবাড়ী অফিসে কাজ করেছেন।
বর্তমানে তিনি প্রধান কার্যালয়ের পার্সোনালাইজেশন সেন্টারের পরিচালক ছিলেন। তিনি সহকারী পরিচালক হিসেবে সাত বছর, উপপরিচালক হিসেবে আট বছর এবং পরবর্তীতে পরিচালক পদে পদোন্নতি পান। তাঁর চাকরির সময় তিনি যথাক্রমে ৫৫ হাজার, ৬৫ হাজার এবং বর্তমানে ৭৫ হাজার টাকা বেতন পেয়েছেন। তবে এই সময়ের মধ্যে তিনি ঢাকায় আটটি ফ্ল্যাট, সাতটি প্লট এবং অনেক সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।

