Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, এপ্রিল 8, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » এনইআইআর চালুর পর ধরা পড়ছে এনআইডি দিয়ে অজানা মোবাইল রেজিস্ট্রেশন
    অপরাধ

    এনইআইআর চালুর পর ধরা পড়ছে এনআইডি দিয়ে অজানা মোবাইল রেজিস্ট্রেশন

    সিভি ডেস্কজানুয়ারি 2, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার বা এনইআইআর কার্যক্রম বৃহস্পতিবার ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে নতুন করে যুক্ত হওয়া অবৈধ হ্যান্ডসেট শনাক্ত করে ধাপে ধাপে বন্ধ করার প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। এনইআইআর চালুর ফলে এখন ঘরে বসেই জানা যাচ্ছে, একটি জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে কতটি মোবাইল ফোন রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে।

    তবে এই সুবিধার পাশাপাশি সামনে এসেছে উদ্বেগজনক চিত্র। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, ব্যক্তির অজান্তেই তার এনআইডি ব্যবহার করে একাধিক মোবাইল ফোন রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভবিষ্যতে আইনি ঝুঁকি ও বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে।

    এমনই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন মাসুম বিল্লাহ ভূঁইয়া। পেশায় তিনি একজন ফ্রিল্যান্সার। তার এনআইডি ব্যবহার করে এখন পর্যন্ত ৫৩টি মোবাইল ফোন রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে বলে তিনি জানতে পারেন। বিষয়টি তার জন্য ছিল সম্পূর্ণ অজানা। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ডিসেম্বর ২০২৫ মাসেই তার এনআইডি দিয়ে ৪২টি মোবাইল সেট রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। অথচ তিনি নিজে দেশে থেকে সর্বশেষ হ্যান্ডসেট কিনেছেন অন্তত চার বছর আগে। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, তার নিজের ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটটি তার এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিতই নয়।

    একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন আঙ্গুরা বেগম। তিনি একটি বেসরকারি এনজিওতে কর্মরত। তিনি বলেন, তার এনআইডি দিয়ে ২১টি মোবাইল ফোন রেজিস্ট্রেশন করা রয়েছে। তিনি সর্বশেষ ফোন কিনেছিলেন ২০২১ সালে। এনইআইআর সিস্টেমে যাচাই করে হঠাৎ করেই তিনি নিজের নামে এতগুলো ফোন নিবন্ধিত থাকার বিষয়টি জানতে পারেন।

    ডিজিটাল নিরাপত্তা ও টেলিকম খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অনিয়ম অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাদের মতে, এনআইডি তথ্য ফাঁস, অসাধু রিটেইলার এবং আমদানিকারকদের মাধ্যমে অন্যের পরিচয় ব্যবহার করে হ্যান্ডসেট রেজিস্ট্রেশন করা হচ্ছে। এসব হ্যান্ডসেট যদি অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত হয়, তাহলে প্রাথমিকভাবে এনআইডি মালিককেই জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হতে পারে।

    বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের উপ-পরিচালক মো. জাকির হোসেন খাঁন বলেন, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এ জন্য একটি বড় ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। সেই ডাটাবেজের ভেতরে ধীরে ধীরে কাজ করে অবৈধ হ্যান্ডসেটগুলো শনাক্ত করা হবে এবং সেগুলো আলাদা করার চেষ্টা চলবে। তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত জটিল কাজ এবং একদিনে শেষ করা সম্ভব নয়। তবে ভবিষ্যতে যেন নতুন করে কোনো অবৈধ সেট নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে না পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য।

    তিনি আরও জানান, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব হ্যান্ডসেট ডাটাবেজে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে সেখানে বৈধ সেটের পাশাপাশি কিছু অবৈধ সেটও রয়েছে। আগে থেকেই নেটওয়ার্কে থাকা কিছু সেট সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে সিস্টেমে নিবন্ধিত হওয়ায় সেগুলো ২০২৫ সালের এন্ট্রি হিসেবে দেখা যাচ্ছে। তবে এতে কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

    বিটিআরসির এই কর্মকর্তা বলেন, গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষার জন্যই এই প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। একটি আইএমইআই নম্বর যদি একাধিক সেটে ব্যবহৃত হয়, তাহলে প্রকৃত অপরাধী শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই ধাপে ধাপে ডাটা সাজিয়ে এমন একটি অবস্থায় নেওয়া হচ্ছে, যাতে মূল অপরাধীকে চিহ্নিত করা যায় এবং সাধারণ ব্যবহারকারীরা নিরাপদ থাকেন। সিম নিবন্ধনের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    এনআইডিতে একাধিক সেট নিবন্ধিত দেখা গেলে করণীয় সম্পর্কে তিনি বলেন, যদি কোনো ব্যবহারকারীর নিজের ব্যবহৃত সেটটির আইএমইআই নম্বর সঠিকভাবে মিলে যায়, তাহলে তালিকায় থাকা অন্য সেটগুলো ডিঅ্যাক্টিভেট করলে সাধারণত কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। প্রয়োজনে হেল্পলাইনে যোগাযোগ করলে সহায়তা পাওয়া যাবে।

    তিনি আরও বলেন, কোনো সিম যদি বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন ফোনে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রেও সেটগুলো তালিকায় যুক্ত হতে পারে। তাই যাচাইয়ের সময় এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    অর্থনীতি যখন আটকা পড়ছে জ্বালানি সংকটের জালে

    এপ্রিল 8, 2026
    আইন আদালত

    চেকের মামলার নালিশী আরজিতে ভুল—জেনে নিন সংশোধনের নিয়ম

    এপ্রিল 8, 2026
    অপরাধ

    অপরাধের জগতের নতুন ভয়—পেন গান

    এপ্রিল 8, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.