ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, এসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য অল্পসুদে ঋণ সুবিধা চালু করা এবং ঋণ প্রাপ্তি নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেওয়ার। একই সঙ্গে তারা ঋণ প্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজীকরণ, কর অব্যাহতি ও প্রণোদনা প্রদানে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটির সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
আজ (মঙ্গলবার) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এই আহ্বান জানান তিনি। তাসকীন আহমেদ বলেন, “করোনা মহামারি ও বর্তমান সংকটের কারণে দেশের সিএমএসএমই খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এই খাত মোট জিডিপিতে ৩০ শতাংশ অবদান রাখার পাশাপাশি শিল্পখাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮০ শতাংশ সুযোগ তৈরি করে আসছে।”
ডিসিসিআই সভাপতি সরকারের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে হবে। এলডি সি উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বেসরকারিখাতের অংশগ্রহণ এবং সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারকে আরও উদ্যোগী হতে হবে।
বিদ্যমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারকে বেসরকারিখাতের সঙ্গে নিবিড় আলোচনার মাধ্যমে কার্যকর ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দেন তিনি। তাসকীন আহমেদ আরও বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে জনগণের জীবন-জীবিকা, কর্মসংস্থান এবং শিল্প-কারখানার উৎপাদনসহ দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখাকে অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।”
পরে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, “জনগণের নির্বাচিত সরকার দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বেসরকারিখাতের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং দেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
সাক্ষাতে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান এবং মহাসচিব (ভারপ্রাপ্ত) ড. একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।

