Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, আগস্ট 3, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » প্লাস্টিক বর্জ্য থেকেই আসতে পারে বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি সুযোগ
    অর্থনীতি

    প্লাস্টিক বর্জ্য থেকেই আসতে পারে বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি সুযোগ

    নিউজ ডেস্কআগস্ট 3, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিশ্ববাজারে টিকে থাকতে এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার সঙ্গে তাল মেলাতে বাংলাদেশকে দ্রুত বৃত্তাকার অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যেতে হবে। বিশেষ করে প্লাস্টিক বর্জ্যকে শিল্পের কাঁচামালে রূপান্তর করতে পারলে একদিকে পরিবেশ দূষণ কমবে, অন্যদিকে তৈরি পোশাকসহ রপ্তানি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    রোববার অনুষ্ঠিত টেকসই উন্নয়ন ও সবুজ প্রবৃদ্ধিবিষয়ক এক নীতিসংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। ব্যবসায়িক সংগঠন বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় দেশের প্লাস্টিক বর্জ্যকে পুনর্ব্যবহার করে শিল্প খাতে ব্যবহারের কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম। এতে সরকারি কর্মকর্তা, শিল্প উদ্যোক্তা এবং উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

    ড. ফাহমিদা খানম বলেন, আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে বৃত্তাকার অর্থনীতি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিবেশবান্ধব উৎপাদন নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, বৈশ্বিক বাজারে পরিবেশগত মানদণ্ড দিন দিন কঠোর হচ্ছে। তাই দেশের শিল্প খাতকে টেকসই করার জন্য সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা প্রয়োজন। সবুজ ব্যবসা সম্প্রসারণ বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    সভায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. রেজাউল করিম জানান, উৎপাদকদের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার নীতি শিগগিরই বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পুনর্ব্যবহৃত পলিথিন টেরেফথালেট তৈরির জন্য বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনকে প্রয়োজনীয় মানদণ্ড তৈরির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

    জৈবভাবে পচনশীল প্লাস্টিক নিয়ে আলোচনায় কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে এসব পণ্যের জন্য বাধ্যতামূলক মান নির্ধারণের সুযোগ নেই। তবে ড. ফাহমিদা খানম বলেন, বাংলাদেশে পচনশীল প্লাস্টিকের পরিবর্তে কম্পোস্টযোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহারে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কারণ কিছু ধরনের পচনশীল প্লাস্টিক থেকেও ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বিকল্প উপাদান নিয়ে গবেষণা করছে বলেও তিনি জানান।

    সভায় বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বেগম বাংলাদেশের প্লাস্টিক থেকে বস্ত্র তৈরির পুনর্ব্যবহার খাত নিয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

    গবেষণায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রতি বছর ৮ লাখ ২১ হাজার মেট্রিক টনের বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হয়। এর মধ্যে মাত্র ৩৬ শতাংশ পুনর্ব্যবহার করা হয়। বাকি বড় অংশের ব্যবস্থাপনা এখনো অনানুষ্ঠানিক ও অপরিকল্পিত পর্যায়ে রয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার খাতকে আধুনিক ও আনুষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে আনা গেলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অতিরিক্ত ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে বিদেশ থেকে কৃত্রিম তন্তু আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।

    এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সবুজ চুক্তি এবং উৎপাদকদের বর্ধিত দায়িত্ব সংক্রান্ত নীতিমালা মেনে চলতেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

    গবেষণায় একটি জাতীয় বৃত্তাকার অর্থনীতি নীতি প্রণয়ন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে একটি পৃথক কাউন্সিল গঠন, বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পুনর্ব্যবহৃত পণ্যের মান নির্ধারণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির পরিচালক এস এইচ এম মুস্তাফিজ বলেন, পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্যের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি সংগঠিত সংগ্রহ ব্যবস্থা প্রয়োজন। এজন্য নির্দিষ্ট সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন এবং স্বচ্ছ মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা চালু করা জরুরি।

    তিনি বলেন, বর্জ্য সংগ্রহকারীদের জন্য বাধ্যতামূলক বাণিজ্যিক নিবন্ধন চালু করলে এই খাতকে আনুষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে আনা সম্ভব হবে। পাশাপাশি পুনর্ব্যবহার শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে বিদেশি বিনিয়োগ এবং সমন্বিত অর্থায়ন ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামীম বানু সান্তাই ক্ষতিকর বর্জ্য নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দেন। অন্যদিকে পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার পরিচালক শাহ মুজাহিদ উদ্দিন শিল্প খাতে নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

    উর্মি গ্রুপের টেকসই উন্নয়ন বিভাগের প্রধান জানান, লাফার্জহোলসিমের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে জিও সাইকেল বাংলাদেশ শিল্প বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করছে। তবে বর্জ্য সংগ্রহের ব্যয় এখনো অনেক বেশি হওয়ায় এ খাতের সম্প্রসারণে চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

    তিনি বলেন, উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা পাওয়া গেলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবেশবান্ধব শিল্প মডেল তৈরি করা সম্ভব হবে।

    জাতিসংঘ শিল্প উন্নয়ন সংস্থার জাতীয় প্রকল্প সমন্বয়ক আসাদ উন-নূর বলেন, সবুজ রূপান্তর তহবিল মূলত বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করে। তবে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

    বাংলাদেশ নিট পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির যুগ্ম সচিব ফারজানা শিরমিন বলেন, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা আলাদাভাবে টেকসই ব্যবসা নিয়ে কাজ করছে। তবে কার্যকর ফল পেতে মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে আরও সমন্বয় দরকার।

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাভিদ শফিউল্লাহ বলেন, প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানে টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য নির্দিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাখা যেতে পারে। এতে বিভিন্ন উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় আরও শক্তিশালী হবে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের জন্য বর্জ্য এখন আর শুধু পরিবেশগত সমস্যা নয়, এটি অর্থনৈতিক সম্ভাবনারও একটি বড় উৎস। প্লাস্টিক বর্জ্যকে সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে শিল্পের কাঁচামালে রূপান্তর করা গেলে পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্যের জট, কমেছে ৪০ শতাংশ সক্ষমতা

    আগস্ট 3, 2026
    অর্থনীতি

    গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে কারখানা বন্ধ করছে ডিবিএল গ্রুপ

    আগস্ট 3, 2026
    অর্থনীতি

    ব্যাংকের বাইরে রেকর্ড নগদ টাকা, ডিজিটাল যুগেও কেন বাড়ছে নগদনির্ভরতা?

    আগস্ট 3, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.