Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, আগস্ট 3, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দেশের অর্থনীতি এখনও ক্ষুদ্র ও কুটির খাতের ওপর নির্ভরশীল
    অর্থনীতি

    দেশের অর্থনীতি এখনও ক্ষুদ্র ও কুটির খাতের ওপর নির্ভরশীল

    মনিরুজ্জামানUpdated:এপ্রিল 8, 2026এপ্রিল 8, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    গত এক দশকে দেশে অর্থনৈতিক ইউনিট বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে অর্থনীতির মূল ভিত্তি এখনো ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের ওপরই নির্ভরশীল। একদিকে দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ কমেছে, অন্যদিকে বিদেশি ও যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চিত্র।

    গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) অডিটরিয়ামে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। সভাপতিত্ব করেন বিবিএসের মহাপরিচালক মো. ফরহাদ সিদ্দিক। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব আলেয়া আক্তার, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতারসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

    অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ অনুযায়ী, ২০১৩ সালে দেশে বিদেশি ও যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১,৬৪৪, যা ২০২৪ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৮৩৩। প্রতিষ্ঠান সংখ্যা বৃদ্ধি সত্ত্বেও কর্মসংস্থান কমেছে। ২০১৩ সালে এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন ৭ লাখ ১৯ হাজার ৩৮৪ জন, যা ২০২৪ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৪২ হাজার ৭০১ জনে। অর্থাৎ এক দশকে এই খাতে কর্মসংস্থান কমেছে প্রায় ১,৭৬,৬৮৩ জন, যা প্রায় ২৪.৫ শতাংশ হ্রাস।

    প্রবাসী বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধারা লক্ষ্য করা গেছে। ২০১৩ সালে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে বিনিয়োগ করেছিলেন ১,৯৪২টি প্রতিষ্ঠানে, যা ২০২৪ সালে কমে ২২২টিতে নেমেছে। কর্মসংস্থানের সংখ্যা ১১,৩৯৫ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৪,১৪৮ জনে।

    অন্যদিকে দেশের মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ২০১৩ সালে ছিল ৭৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৬৫টি, যা ২০২৪ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৭ লাখ ২,৭৯২টি। এক দশকে ইউনিট বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। তবে ব্যবসার প্রধান সমস্যা হিসেবে ৮৬ শতাংশ উদ্যোক্তা মূলধনের অভাবকে চিহ্নিত করেছেন।

    কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে এসব ইউনিটে কাজ করছেন ৩ কোটি ৬ লাখ ৩২ হাজার ৬৬১ জন, যা ২০১৩ সালের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি। পুরুষের অংশগ্রহণ ৮৩.২৮ শতাংশ, নারী ১৬.৭১ শতাংশ এবং তৃতীয় লিঙ্গ ০.০১ শতাংশ।

    প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশের অর্থনীতির ভিত্তি গড়ে তুলেছে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প। মোট ইউনিটের মধ্যে ক্ষুদ্র শিল্পের সংখ্যা ৬৬ লাখ ৩১ হাজার ৪৮২ (৫৬.৬৭%), কুটির শিল্প ৪৫ লাখ ৩৩ হাজার ৫৮৯ (৩৮.৭৪%)। অন্যদিকে, মাঝারি শিল্প মাত্র ৩৬,১১২ (০.৩১%) এবং বৃহৎ শিল্প ৯,২৮৬ (০.০৮%)। অর্থাৎ সংখ্যার দিক থেকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাই দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।

    খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের ৯০.০২ শতাংশ ইউনিটই সেবা খাতের অন্তর্ভুক্ত। শিল্প খাতের ইউনিটের হার মাত্র ৯.৯৮ শতাংশ। ব্যবসার ধরন অনুযায়ী পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা ও মোটরযান মেরামত খাত এককভাবে ৪১.৮২ শতাংশ দখল করে আছে।

    মালিকানার কাঠামো অনুযায়ী, দেশের ৮৭.৩৬ শতাংশ স্থায়ী প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিগত বা পারিবারিক মালিকানাধীন। প্রাইভেট লিমিটেড কম্পানি ১.৮২ শতাংশ, অংশীদারিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ১.৪৪ শতাংশ। বিদেশি ও যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা খুব কম এবং এসব খাতে কর্মসংস্থানও কমেছে।

    ভৌগোলিক দিক থেকে দেখা গেছে, মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের ২৭.৮ শতাংশ ঢাকা বিভাগে, ১৭.৫১ শতাংশ চট্টগ্রামে এবং ১৪.৩৬ শতাংশ রাজশাহীতে অবস্থিত। সবচেয়ে কম ইউনিট রয়েছে সিলেট বিভাগে, ৪.৬৭ শতাংশ। খুলনা ১২.৭৩%, রংপুর ১১.৪১%, ময়মনসিংহ ৬.৬৩% এবং বরিশাল ৫.৬১% ইউনিট দখল করে আছে।

    গ্রাম-শহর ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পল্লী এলাকায় ইউনিটের সংখ্যা ৭৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮২৮, শহরে ৪৩ লাখ ১৬ হাজার ৯৬৪। অর্থাৎ ইউনিটের দিক থেকে গ্রাম এগিয়ে থাকলেও কর্মসংস্থানে শহরের ভূমিকা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মোট ইউনিটের ৫৩.৫৭ শতাংশ স্থায়ী, ৪.৯১ শতাংশ অস্থায়ী এবং ৪১.৫২ শতাংশ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডসম্পন্ন।

    পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, অতীতে পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে একটি কৃত্রিম বাস্তবতা তৈরি হয়েছিল, যা দেশের প্রকৃত চিত্র আড়াল করেছিল। এখন নির্ভরযোগ্য তথ্যভিত্তিক বাস্তবতা তুলে ধরা জরুরি। তথ্য অস্বস্তিকর হলেও তা গ্রহণ করতে হবে এবং নীতিনির্ধারণে ব্যবহার করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বাড়লেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এখনও কঠিন অবস্থার মধ্যে রয়েছে। সরকার এই খাতকে সুরক্ষা ও সহায়তা দিতে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    প্লাস্টিক বর্জ্য থেকেই আসতে পারে বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি সুযোগ

    আগস্ট 3, 2026
    অর্থনীতি

    চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্যের জট, কমেছে ৪০ শতাংশ সক্ষমতা

    আগস্ট 3, 2026
    অর্থনীতি

    গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে কারখানা বন্ধ করছে ডিবিএল গ্রুপ

    আগস্ট 3, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.