Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, আগস্ট 2, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » জ্বালানি-খাদ্য নিরাপত্তায় ৩.২৫ বিলিয়ন ডলার সহায়তা চায় সরকার
    অর্থনীতি

    জ্বালানি-খাদ্য নিরাপত্তায় ৩.২৫ বিলিয়ন ডলার সহায়তা চায় সরকার

    মনিরুজ্জামানএপ্রিল 11, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ছবি: এ আই
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ঘিরে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব মোকাবিলায় দেশের জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় অঙ্কের বাজেট সহায়তা পাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কাছ থেকে মোট ৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার সহায়তা চাওয়া হচ্ছে।

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই ঋণচুক্তি চূড়ান্ত এবং দ্রুত অর্থছাড় নিশ্চিত করতে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে ১ বিলিয়ন ডলার করে সহায়তা চাওয়া হবে। এছাড়া এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) থেকে ৭৫০ মিলিয়ন ডলার এবং জাপানের কাছ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার চেষ্টা চলছে। অর্থ বিভাগ থেকে পাওয়া প্রাথমিক চাহিদার ভিত্তিতে ইতোমধ্যে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে বাজেট সহায়তা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ইআরডি। পাশাপাশি আনুষ্ঠানিক বৈঠকের মাধ্যমে সহায়তা নিশ্চিত করতে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

    ইআরডির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কোভিড-পরবর্তী সময় এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যেসব উন্নয়ন অংশীদার বাংলাদেশকে সহায়তা দিয়েছে, তাদের সঙ্গেই এখন নতুন করে আলোচনা চলছে। তার ভাষায়, চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তীব্র হচ্ছে, যা সরাসরি খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত। জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল না হলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, উচ্চ আমদানি ব্যয়, রপ্তানি আয়ে ধীরগতি এবং রেমিট্যান্স প্রবাহে সম্ভাব্য চাপ এই তিনটি বড় ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে দেশের অর্থনীতি। এ পরিস্থিতিতে বাজেট সহায়তা অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, শুধু সহায়তা নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়, সময়মতো অর্থছাড় নিশ্চিত করাও সমান জরুরি। কারণ বিলম্ব হলে জ্বালানি সরবরাহ, বাজেট ঘাটতি ব্যবস্থাপনা এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

    বিশ্বব্যাংক থেকে ১ বিলিয়ন ডলার:

    বিশ্বব্যাংক থেকে মোট ১ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা পাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রাথমিক পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কর্মকর্তারা।

    তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে বিশ্বব্যাংকের কাছে ৫০০ মিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা চেয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ অর্থের বিপরীতে সংস্থাটির কাছ থেকে প্রাথমিক ইতিবাচক আশ্বাসও মিলেছে। পাশাপাশি আরও ৫০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তার জন্য বিশ্বব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ে নতুন প্রস্তাব উপস্থাপনের প্রস্তুতি চলছে।

    এদিকে, ১৩ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২৬ সালের বসন্তকালীন বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে মোট ১ বিলিয়ন ডলারের বাজেট সহায়তা ঋণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। ইআরডি কর্মকর্তারা জানান, আলোচনার অগ্রগতি বিবেচনায় আগামী জুনের মধ্যেই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

    এডিবি থেকে ১ বিলিয়ন ডলার:

    এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক থেকে ১ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা পাওয়ার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কর্মকর্তারা। তাদের মতে, আগামী মে-জুনের মধ্যেই এই অর্থ ছাড় হতে পারে।

    ইআরডি সূত্র জানায়, এ সহায়তা দুটি পৃথক কর্মসূচির আওতায় আসবে। ‘অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন শক্তিশালীকরণ কর্মসূচি (সাব-প্রোগ্রাম–২)’ এর অধীনে শুরুতে ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সেই বরাদ্দ আরও ২৫০ মিলিয়ন ডলার বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে এ খাতে মোট সহায়তা বেড়ে ৭৫০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

    এছাড়া ‘দ্বিতীয় সামাজিক সহনশীলতা শক্তিশালীকরণ কর্মসূচি (সাব-প্রোগ্রাম–২)’ এর আওতায় আরও ২৫০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের মোট বাজেট সহায়তা ১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

    এআইআইবি থেকে ৭৫০ মিলিয়ন ডলার:

    এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের কাছ থেকে ৭৫০ মিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা পাওয়ার লক্ষ্যে এগোচ্ছে সরকার। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কর্মকর্তারা জানান, এ বিষয়ে সংস্থাটির সঙ্গে ইতোমধ্যে প্রাথমিক আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।

    তারা বলেন, আগামী সপ্তাহেই ‘পানি সহনশীলতা ও জলবায়ু-স্মার্ট নগর সেবা উন্নয়ন কর্মসূচি (সাব-প্রোগ্রাম–১)’ এর আওতায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঋণ চেয়ে চিঠি পাঠানো হবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে নগর সেবা ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়তা জোরদার করার লক্ষ্য রয়েছে।

    অন্যদিকে, জাপান সরকারের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে বাজেট সহায়তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছে ইআরডি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, সংস্থাটির কাছে ৫০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা চাওয়া হয়েছে এবং চলতি অর্থবছরের মধ্যেই এই ঋণ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইআরডি কর্মকর্তারা আশা করছেন, উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এসব অর্থায়ন চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে।

    উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে সম্ভাব্য বাজেট সহায়তার পরিমাণ নির্ধারণের ওপর ভিত্তি করে আরও নতুন উৎস খুঁজছে সরকার। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কর্মকর্তারা জানান, কোরিয়া, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ এবং মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংস্থাসহ অন্যান্য দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদারদের কাছ থেকেও সহায়তা চাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে এসব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সংস্থাটি।

    অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে বাংলাদেশের চলমান ঋণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরবর্তী ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের কিস্তি আগামী জুনে ছাড় হতে পারে বলে জানিয়েছে অর্থ বিভাগ।

    কর্মকর্তারা বলেন, উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে বাজেট সহায়তা পেতে হলে নির্দিষ্ট কিছু সংস্কারমূলক শর্ত পূরণ করতে হয়। এ কারণে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে একটি নীতিগত কাঠামো তৈরির কাজ চলছে, যা সহায়তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর পর্যন্ত উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে বাংলাদেশ মোট ১৪ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা পেয়েছে। এর বড় অংশই এসেছে কোভিড-পরবর্তী সময় এবং ইউক্রেন যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায়।

    পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার সহায়তা নেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ২ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১ দশমিক ৭৬৭ বিলিয়ন ডলার, ২০২১-২২ অর্থবছরে ২ দশমিক ৫৯৭ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে ১ দশমিক ০৯ বিলিয়ন ডলার সহায়তা পাওয়া যায়।

    এ বিষয়ে বিশ্লেষণ দিয়েছেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বল্প সুদের দীর্ঘমেয়াদি ঋণের চাহিদা বেড়েছে। তবে শুধু এ ধরনের সহায়তার ওপর নির্ভর করে অর্থনৈতিক চাপ পুরোপুরি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। তার মতে, সবচেয়ে জরুরি হলো একটি স্পষ্ট সামষ্টিক অর্থনৈতিক মূল্যায়ন করা। বিশেষ করে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যে কোথায় কী ধরনের চাপ তৈরি হচ্ছে, তা নির্ধারণ করতে হবে।

    তিনি জানান, তিনটি প্রধান খাতে চাপ বাড়ছে—জ্বালানি ও সারের আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, বৈশ্বিক বাজারের দুর্বলতা ও উচ্চ পরিবহন ব্যয়ের কারণে রপ্তানি আয়ে ধীরগতি এবং রেমিট্যান্স প্রবাহে সম্ভাব্য ঝুঁকি।

    এছাড়া আর্থিক খাতেও প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। তার মতে, বাণিজ্য অর্থায়নে ঝুঁকি প্রিমিয়াম বাড়ার কারণে খরচ বৃদ্ধি পেতে পারে। একইসঙ্গে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি, ভর্তুকি বৃদ্ধি এবং সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানোর প্রয়োজন তৈরি হবে।

    তিনি আরো বলেন, এসব ব্যয় যদি স্বল্প সুদের দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের মাধ্যমে মেটানো না যায়, তাহলে ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বাড়বে। এতে মূল্যস্ফীতি, প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    এই প্রেক্ষাপটে উন্নয়ন সহযোগীদের আস্থা অর্জনের জন্য একটি সমন্বিত সংকট মোকাবিলা পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তার মতে, এতে ব্যয়সহ সুস্পষ্ট রোডম্যাপ থাকতে হবে এবং অগ্রাধিকার দিতে হবে সামাজিক সুরক্ষা, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা, সার মজুত এবং জ্বালানি ব্যবস্থাপনাকে।

    একই সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং সামাজিক ও অবকাঠামো খাতে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, পূর্বে গৃহীত সংস্কার—বিশেষ করে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি—থেকে সরে আসা উচিত হবে না। এতে নীতিগত ধারাবাহিকতা ব্যাহত হবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতিবাচক বার্তা যেতে পারে।

    নির্দিষ্ট সময়ে ঋণ পাওয়া জরুরি: ফাহমিদা খাতুন:

    বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য বাজেট সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। এ বিষয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, জ্বালানির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলার বিঘ্ন দেশের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রে বিকল্প উৎস থেকে বেশি দামে জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে, যা সামগ্রিক আমদানি ব্যয়কে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সীমিত পর্যায়ে রয়েছে এবং বিদ্যমান জ্বালানি মজুতও স্বল্প সময়ের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম।

    তিনি আরও বলেন, সরকারের আর্থিক সক্ষমতাও সংকুচিত হয়ে এসেছে। অভ্যন্তরীণভাবে বড় অঙ্কের অতিরিক্ত ব্যয় বহনের সুযোগ কমে গেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রপ্তানি প্রবৃদ্ধির নেতিবাচক ধারা। যদিও রেমিট্যান্স এখনো প্রধান ভরসা, তবে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা দীর্ঘায়িত হলে এই প্রবাহও কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

    এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের অর্থ জোগান আসবে কোথা থেকে। ফাহমিদা খাতুন মনে করেন, এ ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগীদের বাজেট সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তার মতে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের মতো সংস্থাগুলোর সহায়তা সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ কমাতে এবং বাজেট ঘাটতি সামাল দিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে প্রতিদিনই বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা প্রয়োজন হয়। তাই এই সহায়তা দ্রুত ছাড় নিশ্চিত করা জরুরি। ফাহমিদা খাতুনের মতে, দ্রুত ও পর্যাপ্ত বাজেট সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে তা অর্থনীতির ওপর চাপ কমাবে, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করবে এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে ৫ শতাংশ কর ছাড়

    আগস্ট 2, 2026
    অর্থনীতি

    বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চীনের প্রভাব বাড়ছে

    আগস্ট 2, 2026
    বাণিজ্য

    আমদানি-রপ্তানির ভারসাম্যহীনতায় বাড়ছে কনটেইনার সংকট

    আগস্ট 2, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.