Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 20, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিশ্বের শীর্ষ ১০ গ্যাস উৎপাদক দেশ ও তাদের উৎপাদন চিত্র
    অর্থনীতি

    বিশ্বের শীর্ষ ১০ গ্যাস উৎপাদক দেশ ও তাদের উৎপাদন চিত্র

    মনিরুজ্জামানএপ্রিল 20, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিশ্বের জ্বালানি বাজারে প্রাকৃতিক গ্যাস এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পদ। তেলের মতো এই খনিজ জ্বালানির উৎপাদনেও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। ২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী, বৈশ্বিক প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-চতুর্থাংশই এসেছে দেশটি থেকে। ফলে দ্বিতীয় ও পরবর্তী অবস্থানে থাকা দেশগুলোর তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (ইআইএ)-এর সর্বশেষ উপাত্তের ভিত্তিতে তৈরি বৈশ্বিক তালিকায় দেখা যায়, গ্যাস উৎপাদন মূলত কয়েকটি বড় দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তালিকাটি প্রকাশ করেছে ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট।

    বিশ্লেষণে আরও উঠে এসেছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে তেলের পাশাপাশি প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহেও কিছুটা সংকোচন দেখা দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেক দেশ নিরাপদ ও স্থিতিশীল সরবরাহের উৎস হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে দেশটির গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র মোট ৩৭ হাজার ৭৫১ বিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন করেছে। এই উৎপাদন রাশিয়ার তুলনায় প্রায় ১.৬ গুণ বেশি। পাশাপাশি ইরান ও চীনের সম্মিলিত উৎপাদনের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে উৎপাদনের দিক থেকে অন্য কোনো দেশ এখনো এর কাছাকাছি পৌঁছাতে পারেনি।

    এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার উৎপাদন ব্যবধানই শীর্ষ ১০ দেশের অনেকগুলোর মোট উৎপাদনের চেয়েও বেশি। এই পরিসংখ্যান বৈশ্বিক গ্যাস বাজারে দুই দেশের প্রভাবশালী অবস্থানকেই আরও স্পষ্ট করে। ২০২৪ সালের উৎপাদনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদক দেশের এই তালিকা বৈশ্বিক জ্বালানি নির্ভরতার চিত্রও পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছে, যেখানে কয়েকটি বড় দেশই মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।

    আলজেরিয়া, উৎপাদন: ৩,৪৯৬ বিলিয়ন ঘনফুট:

    উত্তর আফ্রিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদক দেশ হিসেবে আলজেরিয়া দীর্ঘদিন ধরেই বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ভূমিকা রেখে আসছে। বিশেষ করে ইউরোপের জ্বালানি চাহিদা পূরণে দেশটির অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আলজেরিয়া পাইপলাইন এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)—উভয় মাধ্যমেই গ্যাস রপ্তানি করে থাকে। এর ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় তারা তুলনামূলকভাবে নমনীয় এবং বহুমুখী ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

    রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও দেশটি তার রপ্তানি সক্ষমতা ধরে রেখেছে। ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তায় আলজেরিয়ার এই অবদান দিন দিন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, বিশেষ করে বিকল্প সরবরাহ উৎস খোঁজার বৈশ্বিক প্রবণতার প্রেক্ষাপটে।

    সৌদি আরব, উৎপাদন: ৪,৩৪৪ বিলিয়ন ঘনফুট:

    ঐতিহ্যগতভাবে তেলনির্ভর অর্থনীতির জন্য পরিচিত সৌদি আরব সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রাকৃতিক গ্যাস খাতে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান শক্তিশালী করার দিকে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। দেশটির বর্তমান গ্যাস উৎপাদনের বড় একটি অংশ আসে ‘অ্যাসোসিয়েটেড গ্যাস’ থেকে, যা মূলত তেল উত্তোলনের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে উৎপন্ন হয়।

    তবে এই নির্ভরতা কমিয়ে ‘নন-অ্যাসোসিয়েটেড’ গ্যাস ক্ষেত্র থেকে উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে রিয়াদ। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত প্রকল্প হলো জাফুরা গ্যাস ক্ষেত্র, যেটিকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শেল গ্যাস উন্নয়ন উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই প্রকল্পকে কেন্দ্র করেই গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে দেশটি। উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাস সৌদি আরবে মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদন, পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প এবং সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধকরণ প্লান্টে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে অভ্যন্তরীণ জ্বালানি চাহিদায় তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে গ্যাসকে বিকল্প শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে।

    এই উদ্যোগ সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’ পরিকল্পনার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত। অর্থনীতিকে তেলনির্ভরতা থেকে বের করে বহুমুখী করার লক্ষ্যেই গ্যাস খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে সীমিত পরিসরে হলেও গ্যাস রপ্তানির সম্ভাবনাও বিবেচনায় রাখছে দেশটি, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তাদের ভূমিকা আরও বিস্তৃত করতে পারে।

    নরওয়ে (উৎপাদন: ৪,৬২৬ বিলিয়ন ঘনফুট):

    ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তায় নরওয়ে একটি কৌশলগত ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দেশটির প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশ আসে উত্তর সাগর ও নরওয়েজিয়ান সাগরের অফশোর ক্ষেত্র থেকে।

    উন্নত প্রযুক্তি এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে গ্যাস উৎপাদন দীর্ঘদিন ধরে স্থিতিশীল রয়েছে। রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান ইকুইনর এ খাতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। রাশিয়ার সরবরাহ হ্রাসের পর জার্মানি, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ নরওয়ের ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। পাইপলাইনভিত্তিক সরবরাহব্যবস্থা দেশটিকে নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন প্রযুক্তি এবং কার্বন নির্গমন কমানোর উদ্যোগে নরওয়ে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে, যা ভবিষ্যৎ জ্বালানি রূপান্তরে দেশটির গুরুত্ব আরও বাড়াচ্ছে।

    অস্ট্রেলিয়া (উৎপাদন: ৫,৩৬৮ বিলিয়ন ঘনফুট):

    অস্ট্রেলিয়া এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম প্রধান এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র। জাপান, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি উৎস। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিনিয়োগ ও প্রকল্প সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশটি গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে। অভ্যন্তরীণ জ্বালানিনীতি এ খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

    কাতার (উৎপাদন: ৬,০০৩ বিলিয়ন ঘনফুট):

    বিশ্বের শীর্ষ প্রভাবশালী গ্যাস রপ্তানিকারকদের মধ্যে কাতার অন্যতম, বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বাজারে দেশটির অবস্থান শক্তিশালী। দেশটির মূল শক্তি পারস্য উপসাগরের বিশাল নর্থ ফিল্ড, যা বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্রগুলোর একটি। এটি ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত।

    দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন এবং ইউরোপের বাজারে কাতার স্থিতিশীল অবস্থান তৈরি করেছে। বর্তমানে ‘নর্থ ফিল্ড এক্সপ্যানশন’ প্রকল্পের মাধ্যমে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চলছে। কম উৎপাদন খরচ, উন্নত অবকাঠামো এবং নির্ভরযোগ্য সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে বৈশ্বিক গ্যাস বাজারে কাতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম হিসেবে বিবেচিত।

    কানাডা (উৎপাদন: ৭,০২৮ বিলিয়ন ঘনফুট):

    উত্তর আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস উৎপাদক কানাডা, যার উৎপাদনের বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা হয়। দেশটির শক্তিশালী অবকাঠামো এবং প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্যের কারণে উৎপাদন স্থিতিশীল রয়েছে। পাশাপাশি এলএনজি রপ্তানি সক্ষমতা বাড়িয়ে এশিয়ার বাজারে প্রবেশের প্রচেষ্টা চলছে।

    চীন (উৎপাদন: ৯,১১১ বিলিয়ন ঘনফুট):

    চীনের গ্যাস উৎপাদন দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও শিল্প ও জ্বালানির চাহিদা আরও বেশি হওয়ায় দেশটি একই সঙ্গে বড় উৎপাদক এবং বড় আমদানিকারক। অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি পাইপলাইন ও এলএনজি আমদানির মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে চীন।

    ইরান (উৎপাদন: ৯,৮৫৩ বিলিয়ন ঘনফুট):

    বিশাল গ্যাস মজুত থাকা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং বিনিয়োগ ঘাটতির কারণে ইরান তার পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারছে না। দেশটির উৎপাদিত গ্যাসের বড় অংশ অভ্যন্তরীণ চাহিদায় ব্যবহৃত হয়। ফলে বৈশ্বিক রপ্তানি বাজারে তাদের উপস্থিতি সীমিত, যদিও সম্ভাবনা ব্যাপক।

    রাশিয়া (উৎপাদন: ২২,৬৭২ বিলিয়ন ঘনফুট):

    রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রাকৃতিক গ্যাস মজুতকারী দেশ। দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপের প্রধান সরবরাহকারী হিসেবে অবস্থান করলেও সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নিষেধাজ্ঞার কারণে রপ্তানি কমে গেছে। এখন দেশটি ধীরে ধীরে এশিয়ার বাজার, বিশেষ করে চীনের দিকে ঝুঁকছে। তবে বাজার ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় আগের তুলনায় তাদের প্রভাব কিছুটা কমেছে।

    যুক্তরাষ্ট্র (উৎপাদন: ৩৭,৭৫১ বিলিয়ন ঘনফুট):

    বিশ্বের শীর্ষ প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদক যুক্তরাষ্ট্রের সাফল্যের মূল ভিত্তি শেল গ্যাস বিপ্লব। উন্নত প্রযুক্তি, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং বিস্তৃত পাইপলাইন অবকাঠামো দেশটির উৎপাদনকে শক্তিশালী করেছে। যুক্তরাষ্ট্র শুধু অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করে না, বরং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানির মাধ্যমে ইউরোপ ও এশিয়ার বাজারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গ্যাস আমদানি বাড়ায়। সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনাও যুক্তরাষ্ট্রকে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    মতামত

    কেন ইসরায়েল হিজবুল্লাহকে পরাজিত করতে পারে না?

    এপ্রিল 20, 2026
    অর্থনীতি

    ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন কর্মসূচি মূল্যায়নে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

    এপ্রিল 20, 2026
    বিশ্লেষণ

    সাউথপোর্ট হত্যাকাণ্ডে সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশের ব্যর্থতা তদন্তে ম্যান্ডেলসন কীভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন?

    এপ্রিল 20, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.