Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, মে 14, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ঋণনির্ভর উচ্চাভিলাষী বাজেট
    অর্থনীতি

    ঋণনির্ভর উচ্চাভিলাষী বাজেট

    নিউজ ডেস্কমে 14, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    অর্থনীতি এখন গভীর চাপের মধ্যে। রাজস্ব আদায় প্রত্যাশা অনুযায়ী হচ্ছে না। এ কারণে সরকারকে ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নিতে হচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে বৈদেশিক ঋণের চাপও।

    এই পরিস্থিতিতে আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার একটি উচ্চাভিলাষী বাজেট প্রণয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা।

    বাকি অর্থের বড় অংশ পূরণ করা হবে দেশি ও বিদেশি ঋণের মাধ্যমে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি রাজস্ব ঘাটতির ঝুঁকি বিবেচনায় বাজেট সহায়তা হিসেবে আরও প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে।

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সূত্র বলছে, আগামী অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এর আগে কখনো এত বড় অঙ্কের বৈদেশিক ঋণের পরিকল্পনা হয়নি। গত অর্থবছরের মূল বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির তুলনায় এবার ঋণের লক্ষ্য বেড়েছে ২৪ হাজার কোটি টাকা। আর সংশোধিত কর্মসূচির তুলনায় বেড়েছে প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫২ শতাংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    চলতি অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ছিল ৮৬ হাজার কোটি টাকা। তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে বাস্তবে ছাড় হয়েছে মাত্র ৪৭ হাজার কোটি টাকা। এদিকে নতুন ঋণ পরিকল্পনার সময়েই পুরনো ঋণ পরিশোধের চাপও দ্রুত বাড়ছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ থেকে ২০২৯–৩০ অর্থবছরের মধ্যে বাংলাদেশকে মোট প্রায় ২৫৯৯ কোটি ডলার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে হবে। এর মধ্যে ১৮৩৮ কোটি ডলার মূলধন এবং প্রায় ৭৬০ কোটি ডলার সুদ। শুধু ২০২৯–৩০ অর্থবছরেই প্রায় ৫৫০ কোটি ডলার পরিশোধ করতে হবে, যা ওই সময়ের সর্বোচ্চ ঋণ পরিশোধের চাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পে দেওয়া গ্রেস পিরিয়ড শেষ হয়ে আসায় এখন থেকে প্রকৃত ঋণ পরিশোধের চাপ শুরু হচ্ছে। বিশেষ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ একাধিক মেগা প্রকল্পের ঋণের কিস্তি আগামী বছরগুলোতে নিয়মিতভাবে পরিশোধ করতে হবে। তবে এসব প্রকল্পের অনেকগুলোর কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি এবং যে অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার কথা ছিল, তারও পূর্ণ বাস্তবায়ন এখনো দেখা যায়নি। ফলে পুরো ঋণ পরিস্থিতি অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে।

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্র জানায়, সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে বাংলাদেশকে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৪০৯ কোটি ডলার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে। এটি আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭৪ কোটি ডলার বেশি। এর আগে ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ছিল ৩৩৫ কোটি ডলার এবং ২০২২–২৩ অর্থবছরে ছিল ২৬৭ কোটি ডলার। বৈশ্বিক সুদের হার বেড়ে যাওয়ায় ঋণ পরিশোধের ব্যয়ও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, চলতি অর্থবছরে এই ব্যয় সাড়ে চার বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    অন্যদিকে রাজস্ব খাতের দুর্বল প্রবৃদ্ধি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আট মাসের হিসাবে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৯৭ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা, কিন্তু আদায় হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৮৬২ কোটি টাকা।

    এই ঘাটতির কারণে সরকার আবারও বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ ব্যয়ও চাপ তৈরি করছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, ভর্তুকি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে ধারাবাহিকভাবে ঋণ নিতে হচ্ছে সরকারকে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসেই ব্যাংক খাত থেকে সরকার প্রায় ১ লাখ ৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে। শুধু জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসেই নেওয়া হয়েছে প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকা।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, সরকারের অতিরিক্ত ব্যাংকঋণ বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ সংকুচিত করছে। এর ফলে বিনিয়োগ কমে যেতে পারে, কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ২৩ লাখ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যেই উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে নতুন করে প্রায় ৩০০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে নেওয়া ৪.৭৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণের পরবর্তী কিস্তি নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ওয়াশিংটনে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সংস্থাটি নতুন কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো নিশ্চয়তা দেয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সংস্কার কার্যক্রম ও শর্ত বাস্তবায়নে ধীরগতির কারণেই এই অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

    এমন পরিস্থিতিতে সরকার সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করেছে। সরকার আগেও জানিয়েছিল আপাতত দাম বাড়ানো হবে না। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চ দামে জ্বালানি কিনে দেশীয় বাজারে কম দামে বিক্রি করায় বড় অঙ্কের ভর্তুকি দিতে হচ্ছিল। একই সঙ্গে আইএমএফও ভর্তুকি কমানোর চাপ দিয়ে আসছিল। ফলে আর্থিক চাপ সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত জ্বালানির দাম সমন্বয় করতে হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, এই সিদ্ধান্তের প্রভাব মূল্যস্ফীতি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

    চলতি অর্থবছরে শুধু সুদ পরিশোধের জন্য বরাদ্দ ছিল প্রায় ১ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা। আগামী বাজেটে এই ব্যয় বেড়ে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে ভর্তুকির চাপও বাড়ছে।

    এর সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং নতুন বেতন কাঠামোর চাপ যুক্ত হওয়ায় বাজেটের আকার আরও বড় হচ্ছে। ফলে বাজেট ঘাটতি দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মাননীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশ যেন ঋণের ফাঁদে না পড়ে, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সরকারের সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া উচিত সম্পদ আহরণ ও রাজস্ব বাড়ানোর দিকে।”

    অন্যদিকে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, শুধু ঋণের ওপর নির্ভর করে বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। তার মতে, আমদানি ব্যয়, রপ্তানি আয়, রেমিট্যান্স প্রবাহ, ভর্তুকি ও রাজস্ব পরিস্থিতি মিলিয়ে সামষ্টিক অর্থনীতিতে কোথায় কী চাপ তৈরি হচ্ছে, তার একটি পরিষ্কার ও বাস্তবসম্মত মূল্যায়ন জরুরি। তিনি আরও বলেন, একই সঙ্গে প্রয়োজন সমন্বিত সংস্কার কার্যক্রম এবং উন্নয়ন সহযোগীদের কার্যকর ও সময়োপযোগী সহায়তা।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, উচ্চ সুদের বৈদেশিক ঋণ, ক্রমবর্ধমান ব্যাংকঋণ, রাজস্ব ঘাটতি এবং সুদ পরিশোধের বাড়তি চাপ—সব মিলিয়ে বড় আকারের বাজেট বাস্তবায়ন সরকারের জন্য ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

    তাদের মতে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, নতুন বেতন কাঠামো এবং বাড়তি ভর্তুকির চাপ অর্থনীতির ওপর আরও ঝুঁকি তৈরি করছে। এ অবস্থায় এখনই কাঠামোগত সংস্কারে অগ্রগতি না হলে, এই উচ্চাভিলাষী বাজেট ভবিষ্যতে বড় ধরনের আর্থিক সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি সম্ভব: বাণিজ্যমন্ত্রী

    মে 14, 2026
    অর্থনীতি

    দুশ্চিন্তার কেন্দ্রবিন্দু এখন চীনা ঋণ—দাশেরকান্দি প্রকল্পের ঋণ শোধ করবে কে?

    মে 14, 2026
    অর্থনীতি

    ইইউ-ভারত চুক্তিতে চাপে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প

    মে 14, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.