Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, জুলাই 25, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ডিসেম্বরে চূড়ান্ত হতে পারে আইএমএফের নতুন ঋণ সমঝোতা
    অর্থনীতি

    ডিসেম্বরে চূড়ান্ত হতে পারে আইএমএফের নতুন ঋণ সমঝোতা

    নিউজ ডেস্কজুন 23, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা শক্তিশালী করা, বৈদেশিক খাতের ওপর চাপ সামাল দেওয়া এবং বাজেট সহায়তা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই উদ্যোগের আওতায় বাংলাদেশ ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি ডলার পর্যন্ত ঋণ সহায়তা পেতে পারে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু এগোলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে।

    তবে চলমান ঋণ কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্তকে সহজভাবে দেখছেন না অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, পূর্ববর্তী কর্মসূচির বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার শর্ত পুরোপুরি বাস্তবায়িত না হওয়ায় নতুন আলোচনায় সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। যদিও দ্রুত কিছু দৃশ্যমান সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনায় সরকারের অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে।

    নতুন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নিতে আগামী ১২ থেকে ১৭ জুলাই ঢাকা সফর করবে আইএমএফের একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন আইএমএফের বাংলাদেশ মিশন প্রধান ইভো ক্রজনার। সফরকালে সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার, সংস্কার পরিকল্পনা, সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য নতুন ঋণ কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২২ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শুরু হওয়া বিদ্যমান আইএমএফ কর্মসূচি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান সরকার। সরকারের মতে, ওই কর্মসূচির কিছু শর্ত বর্তমান অর্থনৈতিক নীতি ও নির্বাচনী অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে বিদ্যমান ব্যবস্থার পরিবর্তে তিন বছর মেয়াদি নতুন একটি ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

    অর্থ বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জুলাইয়ে আইএমএফ মিশনের সফরের সময় সার্বিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। এরপর অক্টোবরে আরও একটি পর্যালোচনা মিশন আসতে পারে। পরে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক সভায় আলোচনা শেষে আইএমএফের নির্বাহী বোর্ড অনুমোদন দিলে ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন কর্মসূচি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, সাধারণত নতুন ঋণ কর্মসূচি অনুমোদনের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ছয় থেকে নয় মাস সময় লাগে। তবে বাংলাদেশ দ্রুত এই প্রক্রিয়া শেষ করার চেষ্টা করছে।

    এদিকে নতুন কর্মসূচির প্রস্তুতি হিসেবে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি কোন কোন সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, তারও তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, আগের কর্মসূচির অনেক সংস্কার পদক্ষেপ বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বাস্তবায়ন করা কঠিন। তবে আইএমএফ এসব বিষয় পুরোপুরি বাদ দিতে রাজি নাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের সময়সীমা বাড়ানো কিংবা ধাপে ধাপে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করার প্রস্তাব আলোচনায় আসতে পারে।

    নতুন কর্মসূচিতেও রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সংস্কার, ব্যাংকিং খাতের পরিবর্তন এবং বিনিময় হার ব্যবস্থাকে আরও নমনীয় করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    বাংলাদেশ ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে আইএমএফের ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত হয়। পরবর্তীতে কর্মসূচির আকার বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি ডলার করা হয়। এ পর্যন্ত পাঁচ কিস্তিতে ৩৬০ কোটির বেশি ডলার ছাড় পেয়েছে দেশ। তবে রাজস্ব আদায়, বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক খাত সংস্কারে প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ায় পঞ্চম ও ষষ্ঠ কিস্তির প্রায় ১৩০ কোটি ডলার ছাড় স্থগিত রয়েছে।

    সরকার ও আইএমএফের মধ্যে মতপার্থক্যের প্রধান বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে অভিন্ন ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর চালু, টার্নওভার কর আরোপ, কর অব্যাহতি কমানো, বাজারভিত্তিক বিনিময় হার ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও সারে ভর্তুকি হ্রাস, ব্যাংক খাত সংস্কার এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড পুনর্গঠন।

    বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান র‍্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাকের মতে, চলমান একটি ঋণ কর্মসূচি মাঝপথে রেখে নতুন কর্মসূচিতে যাওয়া সরকারের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, আগের কর্মসূচির শর্তগুলো সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। ফলে নতুন আলোচনায় বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে কিছু প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। আইএমএফ স্বাভাবিকভাবেই জানতে চাইবে, পূর্ববর্তী প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ না করে নতুন চুক্তিতে কী ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

    তার মতে, আগের অভিজ্ঞতার কারণে নতুন ঋণ কর্মসূচির শর্ত সহজ হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে সরকারের জন্য সুযোগও রয়েছে। আলোচনার আগেই যদি কিছু দৃশ্যমান সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে আইএমএফের সঙ্গে দর-কষাকষিতে সুবিধা পাওয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য শর্তের কঠোরতাও কিছুটা কমানো যেতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    শিবগঞ্জকে ঘিরে নতুন ৯৯৭ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প

    জুলাই 25, 2026
    অর্থনীতি

    অর্থনীতির অদৃশ্য সংকট—কেন নতুন বিনিয়োগে ভয় পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা?

    জুলাই 25, 2026
    অর্থনীতি

    উৎসে কর তদারকির নির্দেশনা প্রত্যাহার চায় শীর্ষ ৮ চেম্বার

    জুলাই 25, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.