Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Thu, Jan 15, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » দেশের এলপিজি খাত চলছে সমস্যা-সংকট নিয়েই
    অর্থনীতি

    দেশের এলপিজি খাত চলছে সমস্যা-সংকট নিয়েই

    ইভান মাহমুদNovember 9, 2024
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) শিল্প বাস্তবে পরিণত হয়েছে। প্রায় দুই ডজন কোম্পানি একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে উৎপাদন খরচের অনেক কম দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করছে। কিছু কোম্পানি বিনামূল্যে সিলিন্ডারও সরবরাহ করেছে, যাতে গ্রাহকেরা নিয়মিত গ্যাসের রিফিল নিতে উদ্বুদ্ধ হন। কিন্তু এ কৌশল তাদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিটি নতুন কোম্পানি আরও কম দামে গ্যাস বিক্রির সুযোগ নিয়ে বাজারে প্রবেশ করেছে, ফলে অভ্যন্তরীণ বাজারে কম দামের সিন্ডিকেট মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এ খাতে দেশের ৫৮টি এলপিজি লাইসেন্সধারী থাকলেও এখনো অর্ধেক কোম্পানি কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি।

    শিল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, যেসব কোম্পানির কাছে শত শত কোটি টাকার মজুত রয়েছে, তারাই কেবল এ বাজারে টিকে থাকতে পারছে। প্রতিটি সিলিন্ডারের প্রকৃত উৎপাদন খরচ প্রায় তিন হাজার টাকা। অথচ ওমেরা, বসুন্ধরা এবং এমজিআই (ফ্রেশ)-এর মতো শীর্ষ কোম্পানিগুলো সিলিন্ডারপ্রতি ২,১০০–২,২০০ টাকা ভর্তুকি দিয়ে মাত্র ৮০০–৯০০ টাকায় বিক্রি করে। দেশের ৪.৫ কোটি সিলিন্ডারের প্রায় ৬০–৭০ শতাংশই ৫০০–৭০০ টাকায় বিক্রি হয়। এসব সিলিন্ডার স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি হলে মূল্য অর্ধেকেরও কমে নেমে আসে। এতে কোম্পানিগুলোর আর্থিক চাপ আরও বাড়ছে।

    এনার্জিপ্যাকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন রশীদ আট বছর আগে তার জি-গ্যাস ব্র্যান্ডের মাধ্যমে এলপিজি খাতে প্রবেশ করেন। এখনো এ খাতের চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে পারেননি। কিছু মাফিয়া-সদৃশ গোষ্ঠী বাজারে নিজেদের আধিপত্য বাড়ানোর উদ্দেশ্যে কারসাজি করছে, বিশেষ করে ‘সিলিন্ডার গেম’ খেলার মাধ্যমে—যেখানে কম দামে সিলিন্ডার বিক্রির মাধ্যমে বাজারকে প্রতিযোগিতামুক্ত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, এ প্রভাবশালী গোষ্ঠীগুলো প্রয়োজন হলে বেশি ভর্তুকি দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীদের বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ডিলারদের প্রতি সিলিন্ডার দেড় হাজায় টাকায় স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রির জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। ৮০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ২৬ লাখ সিলিন্ডার নিয়ে এলপিজি বাজারে প্রবেশ করে। কিন্তু আট বছর পেরিয়েও কোম্পানিটি লাভের মুখ দেখেনি।

    ওমেরা পেট্রোলিয়ামের সিইও তানজিম চৌধুরী জানান, ২০১৭ সালে যখন সাত-আটটি কোম্পানি একসঙ্গে বাজারে প্রবেশ করে, তখন এলপিজি অপারেটরদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্র আকার ধারণ করে। এর আগে প্রতি সিলিন্ডারে ১০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়া হতো। বর্তমানে অনেক কোম্পানি প্রতি সিলিন্ডারে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দিচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়।

    ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি এলপিজি অপারেটর হিসেবে কার্যক্রম শুরু করা বসুন্ধরা গ্রুপ বর্তমানে এ শিল্পের অস্থিতিশীল মূল্যের চাপের মুখে পড়েছে।বসুন্ধরা এলপিজির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘২০১৪–১৫ সালে আমরা প্রতি সিলিন্ডারে মাত্র ৩০–৪০ টাকা লাভ করতাম। তখন উৎপাদন খরচ ছিল ১,৮০০ টাকা। এখন আমরা উৎপাদন খরচের পাঁচ ভাগের এক ভাগ দামে সিলিন্ডার বিক্রি করছি।৭০ লাখেরও বেশি সিলিন্ডার বাজারে ছাড়ার পরও বসুন্ধরা এখনও অলাভজনক অবস্থায় আছে। এ কর্মকর্তা এ ক্ষতির জন্য বাজারের দামের অস্থিতিশীলতাকে দায়ী করেন।’ তিনি বলেন, ‘তিন বছর আগে যেখানে ২২ থেকে ২৩টি কোম্পানি এলপিজি আমদানি করত, এখন সেখানে মাত্র সাত–আটটি অপারেটর সক্রিয় রয়েছে, যা এ সেক্টরের আর্থিক চাপে পড়ার প্রমাণ।’

    ২০১০ সাল পর্যন্ত একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থাসহ মোট ৬টি অপারেটর বাজারে ছিল। তবে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সিদ্ধান্ত নেয়, গৃহস্থালী পর্যায়ে নতুন কোনো প্রাকৃতিক গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না এবং ভবিষ্যতের চাহিদার জন্য কেবল এলপিজিই ব্যবহার করা হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত মোট ৫৮টি কোম্পানিকে এলপিজি ব্যবসার লাইসেন্স দেওয়া হয়।

    এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য কমাতে চলমান প্রতিযোগিতা এবং এর ফলে আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা নিয়ে ঋণদাতারা উদ্বেগের মধ্যে পড়েছে। ব্যাংকগুলোর এ খাত নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে, কারণ এগুলো এলপিজি শিল্পে বিনিয়োগ হওয়া ৩০ হাজার কোটি টাকার ঋণের ৬০–৭০ শতাংশ অর্থায়ন করেছে। সাধারণত, ব্যাংকগুলো এলপিজি শিল্পকে সর্বোচ্চ পাঁচ থেকে ছয় বছরের ঋণ পরিশোধের সময়সীমা দিয়ে থাকে। অনেকেই মনে করেন, এ সময় পর্যাপ্ত নয়। কম মুনাফার পুঁজি-নিবিড় খাত হওয়ায় ভারতে এ ঋণ পরিশোধের সময়কাল ১৮ বছর।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    শুল্ক কমায় মোবাইলের দাম কমতে পারে ২০ শতাংশ

    January 14, 2026
    বাংলাদেশ

    অর্থশক্তি দখল করছে রাজনৈতিক ক্ষমতা

    January 14, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানে বারবার বিক্ষোভ সত্ত্বেও শাসকগোষ্ঠী কীভাবে টিকে থাকে?

    January 14, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.