Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, আগস্ট 21, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার উধাও, যেভাবে শেল কোম্পানি ও হুন্ডিতে রক্তক্ষরণ হচ্ছে দেশের
    অর্থনীতি

    বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার উধাও, যেভাবে শেল কোম্পানি ও হুন্ডিতে রক্তক্ষরণ হচ্ছে দেশের

    হাসিব উজ জামানআগস্ট 20, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    অর্থ পাচার ঠেকাতে নানা উদ্যোগের ঘোষণা এলেও বিদেশে চলে যাওয়া অর্থ ফেরত আনা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। বাণিজ্য, হুন্ডি, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে অর্থ পাচারের পর শেল কোম্পানি ও জটিল আন্তর্জাতিক লেনদেনে আড়াল করা হচ্ছে প্রকৃত মালিকানা।

    বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। অর্থের গতিপথ অনেক ক্ষেত্রেই শনাক্ত করা সম্ভব হলেও শেষ পর্যন্ত তা দেশে ফিরিয়ে আনা যাচ্ছে না। সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগের কথা বলা হলেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের সাফল্য আসেনি।

    অর্থ পাচারের এই পুরো প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দুর্নীতি, ঘুষ, ঋণ জালিয়াতি ও নানা অনিয়মের মাধ্যমে প্রথমে অর্থের উৎস তৈরি হয়। এরপর চারটি প্রধান পথে অর্থ দেশের বাইরে চলে যায়—আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, হুন্ডি, ব্যাংকিং ব্যবস্থা এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি।

    বিদেশে পাঠানোর পর অর্থের প্রকৃত মালিকানা আড়াল করতে ব্যবহার করা হয় বিদেশি শেল কোম্পানি, নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠান, বেনামি মালিক এবং একাধিক দেশের মধ্যে জটিল লেনদেন। মালিকানা গোপন হয়ে যাওয়ার পর অর্থ পাচার ঠেকানোর দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো যখন অনুসন্ধানে নামে, তখন কিছু সম্পদের সন্ধান মিললেও সেগুলো ফেরত আনা কঠিন হয়ে পড়ে।

    হাজার হাজার নথি ও শতাধিক তদন্ত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে অর্থ পাচারের এমন চিত্র উঠে এসেছে। এসব নথির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, আদালত এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের তথ্য।

    বছরে পাচার ৭ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলার

    দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর ৭ বিলিয়ন থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত অর্থ পাচার হয়ে থাকতে পারে। সর্বনিম্ন হিসাব ৭ বিলিয়ন ডলার ধরলেও চার বছরে পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ বাংলাদেশের বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সমান হয়ে যায়।

    উন্নয়নশীল দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থ পাচারের অন্যতম প্রধান পথ। এ পদ্ধতিতে সরাসরি নগদ অর্থ বিদেশে নেওয়ার প্রয়োজন হয় না। আমদানি বিল, রপ্তানি চালান কিংবা বৈধ ব্যাংক লেনদেনের আড়ালে বিপুল অর্থ দেশের বাইরে চলে যেতে পারে।

    আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, প্রতিবছর পাচার হওয়া অর্থের প্রায় অর্ধেক বাণিজ্যের মাধ্যমে উন্নত দেশগুলোতে চলে যায়।

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের বড় অংশের রপ্তানি উন্নত দেশগুলোতে হয়। একইভাবে এই খাতের কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতির বড় একটি অংশও আসে এসব দেশ থেকে। ফলে বাণিজ্যভিত্তিক অর্থ পাচারের সুযোগও তৈরি হয়।

    ঋণের টাকা দিয়েও বিদেশে পাচার

    বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থ পাচারের বিষয়টি উঠে এসেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় ৯ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা ঋণের মধ্যে প্রায় অর্ধেক খেলাপি হয়ে পড়ার পেছনে অর্থ পাচারও একটি বড় কারণ।

    কিছু ক্ষেত্রে বিদেশে অর্থ পাচারের উদ্দেশ্যেই ঋণ নেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, অর্থ এক খাত থেকে অন্য খাতে সরিয়ে নেওয়া কিংবা বিদেশে পাচার করার কারণে অনেক ঋণ খেলাপিতে পরিণত হয়।

    তদন্ত প্রতিবেদনগুলোতে অর্থ পাচারের একই ধরনের কৌশল বারবার দেখা গেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পণ্য এক দেশে পাঠানোর কথা থাকলেও অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে অন্য দেশ থেকে। আবার একই ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর মালিকানাধীন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন দেখিয়ে অর্থ সরানোর ঘটনাও পাওয়া গেছে।

    নিজেদের কোম্পানির মধ্যেই লেনদেন

    সম্প্রতি দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারী ব্যবসায়িক গোষ্ঠী নিজেদের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৪০৫ কোটি টাকা বা ৩৩ মিলিয়ন ডলার বিদেশে সরানোর চেষ্টা করেছিল।

    গোষ্ঠীটির বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান একটি বিদেশি কোম্পানি থেকে জাহাজ আমদানির জন্য ঋণপত্র খুলেছিল। পরে দেখা যায়, সিঙ্গাপুরভিত্তিক ওই কোম্পানিটি আবার একই ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর মালিকানাধীন। তারা জাহাজটি কিনেছিল মার্শাল দ্বীপপুঞ্জভিত্তিক আরেকটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে, সেটিও একই গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণাধীন।

    অর্থাৎ একই গোষ্ঠীর তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ধারাবাহিক লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ সরানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি শনাক্ত করে লেনদেনটি আটকে দেয়।

    তদন্তকারীদের মতে, একই ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর একাধিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লেনদেন হলে সেটিকে বৈধ বাণিজ্যিক কার্যক্রম বলে দেখানো সহজ হয়। একই সঙ্গে অর্থের প্রকৃত উৎস, গন্তব্য এবং শেষ পর্যন্ত কার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তা শনাক্ত করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

    বিদেশে কোনো ব্যবসায়ীর অর্থ বা সম্পদের সন্ধান মিললেও সেটি বাংলাদেশ থেকে পাচার করা অর্থ—আদালতে তা প্রমাণ করাই সবচেয়ে কঠিন ধাপ। আর এই আইনি জটিলতার কারণেই অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া দীর্ঘ হয়ে যায়।

    হুন্ডির জালও বিস্তৃত

    বাণিজ্যের পাশাপাশি করপোরেট হুন্ডি নেটওয়ার্কও অর্থ পাচারের বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক তদন্তে দেখা গেছে, সাবেক এক মন্ত্রীর ৮০০ কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাঠানো হয়েছিল। একই পদ্ধতিতে চট্টগ্রামভিত্তিক একটি বিতর্কিত ব্যবসায়িক গোষ্ঠী ব্যাংক খাত থেকে বিপুল অর্থ সরিয়ে বিদেশে পাচার করেছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

    তদন্তকারীরা বলছেন, নিজেদের প্রতিষ্ঠানের কর্মী, সহযোগী কিংবা শেল প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হুন্ডি নেটওয়ার্ক পরিচালনা করায় পাচারকারীদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

    ব্যাংকিং ব্যবস্থাও ঝুঁকির বাইরে নয়

    অর্থ পাচারে ব্যাংকিং ব্যবস্থার ব্যবহারও বাড়ছে। অর্থ পাচারে সহায়তার প্রমাণ পাওয়ার পর সম্প্রতি একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংককে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ দেশের একটি বড় ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর হাতে।

    এ ছাড়া আরও চারটি বেসরকারি, বহুজাতিক ও রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অর্থ পাচারে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ার কথাও তদন্তে উঠে এসেছে।

    সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি তদন্ত দল ছয়টি বড় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন পর্যালোচনা করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, তদন্তে বেশ কিছু ‘অত্যন্ত অস্বাভাবিক’ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

    আরেক তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, একটি শীর্ষস্থানীয় মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান, একটি বেসরকারি ব্যাংক ও দুটি মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে রেমিট্যান্সের আড়ালে অন্তত ৪০৭ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে।

    তদন্তকারীদের ধারণা, সংশ্লিষ্ট মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান ও মানি এক্সচেঞ্জগুলোর সব লেনদেন খতিয়ে দেখা হলে পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ আরও অনেক বেশি হতে পারে।

    নতুন ঝুঁকি ক্রিপ্টোকারেন্সি

    অর্থ পাচারের নতুন পথ হিসেবে ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহারও সামনে এসেছে। বাংলাদেশে ভার্চুয়াল মুদ্রা নিষিদ্ধ হলেও বিভিন্ন অনলাইন ও অফলাইন অ্যাপের মাধ্যমে দ্রুত লেনদেন করা সম্ভব হচ্ছে।

    তদন্তে দেখা গেছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংক কিংবা মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানের হিসাব ব্যবহার করেও এসব ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্মে লেনদেন করা সম্ভব।

    অনলাইন জুয়ার মাধ্যমেও বিপুল অর্থ বিদেশে চলে যাচ্ছে। এর পরিমাণ এতটাই বেড়েছে যে আর্থিক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা সাবেক এক ছাত্র উপদেষ্টার হিসাবেও অনলাইন জুয়ার একাধিক লেনদেনের সন্ধান পেয়েছেন।

    সম্প্রতি অপরাধ তদন্ত বিভাগ ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে পাচার হওয়া ৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার উদ্ধার করেছে। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্লকচেইন বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার না থাকায় অধিকাংশ ক্রিপ্টো লেনদেনের গতিপথ শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।

    বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট যুক্তরাষ্ট্র থেকে এ ধরনের সফটওয়্যার কেনার প্রস্তাব দিলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা অনুমোদন করেনি।

    হাতছাড়া ২৫ মিলিয়ন ডলার

    অর্থ ফেরত আনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দুর্বলতার সবচেয়ে বড় উদাহরণগুলোর একটি হলো ২৫ মিলিয়ন ডলার বা ৩০৬ কোটি টাকা।

    চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাজ্যের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা একটি বেসরকারি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানের ২৫ মিলিয়ন ডলার শনাক্ত করে। অর্থটি চার সপ্তাহের জন্য জব্দও রাখা হয়েছিল, যাতে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে পারে।

    কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। পরে পুরো অর্থ সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্থানান্তর করা হয়।

    এখন সেখান থেকে অর্থ ফেরত আনা আরও জটিল হয়ে পড়েছে। অথচ যুক্তরাজ্য থেকেই অর্থটি উদ্ধার করা সম্ভব হলে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট প্রতিষ্ঠার পর সেটিই হতে পারত পাচার করা অর্থ ফেরত আনার প্রথম বড় সাফল্য।

    কেন অর্থ ফেরত আনা এত কঠিন

    বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার করতে হলে প্রথমে প্রমাণ করতে হয় যে অর্থটি বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে পাচার করা হয়েছে এবং এর প্রকৃত মালিকানা কার। এরপর যে দেশে অর্থ বা সম্পদ রয়েছে, সেই দেশের আইন ও আদালতের প্রক্রিয়াও অনুসরণ করতে হয়।

    একাধিক দেশের আইনি কাঠামো, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সীমাবদ্ধতা, দুর্বল প্রতিষ্ঠান এবং সময়মতো ব্যবস্থা নিতে না পারার কারণে এই প্রক্রিয়া আরও কঠিন হয়ে যায়।

    ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে বাংলাদেশের বর্তমান প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। আন্তর্জাতিক আইনে কিছু জটিলতা থাকলেও দুই দেশের মধ্যে প্রয়োজনীয় চুক্তি করে অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

    বাংলাদেশের অর্থ পাচারবিরোধী আইনে পাচার করা অর্থের দ্বিগুণ পরিমাণ জরিমানা এবং অপরাধীর চার থেকে ১২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

    কিন্তু আইন থাকলেই অর্থ পাচার বন্ধ হবে না। তদন্তে দ্রুততা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর শাস্তি নিশ্চিত না হলে বিদেশে অর্থ সরানোর পথ বন্ধ করা কঠিন।

    সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, বাংলাদেশ একবার অর্থ হারাচ্ছে পাচারের মাধ্যমে, আবার দ্বিতীয়বার হারাচ্ছে সেই অর্থ উদ্ধারের সুযোগ নষ্ট হওয়ার কারণে। ফলে অর্থ পাচার শুধু দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ তৈরি করছে না, এটি রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর মানুষের আস্থাকেও দুর্বল করছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বিশ্লেষণ

    জাহাজভাঙার মুনাফার আড়ালে পরিবেশের নীরব ক্ষয়

    আগস্ট 20, 2026
    সম্পাদকীয়

    পুনর্মূল্যায়ন, রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি এবং বাণিজ্যিক কার্যকারিতার দ্বান্দ্বিক রূপরেখা

    আগস্ট 20, 2026
    অর্থনীতি

    চায়না এভারগ্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা হুই কা ইয়ানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    আগস্ট 20, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.