নতুন অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বাংলাদেশ যে পরিমাণ বিদেশি ঋণ পেয়েছে, তার দ্বিগুণেরও বেশি অর্থ উন্নয়ন সহযোগীদের ঋণ পরিশোধে ব্যয় করেছে। একই সময়ে গত বছরের তুলনায় নতুন বিদেশি ঋণ ছাড়ের পরিমাণও কমেছে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) ৩০ আগস্ট প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ১৮ কোটি ১ লাখ ৮০ হাজার ডলার বিদেশি ঋণ পেয়েছে।
অন্যদিকে, ওই মাসে আগের নেওয়া বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ বাবদ মোট ৪৫ কোটি ৩২ লাখ ৩০ হাজার ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ নতুন করে যে পরিমাণ ঋণ এসেছে, তার প্রায় আড়াই গুণ অর্থ ঋণ পরিশোধেই চলে গেছে।
চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে বিদেশি ঋণ ছাড়ের পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ কমেছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশ ২০ কোটি ৮ লাখ ৪০ হাজার ডলার বিদেশি ঋণ পেয়েছিল। এক বছরের ব্যবধানে তা কমে চলতি বছরের জুলাইয়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ১ লাখ ৮০ হাজার ডলারে।
অন্যদিকে, বিদেশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণ উল্টো বেড়েছে।
গত অর্থবছরের জুলাইয়ে ঋণের আসল ও সুদ মিলিয়ে বাংলাদেশ পরিশোধ করেছিল ৪৪ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার। চলতি বছরের একই মাসে পরিশোধের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৪৫ কোটি ৩২ লাখ ৩০ হাজার ডলার।
অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে বিদেশি ঋণ পরিশোধ বেড়েছে প্রায় ৪ শতাংশ।
ফলে নতুন ঋণ পাওয়ার তুলনায় পুরোনো ঋণ পরিশোধের চাপই এখন বাংলাদেশের বৈদেশিক অর্থায়নে বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

