Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, নভে. 5, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • কৃষি
      • রাজনীতি
      • ভিডিও
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সঞ্চয়পত্র, ডাকঘর না এফডিআর, কোথায় টাকা রাখলে লাভ বেশি
    অর্থনীতি

    সঞ্চয়পত্র, ডাকঘর না এফডিআর, কোথায় টাকা রাখলে লাভ বেশি

    নিউজ ডেস্কনভেম্বর 5, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    জমানো টাকা কোথায় রাখলে বেশি লাভ হবে, এ প্রশ্ন এখন অনেকের মনেই। সঞ্চয়পত্র, ডাকঘর সঞ্চয়, ব্যাংকের স্থায়ী আমানত (এফডিআর) কিংবা শেয়ারবাজার—প্রতিটি মাধ্যমে মুনাফার হার, ঝুঁকি, মেয়াদ ও টাকা তোলার সুযোগ আলাদা। তাই শুধু সুদের হার দেখে সিদ্ধান্ত নিলে ভুল হতে পারে। অর্থের নিরাপত্তা ও নিজের প্রয়োজন বিবেচনায় না নিলে বেশি মুনাফার আশা শেষ পর্যন্ত ক্ষতির কারণও হতে পারে।

    দেশে প্রচলিত মাধ্যমগুলোর মধ্যে সঞ্চয়পত্র, ডাকঘর সঞ্চয় ও ব্যাংকের এফডিআরকে তুলনামূলক নিরাপদ ধরা হয়। এসব মাধ্যমে নির্দিষ্ট হারে মুনাফা পাওয়া যায়। তবে মাধ্যমভেদে মুনাফার হার ও বিনিয়োগের শর্তে পার্থক্য রয়েছে।

    ঝুঁকি কম রেখে নির্দিষ্ট আয় পেতে সঞ্চয়পত্র এখনো বহুল জনপ্রিয়। ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের জন্য সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৭৭ থেকে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশের মধ্যে। বিনিয়োগকারীদের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র, পরিবার সঞ্চয়পত্র ও পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মতো কয়েকটি কর্মসূচি চালু আছে। তবে প্রতিটির যোগ্যতা ও বিনিয়োগসীমা আলাদা। মুনাফার ওপর প্রযোজ্য কর হিসাবে ধরলে প্রকৃত আয় কিছুটা কমে যেতে পারে, এ বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।

    ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের তিন বছর মেয়াদি হিসাবেও ভালো মুনাফার সুযোগ আছে। সাড়ে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে প্রথম বছর শেষে মুনাফার হার ১০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, দ্বিতীয় বছর শেষে ১১ দশমিক ২২ শতাংশ এবং তৃতীয় বছর শেষে ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ। সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি, অর্থাৎ ৭ লাখ ৫০ হাজার ১ টাকা বা তার ওপরে বিনিয়োগ করলে মেয়াদ অনুযায়ী হার দাঁড়ায় যথাক্রমে ১০ দশমিক ৬০, ১১ দশমিক ১৬ ও ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। সাধারণ হিসাবে সুদের হার ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। এসব মুনাফা থেকে উৎসে কর কাটা হয়।

    ব্যাংকের এফডিআর সবচেয়ে পরিচিত ও সহজ বিনিয়োগমাধ্যমগুলোর একটি। এক মাস থেকে শুরু করে এক বছর বা তার বেশি মেয়াদে টাকা রাখার সুযোগ আছে। ব্যাংক ও মেয়াদভেদে সুদের হারও ভিন্ন। বিভিন্ন ব্যাংকে এক বছর বা তার বেশি মেয়াদি আমানতে এখন ৮ দশমিক ২৫ থেকে ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সুদ পাওয়া যাচ্ছে। তবে ব্যাংকভেদে এই হার কমবেশি হতে পারে। তাই টাকা রাখার আগে একাধিক ব্যাংকের হার ও শর্ত মিলিয়ে দেখা জরুরি। শুধু বেশি সুদের লোভে ব্যাংক বেছে নেওয়া ঠিক নয়। ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা, আমানত ফেরত দেওয়ার সামর্থ্য ও সুশাসনের অবস্থাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

    ব্যাংক আমানত ও সঞ্চয়পত্রের বাইরে সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডেও বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এসব সরকারি ঋণপত্রে সুদের হার ৮ দশমিক ১৮ থেকে ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। ট্রেজারি বিল সাধারণত স্বল্পমেয়াদি আর বন্ড দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের মাধ্যম। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে বিক্রি করতে হলে বাজারদরের ওঠানামার কারণে লাভ বা লোকসান দুটিই হতে পারে। তাই মেয়াদ, মুনাফা ও নগদে রূপান্তরের নিয়ম আগেই জেনে নেওয়া দরকার।

    দীর্ঘ মেয়াদে সম্পদ বাড়াতে চাইলে অনেকে শেয়ারবাজার ও জমির দিকে ঝোঁকেন। ভালো কোম্পানির শেয়ার কিনলে দাম বাড়ার পাশাপাশি লভ্যাংশ থেকেও আয় হতে পারে। কিন্তু শেয়ারের দাম কমে গেলে লোকসানের আশঙ্কাও থাকে। তাই গুজব বা অন্যের পরামর্শে না চলে কোম্পানির আয়, মুনাফা ও আর্থিক অবস্থা নিজে যাচাই করা উচিত।

    জমির দাম বাড়লে ভালো মুনাফা পাওয়া সম্ভব। তবে জমি কিনতে বড় অঙ্কের অর্থ লাগে। প্রয়োজনের সময় দ্রুত বিক্রি করে নগদ টাকা পাওয়াও কঠিন হতে পারে। কেনার আগে দলিল, খতিয়ান, নামজারি ও মালিকানা ভালোভাবে যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    আর্থিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনিয়োগের আগে নিজের লক্ষ্য ও ঝুঁকি নেওয়ার সক্ষমতা বুঝে নিতে হবে। যে টাকা জরুরি প্রয়োজনে লাগতে পারে, তা দীর্ঘ মেয়াদে আটকে রাখা ঠিক নয়। পাশাপাশি সব সঞ্চয় এক জায়গায় না রেখে একাধিক মাধ্যমে ভাগ করে বিনিয়োগ করলে ঝুঁকি কমানো যায়।

    সব মিলিয়ে নির্দিষ্ট মুনাফার বিবেচনায় সঞ্চয়পত্র ও ডাকঘরের মেয়াদি সঞ্চয়ে তুলনামূলক বেশি আয়ের সুযোগ দেখা যাচ্ছে। এফডিআরে মুনাফার হার কিছুটা কম হলেও ব্যাংক ও মেয়াদ বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা থাকে। অন্যদিকে শেয়ারবাজার ও জমিতে বেশি লাভের সম্ভাবনা থাকলেও ঝুঁকি এবং দ্রুত নগদ টাকা পাওয়ার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই শুধু মুনাফার হার নয়, অর্থের নিরাপত্তা ও নিজের প্রয়োজন মাথায় রেখেই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    মাল্টার দাম পাইকারি থেকে খুচরায় প্রায় ৮৪ শতাংশ বেশি

    নভেম্বর 5, 2026
    অর্থনীতি

    সাবেক মন্ত্রী-এমপিসহ ২০ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ

    নভেম্বর 5, 2026
    বাণিজ্য

    খুলনার চুইঝালে বছরে ৭০ কোটি টাকার বাণিজ্য

    নভেম্বর 5, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.