বিশ্বের প্রযুক্তি শিল্পে সেমিকন্ডাক্টরের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে এ খাত এখনও অনেকের কাছে অচেনা। সাধারণ মানুষ প্রায়ই এটিকে ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সেক্টর হিসেবে চিনে।
দেশের পাঠকদের পরিচয় করাতে সেমিকন্ডাক্টর খাতকে কেন্দ্র করে লেখা হয়েছে নতুন বই “প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় সেমিকন্ডাক্টর ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা”। বইটির গবেষক উল্কাসেমির সিইও ও সভাপতি মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান। বইটিতে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে। শুরু হয়েছে সমসাময়িক প্রেক্ষাপট থেকে। রয়েছে সেমিকন্ডাক্টরের মৌলিক ধারণা, বৈশ্বিক শিল্পের গুরুত্ব এবং বাংলাদেশের সম্ভাবনার রূপরেখা। বিশেষত প্রকৌশল শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের জন্য সংযোজন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার দিকনির্দেশনা।
উল্কাসেমির সিইও এনায়েতুর রহমান বলেন, “প্রতিবেশী দেশগুলোকে দেখলে শুধু প্রতিযোগিতা চোখে আসে না। বরং আমি দেখি একটি কর্মপরিকল্পনা। কেন বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করতে পারবে না। আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই সেই ভবিষ্যৎ গড়ার মূল চাবিকাঠি। শিক্ষক ও অভিভাবক তাদের সহযোগী হতে পারেন।”
দেশের উদ্যোক্তারা জানাচ্ছেন, বর্তমান প্রযুক্তি, বিশেষত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর চিপের ওপর নির্ভরশীল। উল্কাসেমি এই নেতৃত্বস্থানীয় প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে তৈরি করেছে সাড়ে পাঁচশ’ বাংলাদেশি দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে মাল্টিবিলিয়ন ডলারের বাজারে রূপান্তর করার লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে দেশি এই উদ্যোক্তা।

