Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, জুন 13, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ডলারের অস্থিরতায় বাড়ছে আমদানি খরচ
    অর্থনীতি

    ডলারের অস্থিরতায় বাড়ছে আমদানি খরচ

    মনিরুজ্জামানঅক্টোবর 26, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ডলারের বাজার হঠাৎ অস্থির হয়ে উঠেছে। গত কয়েকদিনে ডলারের দাম ৫০ পয়সার বেশি বেড়েছে। ফলে টাকার মান কমছে। গত বৃহস্পতিবার আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের সর্বোচ্চ দাম ছিল ১২২ টাকা ৫০ পয়সা, সর্বনিম্ন ১২২ টাকা ১০ পয়সা। গড় দাম দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৪০ পয়সা।

    এর আগের দিন গত বুধবার সর্বোচ্চ দাম ছিল ১২২ টাকা ২৫ পয়সা, সর্বনিম্ন ১২২ টাকা, গড় দাম ১২২ টাকা ৬ পয়সা। এক সপ্তাহ আগে ১৬ অক্টোবর ডলারের সর্বোচ্চ দাম ছিল ১২১ টাকা ৮৬ পয়সা, সর্বনিম্ন ১২১ টাকা ৮০ পয়সা। গড় দাম ১২১ টাকা ৮৪ পয়সা। এই হিসাবে এক সপ্তাহে টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বেড়েছে ৫৬ পয়সা বা ০.৪৬ শতাংশ। ব্যাংকাররা বলছেন, রমজান মাসকে সামনে রেখে পণ্য আমদানির এলসি খোলার পরিমাণ বেড়েছে। এতে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া দাম ধরে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামে ডলার কিনেছে। এ কারণেও ডলারের দর বেড়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা পণ্য আমদানির জন্য মোট ৬৩০ কোটি (৬.৩০ বিলিয়ন) ডলারের এলসি খোলেন। আগের মাস আগস্টে এই অঙ্ক ছিল ৫.৩৮ বিলিয়ন ডলার। এতে ১৭.২৯ শতাংশ বৃদ্ধি দেখা গেছে। ডলারের দর বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোতেও দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। খোলা বাজারেও দর বাড়ছে। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক ১২৩ টাকায় নগদ ডলার বিক্রি করেছে; কিনেছে ১২২ টাকায়। বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক ১২৩ টাকা ৫০ পয়সায় ডলার বিক্রি করেছে; কিনেছে ১২২ টাকা ৫০ পয়সায়। সিটি ব্যাংক বিক্রি করেছে ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সায়; কিনেছে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সায়।

    খোলা বাজারে গত বৃহস্পতিবার ডলার বিক্রি হয়েছে ১২৫ টাকা ২০ পয়সায়। এক সপ্তাহ আগে এই দর ছিল ১২৪ টাকা। মতিঝিলের এক ডলার ব্যবসায়ী বলেন, হঠাৎ ডলারের চাহিদা বেড়ে গেছে। এজন্য দাম বেড়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ডলারের দরে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন হয়নি। তাই এখন এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাইছেন না।

    এসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, বাজারে ডলারের দাম চাহিদা ও সরবরাহের অসামঞ্জস্যের কারণে বেড়েছে। ব্যাংকগুলো অনেক দিন ধরে ডলার বিক্রি করেছে, যাতে তাদের অবস্থান নিরাপদ থাকে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স সাধারণত মাসের ১৮ থেকে ২৫ তারিখে কিছুটা ধীরগতি দেখায়। গত সপ্তাহে কিছু আমদানিকারক তাদের এলসির বিপরীতে পাওনা পরিশোধ করেছেন। আশা করা হচ্ছে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ডলারের বাজার স্থিতিশীল হয়ে গড়ে ১২২ টাকায় ফিরে আসবে। ডলারের দর ধরে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামে ডলার কিনেছে। সর্বশেষ ১৪ অক্টোবর ৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার, এর আগে ৯ অক্টোবর ১০ কোটি ৭০ লাখ ডলার কেনা হয়। গত তিন মাসে ১৫ দফায় মোট ২১২ কোটি ৬০ লাখ (২.১৩ বিলিয়ন) ডলার কেনা হয়েছে।

    বিশ্ব ব্যাংকের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, এই সময়ে ব্যাংকগুলোর কাছে থাকা অতিরিক্ত ডলার কেনাই একমাত্র উপায়। বাজারে সরবরাহ বেশি থাকায় না কিনলে ডলারের দর কমে যাবে। এতে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। মুদ্রাবাজারের বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করার পর থেকে ১৩ জুলাই থেকে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু হয়েছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ায় বাজার স্থিতিশীল রাখতে এ ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

    বছর পার হওয়ার পর প্রবাসী রেমিট্যান্স, রপ্তানি আয় এবং বিভিন্ন দাতা সংস্থার ঋণে রিজার্ভ স্বস্তির অবস্থায় এসেছে। এছাড়া ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ডলার কেনার কারণে রিজার্ভ বেড়েছে। ৭ সেপ্টেম্বর বিপিএম-৬ হিসাবে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল ২৫.৩০ বিলিয়ন ডলার, মোট ৩০.০৪ বিলিয়ন ডলার। গত দেড় মাসে তা বেড়ে ২২ অক্টোবর ২৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার, মোট ৩২.১১ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।

    চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রবাসীরা ৭৫৮ কোটি ৫৬ লাখ (৭.৫৮ বিলিয়ন) ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৬ শতাংশ বেশি। চলতি অক্টোবরেও ধারা বজায় আছে। ১ থেকে ২২ অক্টোবরের মধ্যে ১৯২ কোটি ১০ লাখ (১.৯২ বিলিয়ন) ডলার এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭.৩ শতাংশ বেশি।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির রোডম্যাপ

    জুন 13, 2026
    অর্থনীতি

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় কর বৃদ্ধি, সংকটে মধ্যবিত্ত ও পেনশনভোগীরা

    জুন 13, 2026
    অর্থনীতি

    কর সংক্রান্ত আপিলে মিলছে বড় স্বস্তি

    জুন 13, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.