Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, এপ্রিল 11, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » এক দশকেও শাস্তির নজির নেই ট্রাইব্যুনালে
    অর্থনীতি

    এক দশকেও শাস্তির নজির নেই ট্রাইব্যুনালে

    মনিরুজ্জামানUpdated:ডিসেম্বর 28, 2025ডিসেম্বর 28, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    দেশের পুঁজিবাজারে বড় ধরনের অনিয়ম ও অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে যে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছিল, তা আজ এক দশক ধরে কার্যত নিষ্ক্রিয়। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অধীনে থাকা এই ট্রাইব্যুনালে গত ১০ বছরে একটি নতুন মামলাও আসেনি। শুধুমাত্র ১৯৯৬ ও ২০১০ সালের বাজার ধস-সংক্রান্ত ২৭টি পুরোনো মামলাই এর অস্তিত্বের প্রমাণ বহন করছে।

    বাস্তবে রাজধানীর পল্টনে অবস্থিত ট্রাইব্যুনাল ভবন এখন আর বিচারকক্ষ নয়। বরং এটি ভাঙাচোরা আসবাবের গুদামঘরে পরিণত হয়েছে। মূলত জরিমানা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করেই এগোচ্ছে বিএসইসি। তবে এই কাঠামোয় প্রকৃত শাস্তি আর দায় নির্ধারণের কার্যকর পথ প্রায় বন্ধই। তদন্তে অপরাধ শনাক্ত হলেও মামলা করা হয় না। আর যেসব মামলা করা হয়েছে, সেগুলোর বড় অংশ বছরের পর বছর উচ্চ আদালতে ঝুলে আছে। এর ফল স্পষ্ট—ট্রাইব্যুনাল থাকলেও বিচার কার্যত অনুপস্থিত।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইন, আদালত ও কাঠামো থাকা সত্ত্বেও পুঁজিবাজারে বিচারিক প্রক্রিয়া অব্যাহত না থাকলে দায়বদ্ধতা চিহ্নিত হবে না এবং শাস্তি না হওয়ায় বাজারে দায়হীনতা ও শাস্তিহীনতার সংস্কৃতি আরও বৃদ্ধি পাবে। ২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে বড় কেলেঙ্কারির পরিপ্রেক্ষিতে জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার বিচারকের নেতৃত্বে এই স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। উদ্দেশ্য ছিল বাজারে শাস্তির দৃষ্টান্ত স্থাপন এবং অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা। কিন্তু বাস্তবে সে লক্ষ্য পূরণ হয়নি।

    তথ্য অনুযায়ী, ২৭ মামলার মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ১০টি নিষ্পত্তি হয়েছে। ১৪টি মামলা উচ্চ আদালতে ঝুলে আছে, ৩টি স্থগিত। ২০১৫ সালের পর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে করা চারটি মামলাও এখনও স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়নি।

    সরেজমিনে দেখা যায়, বিএসসির বিশেষ ট্রাইব্যুনাল একজন জেলা ও দায়রা জজসহ ছয়জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়ে চললেও এজলাসে কোনো বিচারিক কার্যক্রম নেই। আসামিদের জন্য নির্ধারিত কক্ষসহ পুরো আদালত এখন ধুলোবালু ও ময়লা-আবর্জনার স্তূপে পরিণত। বিনিয়োগকারীর বড় অংশও জানেন না এমন একটি ট্রাইব্যুনাল আছে কি না। গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের মধ্যেও এর কার্যক্রম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই।

    বিনিয়োগকারী সানী মাহমুদ বলেন, ‘বিএসইসির যে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল আছে, সেটা আমি জানি না। কাজকর্মও জানা নেই।’
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ রশিদ লালী বলেন, ‘এর সর্বশেষ অবস্থা কী, আমরা জানি না। কার্যক্রম আছে কি না, তা অনিশ্চিত।’

    বিএসইসি জরিমানা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে অনিয়ম দমন করছে। সংস্থার তথ্যমতে, চলতি বছরেই সাড়ে তিনশোর বেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দেড় বছরে জরিমানার পরিমাণ ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সও বাতিল করা হয়েছে। তবে জরিমানার বড় অংশ আদায় হচ্ছে না। জরিমানা আরোপের পর মামলার সুযোগও নেই।

    বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম বলেন, ‘মামলা ট্রান্সফার করে আনলেও সেগুলো আবার উচ্চ আদালতে চলে যাচ্ছে। দৃশ্যমান আর্থিক ক্ষতি চিহ্নিত করে জরিমানা করাই কি যথেষ্ট নয়?’

    বিশ্লেষকেরা মনে করেন, শুধু জরিমানা দিয়ে বাজারে শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব নয়। অভিযুক্তদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, ‘ট্রাইব্যুনাল সক্রিয় থাকলে প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পেত এবং অন্যরা অপরাধে নিরুৎসাহিত হতো।’

    বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, ‘হাজার হাজার কোটি টাকা জরিমানা করলেও লাভ নেই। আদায় হচ্ছে না, বরং বাজারে অস্বস্তি বাড়ছে।’

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    স্বাস্থ্য

    হামে শিশুদের মর্মান্তিক মৃত্যুর দায় কি ইউনুস–নূরজাহান নিবেন?

    এপ্রিল 10, 2026
    অর্থনীতি

    দুর্নীতি ও লুটপাটে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দেশের অর্থনীতি

    এপ্রিল 10, 2026
    বাংলাদেশ

    হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ

    এপ্রিল 10, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.