Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Wed, Jan 14, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সংকট নিরসনে এলপিজি আমদানি করতে চায় বিপিসি
    অর্থনীতি

    সংকট নিরসনে এলপিজি আমদানি করতে চায় বিপিসি

    মনিরুজ্জামানJanuary 14, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    সংকট কাটাতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এ জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি অনুমতি চেয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, এলপিজির পুরো বাজার বেসরকারি খাতের উপর নির্ভরশীল। ফলে সংকটে সরকারের হস্তক্ষেপের সুযোগ সীমিত।

    বিপিসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান ১০ জানুয়ারি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবকে চিঠি পাঠান। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের এলপিজি বাজারে সরবরাহ–ঘাটতি ও দাম বৃদ্ধি হয়েছে। নির্ধারিত দামে কোথাও কোথাও সিলিন্ডার মিলছে না। বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থিতিশীল করার সরকারি কোনো হাতিয়ার নেই। চিঠিতে বলা হয়েছে, নীতিগত অনুমোদন পেলে বিপিসি জিটুজি ভিত্তিতে এলপিজি আমদানি করে বেসরকারি অপারেটরদের মাধ্যমে দ্রুত বাজারে সরবরাহ করবে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে মো. আমিন উল আহসান বলেন, “এলপিজির বাজার কার্যত বেসরকারি নিয়ন্ত্রণে। সরকারিভাবে কিছু আমদানির মাধ্যমে বাজারে ভারসাম্য আসবে। তাই আমরা অনুমতি চেয়েছি।” তিনি আরও জানান, অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নানা জটিলতার কারণে এলপিজি আমদানি করতে পারছে না। বিপিসি আমদানির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরবরাহ করতে চায়, এতে সংকট দূর হবে।

    তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বেসরকারি খাতকে সরবরাহ করলে একই পরিস্থিতি থাকবে। এলপিজির দাম প্রতি মাসে বিইআরসি নির্ধারণ করে, কিন্তু বাজারে সেই দামে বিক্রি হয় না। তাই আমদানি করে বিপিসি সরাসরি ভোক্তার কাছে না পৌঁছালে বাজারে তেমন প্রভাব পড়বে না। আগেও সরকার এলপিজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি।

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, “দেশে সরকারিভাবে এখনো এলপিজি আমদানি হয়নি। তবে আমরা সরকার থেকে সরকার পর্যায়ে আমদানির সম্ভাব্যতা যাচাই করছি। আমদানির মাধ্যমে বাজারে ভারসাম্য আসবে। সংকট কমবে। ভবিষ্যতে গ্রাহকরা জিম্মি হবেন না। আপাতত সরকার কেবল আমদানি করবে, সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ বা বিতরণে জড়িত হবে না।”

    বিপিসির চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশের এলপিজি আমদানির জন্য প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব পর্যায়ে পর্যাপ্ত অবকাঠামো নেই। তবে বেসরকারি অপারেটররা কুতুবদিয়া গভীর সমুদ্র থেকে বড় জাহাজে এলপিজি আনিয়ে লাইটার জাহাজে খালাস করে নিজের টার্মিনালে সংরক্ষণ ও বিতরণ করে। বিপিসিও একই পদ্ধতিতে বেসরকারি অপারেটরের সুবিধা ব্যবহার করে এলপিজি খালাস ও বণ্টন করতে পারে।

    চিঠিতে প্রস্তাব রয়েছে, এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সঙ্গে আলোচনা করে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের তালিকা, আমদানির পরিমাণ, মূল্য পরিশোধ, খালাস ও বণ্টন প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হবে।

    লোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, “বিভিন্ন কারণে এলপিজি বাজারে সংকট চলছে। বিপিসি যদি আমদানি করে পরিস্থিতি ঠিক করতে পারে, ভোক্তারা উপকৃত হবেন।”

    দেশে এলপিজি বাজারে সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধারা আছে। সরকারি পর্যায়ে সীমিত সরবরাহ করে বিপিসির তিনটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান—পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েল। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে সরকারি পর্যায়ে বিক্রি হয়েছে ১৯ হাজার টন। বাকি চাহিদা পূরণ করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। লোয়াব ও বিপিসি সূত্র বলছে, দেশে ২৩টি কোম্পানির আমদানি সক্ষমতা রয়েছে, তবে মূলত পাঁচ–ছয়টি কোম্পানি বড় পরিসরে আমদানি করে। গত বছর আমদানির পরিমাণ প্রায় ১৮.৫ লাখ টন।

    বেসরকারি পর্যায়ে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের ঘোষিত দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা, তবে বাজারে তা মেলে না। ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় সংকট ও সরবরাহ চাপে দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।

    রাষ্ট্রায়ত্ত এলপিজি গ্যাস ও বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে এলপিজির চাহিদা বছরে প্রায় ১৭ লাখ টন। এর ৮০ শতাংশ রান্নায়, বাকি ২০ শতাংশ শিল্প ও যানবাহনে ব্যবহৃত হয়। প্রতিবছর চাহিদা বাড়ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত এলপিজি গ্যাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালে চাহিদা বছরে ৩০ লাখ টন ছাড়াতে পারে। সরকারি উৎস থেকে সর্বাধিক জোগান হতে পারে ৫০ হাজার টন, যা চাহিদার তুলনায় খুব কম।

    ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা এম শামসুল আলম বলেন, “বিগত সরকারগুলো এলপিজি খাত পুরোপুরি বাণিজ্যিক করে ফেলেছে। ভোক্তাবান্ধব সিদ্ধান্ত জরুরি। প্রয়োজনে সরকারিভাবে আমদানির মাধ্যমে সরবরাহ বাড়াতে হবে।”

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    নতুন আইপিও রুলস: স্বচ্ছ প্রাইসিংয়ে কোম্পানির আগ্রহ বাড়বে

    January 14, 2026
    অর্থনীতি

    ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ছে সরকার: বিডা চেয়ারম্যান

    January 14, 2026
    অর্থনীতি

    ৬ হাজার ৭৫৫ কোটি টাকা খরচের পর বাতিল হলো ২৯ প্রকল্প

    January 14, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.