প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) রুলসে বেশ কয়েকবার সংশোধন আনা হয়েছে। শুরুতে ফিক্স প্রাইস পদ্ধতি থাকলেও পরে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি আনা হয়েছে। কিন্তু কিছু দুর্বলতার কারণে প্রাইসিং স্বচ্ছ হতে পারছিল না। নতুন আইনে সেই সমস্যা দূর করা হয়েছে। এতে কোম্পানিগুলো স্বচ্ছ ও ভালো প্রাইসিং নিয়ে তালিকাভুক্ত হতে আরও আগ্রহী হবে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসির মাল্টিপারপাস হলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক অফার অফ ইকুইটি সিকিউরিটিজ) রুলস, ২০২৫ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংস্থার পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম এ সময় বক্তব্য দেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিএসইসির যুগ্ম পরিচালক শরিফুল আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মো. আবুল কালাম বলেন, “নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানি আনতে উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু ইস্যুয়ার কোম্পানি ও ইস্যু ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা বলে আমরা দেখেছি, ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাইসিংসহ আরও কয়েকটি সমস্যা ছিল।”
তিনি আরও জানান, টাস্কফোর্সের পরামর্শ অনুযায়ী আইপিও রুলস সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। “ইস্যুয়ার কোম্পানিগুলো আমাদের কাছে দাবি জানিয়েছিল প্রাইসিং স্বচ্ছ করার জন্য। এটি না হওয়ায় অনেক ভালো কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসতে আগ্রহ দেখাচ্ছিল না। আমরা সেই জায়গায় গুরুত্ব দিয়ে কাজ শুরু করেছি।”
বিএসইসি মুখপাত্র বলেন, “আইপিও রুলস সংশোধনের কাজ চললেও এ সময়ে আবেদন বন্ধ রাখা হয়নি। তবে গণঅভ্যুত্থানের পর অনেক কোম্পানি আগের রুলসে আবেদন করতে আগ্রহ দেখায়নি। তবে আগের পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫ অনুযায়ী তারা আবেদন করতে পারতেন।”

