Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice Thu, Jan 15, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » মাসিক সঞ্চয়ে ২০ বছরে কোটিপতি হওয়ার পথ
    অর্থনীতি

    মাসিক সঞ্চয়ে ২০ বছরে কোটিপতি হওয়ার পথ

    এফ. আর. ইমরানJanuary 15, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    টাকা
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    একসময় দেশে কোটিপতি হওয়া মানে অনেক বড় বিষয় ছিল। ধনসম্পদের মাইলফলক হিসেবে কোটি টাকা ছিল উচ্চ মানদণ্ড। অর্থাৎ কেউ কোটি টাকার মালিক হলে ধনী হিসেবে বিবেচিত হতেন।

    যাঁরা বিনিয়োগ করতে ভয় পান, তাঁদের পক্ষে কোটিপতি হওয়ার অন্যতম উপায় হলো সঞ্চয়। এখন মাসে মাসে টাকা জমিয়েই কোটিপতি হওয়ার স্কিম দিচ্ছে অনেক ব্যাংক। এমন একটি ব্যাংক হলো এনসিসি ব্যাংক পিএলসি।

    মাসে সর্বনিম্ন ১৩ হাজার ৮০৩ টাকা জমা দিয়ে ২০ বছর শেষে কোটিপতি হওয়া যায় এই ডিপিএসের কল্যাণে। দেখে নেওয়া যাক, এই স্কিমে আপনি কীভাবে টাকা সঞ্চয় করবেন। এই স্কিমের মেয়াদ ২, ৩, ৪, ৫, ১০, ১৫ ও ২০ বছর। এই টাকার ওপর সরকার কর ও শুল্ক কর্তন করবে।

    মাসে জমা কত টাকা

    এই স্কিমে টাকা জমানোর আগে মাসিক কিস্তি ও মেয়াদ দেখে নিতে হবে। সুদের হার ধরা হয়েছে বার্ষিক ১০ শতাংশ। মেয়াদ যত বেশি, মাসিক কিস্তির হার তত কম। মেয়াদ যত কম, মাসিক কিস্তির হার তত বেশি।

    এনসিসি ব্যাংকের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, দুই বছরের মধ্যে কোটিপতি হতে চাইলে আপনাকে প্রতি মাসে ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৪৩৬ টাকা জমা দিতে হবে। এটি বড় কিস্তি, কিন্তু মাত্র দুই বছরে এক কোটি টাকা পাওয়া যাবে।

    তিন বছরে কোটিপতি হতে চাইলে মাসিক কিস্তি কমে দাঁড়ায় ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২৬ টাকা। চার বছরের মেয়াদে এই কিস্তি দাঁড়ায় ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ টাকা। পাঁচ বছরের আরেকটু কমে দাঁড়ায় ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ টাকা।

    এবার দীর্ঘ মেয়াদের চিত্রটা দেখা যাক। ১০ বছরের মেয়াদে কোটিপতি হতে চাইলে মাসে মাত্র ৪৯ হাজার ৬০২ টাকা জমা দিতে হবে। ১৫ বছরের মেয়াদে মাসিক কিস্তি কমে দাঁড়ায় ২৪ হাজার ৮৮১ টাকা। ২০ বছরের মেয়াদে মাসিক কিস্তি দাঁড়ায় ১৩ হাজার ৮০৩ টাকা।

    নিয়মকানুন কী

    এ ধরনের কোটিপতি হওয়ার স্কিমে হিসাব খুলতে কিছু কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়। কিছু নিয়মকানুন ও বৈশিষ্ট্য আছে। যেমন—

    ১. যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক এই হিসাব খুলতে পারবেন।

    ২. অপ্রাপ্ত বয়স্কদের নামেও এই হিসাব খোলা যায়। যতক্ষণ না তার ১৮ বছর পূর্ণ হচ্ছে, ততক্ষণ আইনি অভিভাবক এই হিসাব পরিচালনা করবেন।

    ৩. বাংলাদেশে অনুমোদন পাওয়া সব ধরনের ফার্ম, প্রতিষ্ঠান, সংস্থা ও কোম্পানি এই হিসাব খুলতে পারবে।

    ৪. গ্রাহক এক বা একাধিক হিসাব খুলতে পারেন; একক বা যৌথ নামে।

    ৫. বিনা মূল্যে ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও এসএমএস সেবা।

    ৬. চলতি বা সঞ্চয়ী হিসাব থেকে স্কিম অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর।

    মেয়াদের আগে ভাঙলে কী হবে

    বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের রীতি অনুযায়ী, মেয়াদের আগে এফডিআর ভাঙলে কিছু ক্ষতি হবে। এক্ষেত্রে তা–ই হবে। এনসিসি ব্যাংকের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, ছয় মাসের কম জমার জন্য সুদ পাওয়া যাবে না। অর্থাৎ এত অল্প সময়ের জন্য সুদ পাওয়া যায় না।

    এছাড়া ছয় মাসের বেশি, কিন্তু এক বছরের কম জমার ক্ষেত্রে প্রথম ছয় মাসের জন্য তিন মাসের এফডিআর হার প্রযোজ্য হবে। বাকি সময়ের জন্য সঞ্চয়ী হিসাবের সুদের হার যুক্ত হবে।

    এক বছরের বেশি, কিন্তু দুই বছরের কম জমার ক্ষেত্রে প্রথম এক বছরের জন্য ছয় মাসের এফডিআর হার প্রযোজ্য হবে। বাকি সময়ের জন্য সঞ্চয়ী হিসাবের সুদ প্রযোজ্য হবে।

    দুই বছরের বেশি, কিন্তু ৩, ৪, ৫, ১০, ১৫ ও ২০ বছরের কম সময়ের জন্য প্রতিটি পূর্ণ বছরের জন্য এক বছরের এফডিআর হার প্রযোজ্য হবে। বাকি সময়ের জন্য সঞ্চয়ী হিসাবের সুদ প্রযোজ্য হবে।

    কী লাগবে

    হিসাব খুলতে সাধারণত যেসব কাগজপত্র লাগে, এ ক্ষেত্রেও তা–ই লাগবে। আপনার নিজের ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), নমিনির ছবি ও এনআইডি এবং ওই ব্যাংকে হিসাব আছে, এমন একজন পরিচয়দানকারী। ফরমের নির্দিষ্ট স্থানে সবার স্বাক্ষর লাগবে। জরুরি প্রয়োজনে ব্যাংক যোগাযোগ করবে, এমন একজনের নাম–ঠিকানাও দিতে হবে।

    সতর্কতা

    বাজারে বিভিন্ন ব্যাংক নানা ধরনের সঞ্চয় অফার দেয়। তাই সঞ্চয় করার আগে ব্যাংকের আর্থিক স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ধরনের বৈশিষ্ট্য দেখে সঞ্চয় বা বিনিয়োগে যাওয়া উচিত, তা না হলে দুর্বল ব্যাংকে বিনিয়োগ করে বিপাকে পড়তে পারেন গ্রাহক।

    এছাড়া সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি প্রথমে মাথায় রাখা উচিত সেটি হলো— খরচের আগেই আয় থেকে সঞ্চয় আলাদা করা। অর্থাৎ ব্যয়ের পর আপনি সঞ্চয় করবেন, তা নয়; বরং আগে ঠিক করুন, কত টাকা সঞ্চয় করবেন—এরপর ব্যয় করুন। টাকা জমানোর পাশাপাশি বুঝেশুনে কিছু বিনিয়োগও করা যেতে পারে। সঞ্চয়ের পরিমাণ অল্প হলেও নিয়মিত সঞ্চয় করুন। আয় বাড়াতে না পারলে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে সঞ্চয়ের পরিমাণ বাড়ান।

    এই চর্চা নিয়মিত করলে একসময় দেখা যাবে, সাধ্যের মধ্যেও প্রয়োজনীয় সঞ্চয় করা সম্ভব।

    সূত্র: প্রথম আলো

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে রাজশাহী চেম্বারের নির্বাচন স্থগিত

    January 15, 2026
    অর্থনীতি

    ছয় মাসে এডিপি বাস্তবায়ন মাত্র ১৮ শতাংশ

    January 15, 2026
    অর্থনীতি

    বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি ভূ-অর্থনৈতিক সংঘাত

    January 15, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি August 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত January 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত April 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি August 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.