Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, আগস্ট 5, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সামনে বহু চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে
    অর্থনীতি

    সামনে বহু চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে

    মনিরুজ্জামানফেব্রুয়ারি 19, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    নির্বাচনে বিপুল ভোট লাভ করে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। দলের নির্বাচনী ইশতেহার জনমনে উন্মুক্ত প্রত্যাশার বাতাবরণ সৃষ্টি করেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব প্রতিশ্রুতি স্বল্প সময়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।

    নতুন সরকার ইতোমধ্যেই জানিয়েছে, ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসা হবে তাদের লক্ষ্য কিন্তু নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের জন্য যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হবে, তা সংগ্রহ করা মোটেই সহজ নয়। এজন্য বাজেট ঘাটতি সীমিত রাখতে হবে, কাঠামোগত সংস্কার আনা দরকার এবং ব্যাংকিং খাতের সমস্যার সমাধান করতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ভর্তুকি কমানোও জরুরি।

    অর্থনীতিকে সাধারণ মানুষের জন্য সহনশীল করা হবে—এটাই মূল চ্যালেঞ্জ। জনমানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারের সিদ্ধান্ত নিতে হবে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে।

    বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, “বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহারে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এগুলো এক ধরনের আকাশচুম্বী প্রত্যাশা তৈরি করেছে। স্বল্প সময়ে সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করা সম্ভব নয়। মূল পরীক্ষা হবে অর্থবছর ২০২৭-এর বাজেট। আর মাত্র দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে এটি চূড়ান্ত করতে হবে।”

    নির্বাচনের আগে বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তার বেশিরভাগই সরাসরি বাজেটে প্রভাব ফেলে। ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম চালু, কৃষি ঋণ মওকুফ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধিও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত। এগুলো বাস্তবায়ন করতে প্রয়োজনীয় অর্থের যোগাড় করা মোটেই সহজ নয়। কারণ একই ইশতেহারে বিএনপি জানিয়েছে, তারা ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে।

    অর্থাৎ বাজেট ঘাটতি সীমিত রাখতে হবে। ব্যয় বৃদ্ধি সম্ভব হবে শুধু রাজস্ব আয় বৃদ্ধি হলে, না হলে ঘাটতি আরও বেড়ে যাবে। অর্থাৎ আয়, ব্যয় এবং ঘাটতির মধ্যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সমন্বয় করা সহজ নয়। এই ব্যালান্সিং এবং জনমানুষের প্রত্যাশার বাস্তবসম্মত ব্যবস্থাপনাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।

    বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, “সরকার পাঁচ বছরের ইশতেহার দিয়েছে। আগে থেকে স্পষ্ট হতে হবে যে, এক বছরে সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয়। সরকারের কাজ হলো মানুষের প্রত্যাশাকে পুরোপুরি ছিন্ন না করা। একই সঙ্গে আকাশচুম্বী প্রত্যাশাকে বাস্তবে নামিয়ে আনার পথ বের করতে হবে। রাজস্ব আয় না বাড়লে পরের বছরও প্রতিশ্রুতি পূরণ কঠিন হবে। স্থায়ী রাজস্ব বৃদ্ধি সম্ভব অর্থনীতির আকার বৃদ্ধি এবং কর্মকাণ্ডে চাঞ্চল্য আনলে। এতে কর আদায় বাড়বে। এজন্য কাঠামোগত সংস্কারে হাত দিতে হবে—বিশেষ করে ব্যাংকিং, বিদ্যুৎ-জ্বালানি, ট্রেড লজিস্টিক এবং ব্যবসায়িক নিয়ন্ত্রণ খাতে।”

    তিনি আরও জানান, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বর্তমান লোকসান প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা, যা অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। লোকসান কমাতে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে হবে, তবে এ ক্ষেত্রে জনজীবনে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। মূল্যস্ফীতি ইতোমধ্যেই উচ্চ, তাই জনগণ দাম বৃদ্ধিকে সহজে গ্রহণ করবে না। এ ছাড়া বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করে খরচ নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

    জাহিদ হোসেনের মতে, কাঠামোগত সংস্কারের জন্য নতুন কিছু তৈরি করার প্রয়োজন নেই। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গত দেড় বছরে বিদ্যুৎ, ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন খাতের জন্য বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। বিএনপি ইশতেহারে জানিয়েছে, তারা একটি ইকোনমিক রিফর্ম কমিশন গঠন করবে। এই কমিশন পুরনো প্রতিবেদন ব্যবহার করে অগ্রাধিকারের তালিকা তৈরি করতে পারবে, যেখানে কোন সংস্কার আগে করতে হবে তা নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের জন্য একটি স্বাধীন বা তৃতীয় চোখের মত টাস্কফোর্স রাখা হবে। এটি সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তব পরিস্থিতি রিপোর্ট করবে।

    পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, “নতুন সরকারের বেশিরভাগ মন্ত্রণালয় অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা আমাদের প্রত্যাশাগুলো তারা বাস্তবায়ন করবেন বলে আমরা আশাবাদী। বিশেষ করে অর্থ, বাণিজ্য ও শ্রম মন্ত্রণালয়—এই তিন মন্ত্রণালয়কে ঘিরেই ব্যবসায়ীদের আগ্রহ। আমরা বিশ্বাস করি, যারা দায়িত্বে আছেন তারা সফলভাবে তা পরিচালনা করবেন। বিএনপি সরকার আমাদের সঙ্গে সময়মতো আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

    এটি অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে তুলনা করলে ভিন্ন, কারণ তারা আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি। তার কারণে দেশের অর্থনীতি বর্তমানে স্থবির, বিনিয়োগ নেই, এবং একটার পর একটা গার্মেন্টস বন্ধ হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভুলনীতির কারণে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অতীতে বিএনপি সরকারের সময় পোশাক খাত দ্রুত উন্নতি করেছিল; আমরা আশা করি, বর্তমান সরকারের সময়ও সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।”

    যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির বলেন, “নতুন সরকারের প্রথম কাজ হলো দেশে আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। অর্থনীতিকে সাধারণ মানুষের জন্য সহনশীল ও স্থিতিশীল করতে হবে। সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ হলো তরুণ প্রজন্ম, যারা ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল। প্রতি বছর দেশের কর্মসংস্থানের বাজারে ২০ লাখ তরুণ প্রবেশ করছে, ফলে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই তরুণদের প্রত্যাশা পূরণ করতে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। ন্যায্যতা বজায় রেখে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলা জুলাই আন্দোলনের মূল ইস্যু ছিল। সরকারের পক্ষ থেকে এসব বিষয়ে নীতিগত নির্দেশনা আসা উচিত।

    বিএনপি যদি দীর্ঘমেয়াদি রাজনীতি করতে চায়, তবে তাদের নতুন ধরনের গঠনমূলক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যেতে হবে। সবার সঙ্গে আলোচনা করে একটি কমন ন্যাশনাল এজেন্ডা তৈরি করে তা শান্তিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রতিপক্ষকে ঠেকানোর রাজনীতির সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হবে। আগামী তিন বছরে আমরা উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছানোর লক্ষ্য রাখছি। তখন অভ্যন্তরীণ সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় সহযোগিতা অপরিহার্য হবে।”

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    আগস্টের প্রথম তিন দিনেই এলো ৪০৬ মিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স

    আগস্ট 4, 2026
    অর্থনীতি

    সৌদি নেতৃত্বাধীন সামুদ্রিক জোটে বাংলাদেশ: এর অর্থ কী?

    আগস্ট 4, 2026
    অর্থনীতি

    আবারও বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

    আগস্ট 4, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.