ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসা ঘুরে দাঁড়াতে নতুন সহায়তা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণ পুনঃতফসিল বা পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে ডাউন পেমেন্ট পরিশোধের নিয়ম শিথিল করা হয়েছে। এতে এককালীন বড় অঙ্ক জমা দেওয়ার চাপ কমবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে পুনঃতফসিলের আবেদন করতে হলে নির্ধারিত ডাউন পেমেন্ট পুরোটা একসঙ্গে পরিশোধ করতে হতো। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন আবেদন করার সময় গ্রাহক নির্ধারিত ডাউন পেমেন্টের ৫০ শতাংশ জমা দিতে পারবেন। বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর হওয়ার পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে পরিশোধ করা যাবে। ফলে আর্থিক চাপে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো কিছুটা সময় ও স্বস্তি পাবে।
গতকাল রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ব্যাংকগুলোতে পাঠানো এক চিঠিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ নির্দেশনা জানায়। এতে বলা হয়েছে, ঋণ পুনঃতফসিল বা রিস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে ডাউন পেমেন্ট আদায়ে নতুন এই পদ্ধতি কার্যকর হবে।
এছাড়া নীতি-সহায়তা কমিটির অনুমোদন পাওয়া কিন্তু যৌক্তিক কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুবিধা বাস্তবায়ন করতে না পারা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অতিরিক্ত তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে। যেসব ব্যাংক এখনো কিছু গ্রাহকের নীতি-সহায়তা সুবিধা কার্যকর করেনি, তারাও এই বাড়তি সময় পাবে। সুদ মওকুফের বিষয়েও চিঠিতে দিকনির্দেশনা রয়েছে। বিদ্যমান নীতিমালার আওতায় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্ক বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, অনেক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী একসঙ্গে দুই শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিতে সমস্যায় পড়ছেন। তাই ৫০ শতাংশ আবেদনকালে এবং বাকি ৫০ শতাংশ ছয় মাস পর দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের পুনর্গঠনের পথ সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

