Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, সেপ্টে. 28, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ২৮ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ ১৪ শিক্ষক, সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অচলাবস্থা
    শিক্ষা

    ২৮ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ ১৪ শিক্ষক, সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অচলাবস্থা

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 28, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্তির দাবিতে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষার্থীদের অবরোধ ২৮ ঘণ্টা পেরিয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর তিনটা পর্যন্ত প্রশাসনিক ভবনে দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ ১৪ শিক্ষক অবরুদ্ধ ছিলেন। কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

    রোববার সকাল ১১টার দিকে প্রশাসনিক ভবন অবরোধ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এখন তাঁরা কলেজের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে সেখানেই অবস্থান করছেন। তাঁদের ঘোষণা, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে ক্যাম্পাস থেকে বের হতে দেওয়া হবে না। নতুন কাউকে ঢুকতেও দেওয়া হবে না। তবে ভেতরে থাকা শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের খাবার নেওয়ায় তাঁরা কোনো বাধা দিচ্ছেন না।

    পরিস্থিতি সামাল দিতে সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কলেজে যান সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাঈদা পারভীন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আন্দোলনকারীরা জানান, তিনি তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে তাৎক্ষণিক কোনো সমাধান হয়নি। পরে তিনি শিক্ষার্থীদের ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান জানান।

    এর মধ্যে রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ কলেজের অধ্যক্ষ বদলের সিদ্ধান্ত নেয়। মো. সাহিদ ইকবালকে অধ্যক্ষের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই আদেশে এতদিন অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সহযোগী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামানকে ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বদলি করা হয়। সাহিদ ইকবাল আগেও এই কলেজে কর্মরত ছিলেন, পরে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে যোগ দেন।

    সোমবার নতুন অধ্যক্ষের দায়িত্ব নেওয়ার কথা ছিল। তিনি সিলেটে পৌঁছালেও এখনো কলেজে যাননি। সাহিদ ইকবাল বলেন, তিনি সিলেটেই আছেন এবং পরিস্থিতি অনুকূল হলে কলেজে গিয়ে দায়িত্ব নিতে চান। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে বলে তিনি জানান।

    তবে অধ্যক্ষ বদলে আন্দোলন থামেনি। কারণ আসাদুজ্জামানের অপসারণ বা বদলি শিক্ষার্থীদের দাবির অংশই ছিল না। তাঁরা বলছেন, আন্দোলন কোনো ব্যক্তিকে ঘিরে নয়। এক অধ্যক্ষের জায়গায় আরেকজন এলে প্রশাসনিক কাঠামো বদলায় না। তাই এ সিদ্ধান্তকে তাঁরা দাবির সমাধান মনে করছেন না।

    শিক্ষার্থীদের মূল দাবি, সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ থেকে বের করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি ইনস্টিটিউট হিসেবে নেওয়া। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তাঁরা।

    আন্দোলনকারীদের ভাষ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই সিলেটসহ দেশের সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোকে অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে বের করার দাবিতে তাঁরা আন্দোলন করে আসছেন। তখন অনশনসহ নানা কর্মসূচি হয়। এরপর বিষয়টি পর্যালোচনায় একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি হয়। তাঁদের দাবি অনুযায়ী, কমিটি কলেজগুলোকে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (আইআইটি) ধরনের কাঠামোয় নেওয়ার সুপারিশ করেছিল। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরও কাজ এগিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছিল। তবে সরকার পরিবর্তনের পর সেই প্রক্রিয়া আর এগোয়নি বলে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ।

    সম্প্রতি কলেজের একটি বিভাগে এক শিক্ষককে উচ্চতর পদে দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগ ঘিরে নতুন করে অসন্তোষ দেখা দেয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার অধীনে নিয়োগ পাওয়া কিছু শিক্ষকের একাডেমিক পটভূমি এবং বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পর্যায়ে তাঁদের দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে তাঁদের দীর্ঘদিনের আপত্তি রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পদায়ন নিয়ে শিক্ষার্থীদের এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

    শিক্ষক অবরুদ্ধ থাকা এবং নতুন অধ্যক্ষ যোগ দিতে না পারায় কলেজের অচলাবস্থা কাটার লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের মূল দাবির বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটিই এখন নির্ধারণ করবে এ সংকটের পরিণতি।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    কক্সবাজার বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক টার্মিনালের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু

    সেপ্টেম্বর 28, 2026
    বাংলাদেশ

    বন্ধ পাটকল ফের চালুর উদ্যোগ, কর্মসংস্থানের আশা ৫০ হাজার মানুষের

    সেপ্টেম্বর 28, 2026
    বাংলাদেশ

    গুলিস্তানের শহীদ মতিউর রহমান পার্কে দিনে পার্কিং ব্যবসা, রাতে ভ্যানের গ্যারেজ

    সেপ্টেম্বর 28, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.