Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মে 13, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » হরমুজ প্রণালিতে ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ ঘিরে নতুন সংঘাতের আশঙ্কা
    আন্তর্জাতিক

    হরমুজ প্রণালিতে ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ ঘিরে নতুন সংঘাতের আশঙ্কা

    নিউজ ডেস্কUpdated:মে 5, 2026মে 5, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    হরমুজ প্রণালি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় ধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আটকে থাকা জাহাজগুলোকে নিরাপদে বের করে আনার কথা বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে নতুন সামরিক অভিযান ঘোষণা করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যের সময় অনুযায়ী গতকাল সোমবার সকালে এ অভিযান শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে এই উদ্যোগকে সরল উদ্ধার অভিযান হিসেবে দেখছে না ইরান। তেহরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনীর যে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপকে তারা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করবে।

    পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে, কারণ এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালির কাছে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর ছড়িয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় মার্কিন নৌযানে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। তবে ওয়াশিংটন এই হামলার খবর অস্বীকার করেছে। একই সময়ে দুটি তেলের ট্যাঙ্কারে হামলার খবরও সামনে এসেছে, যা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।

    ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে ওয়েলপ্রাইস ডটকম জানায়, গতকাল সোমবার সকালে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজে ইরানের দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ২ দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়ে যায়। এর ফলে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১১১ দশমিক ১২ ডলারে পৌঁছে। জ্বালানি বাজারের এ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে দেয়, হরমুজ প্রণালি শুধু আঞ্চলিক সামরিক সংকটের বিষয় নয়; এটি সরাসরি বৈশ্বিক অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বাণিজ্য প্রবাহের সঙ্গে জড়িত।

    ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রকে বারবার সতর্ক করা হলেও মার্কিন নৌযান সেই সতর্কতা মানেনি। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, মার্কিন জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং পরে সেটি ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এ দাবি অস্বীকার করেছে, তবু ঘটনাটি দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনার মাত্রা কতটা বেড়েছে, তা স্পষ্ট করে।

    এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত দাবি করেছে, ইরান তাদের ওপর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ফুজেইরাহতে একটি তেল স্থাপনায় আগুন ধরে যায়। সংযুক্ত আরব আমিরাত আরও জানায়, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে তারা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকিয়েছে। আলজাজিরার তথ্য অনুযায়ী, এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। হামলার নিন্দা জানিয়েছেন কাতারের আমির। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। জর্ডানও এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে।

    এই সংকটের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক কিমিট ভিন্ন ধরনের অবস্থান তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সরে আসা এবং ওই অঞ্চলের দেশগুলোকে ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর সুযোগ দেওয়া। তাঁর বক্তব্য বর্তমান পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো সংকট কমাবে, নাকি আরও বড় সংঘাতে রূপ নেবে—তা নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠছে।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা জাহাজগুলোকে মুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য চেয়েছে। তিনি এসব দেশকে সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে ‘নিরপেক্ষ ও নিরীহ দর্শক’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য হলো ওই সীমাবদ্ধ জলপথ থেকে জাহাজগুলোকে নিরাপদে বের করে আনা। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, এই জাহাজ চলাচলের উদ্দেশ্য হলো সেই ব্যক্তি, সংস্থা ও দেশগুলোকে মুক্ত করা, যারা কোনো ভুল করেনি, বরং পরিস্থিতির শিকার হয়েছে।

    কিন্তু ট্রাম্পের ভাষা শুধু উদ্ধারকেন্দ্রিক ছিল না; সেখানে কঠোর সামরিক হুঁশিয়ারিও ছিল। পরে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হরমুজ নিয়ে ইরান যদি বাধা সৃষ্টি করে, তবে দেশটিকে ‘পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা’ হবে। তিনি আরও বলেন, আগের তুলনায় এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে অনেক বেশি অস্ত্র ও বিস্ফোরক রয়েছে। এমন বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে, কারণ ইরানও ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালিকে নিজের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা স্বার্থের অংশ হিসেবে দেখছে।

    প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালিয়ে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে সপরিবারে হত্যা করে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র। একই দিনে মিনাব শহরে একটি স্কুলে বোমা ফেলে দেড় শতাধিক শিশুকে হত্যা করা হয়। এরপর পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হলে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের ২০ শতাংশ এ প্রণালি দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় এর প্রভাব দ্রুত জ্বালানি বাজারে পড়ে। জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের স্পিরিট এয়ারলাইন্সের সেবা বন্ধ হয়ে গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে স্বল্প আয়ের মার্কিন নাগরিকেরা সেবাবঞ্চিত হচ্ছেন এবং হাজার হাজার মানুষ বেকার হয়ে পড়ছেন।

    এই প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি এখন ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপের কারণ হয়ে উঠেছে। ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, যুদ্ধের কারণে আনুমানিক দুই হাজার জাহাজ হরমুজে আটকা পড়ে আছে। এ সংখ্যা শুধু একটি নৌ-সংকটের চিত্র নয়; এটি বিশ্ববাণিজ্যের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সম্ভাব্য বড় চাপের ইঙ্গিত দেয়। কারণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে শুধু তেল নয়, বহু দেশের বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনও নির্ভরশীল।

    মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, তারা ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। এ অভিযানে ১৫ হাজার সেনা অংশ নেবে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি থাকবে ক্ষেপণাস্ত্রবিধ্বংসী ডেস্ট্রয়ার এবং শতাধিক যুদ্ধবিমান। সেন্টকম বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য তারা ৪ মে থেকে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডমে’ সহায়তা দেওয়া শুরু করবে।

    তবে ইরান এই পদক্ষেপকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে। আলজাজিরার তথ্য অনুযায়ী, ইরানের জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক ও আইনপ্রণেতা ইব্রাহিম আজিজি গতকাল বলেন, বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনীর যে কোনো হস্তক্ষেপকে তেহরান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে দেখবে। এর আগে তিনি বিবিসি তেহরানকে বলেন, হরমুজ ইরানের মৌলিক অধিকার। এই পথ দিয়ে কী হবে, সে সিদ্ধান্ত ইরানের। জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টিও এর মধ্যে পড়ে।

    এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, ইরান হরমুজকে শুধু আন্তর্জাতিক নৌপথ হিসেবে দেখছে না; বরং জাতীয় নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক প্রভাবের প্রশ্ন হিসেবেও বিবেচনা করছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টিকে নৌচলাচলের স্বাধীনতা ও বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তার প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরছে। এই দুই অবস্থানের সংঘর্ষই বর্তমান সংকটকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে।

    আলজাজিরা আরও জানায়, ট্যাঙ্কারে হামলার কথা সংযুক্ত আরব আমিরাত স্বীকার করেছে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেশটির সরকারের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা এ হামলার নিন্দা জানান। আরেকটি ট্যাঙ্কার দক্ষিণ কোরিয়ার বলে জানা গেছে। তবে দক্ষিণ কোরিয়া এখনো হামলার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। ট্যাঙ্কার হামলার ঘটনা নিশ্চিত হলে এর প্রভাব শুধু আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং জ্বালানি পরিবহন, বীমা খরচ, সমুদ্রপথের ঝুঁকি এবং বৈশ্বিক বাজারে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।

    গতকাল সোমবার আলজাজিরা জানায়, হরমুজ প্রণালি এলাকায় মার্কিন নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ারগুলোর ওপর নজরদারি করার পর ইরান সতর্কবার্তা জারি করে এবং সতর্কতামূলক গুলি চালায়। তেহরান বলেছে, এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ডের পরিণতি যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শত্রুর ওপর বর্তাবে। ইরানের সেনাবাহিনীর জনসংযোগ দপ্তরের ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলো ওমান সাগরে তাদের রাডার বন্ধ করে দেয় এবং হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে।

    ইরানের দাবি, রাডার পুনরায় চালু করার পরপরই মার্কিন জাহাজগুলোকে শনাক্ত করা হয় এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঝুঁকি সম্পর্কে ইরানের নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে রেডিও সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। কিন্তু মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলো সেই সতর্কতা উপেক্ষা করে। এরপর ইরানের নৌবাহিনী শত্রু জাহাজগুলোর কাছে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট ও সতর্কতামূলক গুলি চালিয়ে আরও কঠোর সতর্কবার্তা দেয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এই সামরিক মুখোমুখি অবস্থান অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারণ হরমুজ প্রণালি ভৌগোলিকভাবে সংকীর্ণ হলেও তার কৌশলগত গুরুত্ব বিশাল। এখানে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি, রাডার বন্ধ রাখা, সতর্কবার্তা উপেক্ষা করা বা ভুল লক্ষ্য নির্ধারণ—যে কোনো ঘটনা দ্রুত বড় সামরিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। বিশেষ করে যখন দুই পক্ষই নিজেদের অবস্থান থেকে পিছিয়ে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে না, তখন দুর্ঘটনাও যুদ্ধের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

    এ অবস্থায় কূটনৈতিক পথ খোলা রাখার আহ্বান এসেছে জার্মানির পক্ষ থেকে। জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ওয়াডেফুল বলেছেন, তিনি তাঁর এক ইরানি সহকর্মীকে কঠোরভাবে পরামর্শ দিয়েছেন, তেহরানকে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। গ্রিসের এথেন্সে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ইউরোপে ন্যাটোর প্রতিরোধ সক্ষমতায় যে ঘাটতি দেখা দেবে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

    সব মিলিয়ে হরমুজ সংকট এখন তিনটি বড় স্তরে প্রভাব ফেলছে। প্রথমত, সামরিক স্তরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সরাসরি মুখোমুখি অবস্থানে চলে যাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক স্তরে জ্বালানি তেলের দাম, সমুদ্রপথের নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা চাপের মুখে পড়ছে। তৃতীয়ত, কূটনৈতিক স্তরে আঞ্চলিক দেশগুলো, ইউরোপ এবং বৈশ্বিক শক্তিগুলো নতুন করে হিসাব কষতে বাধ্য হচ্ছে।

    ট্রাম্প প্রশাসন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডমকে’ আটকে পড়া জাহাজ উদ্ধারের অভিযান হিসেবে তুলে ধরলেও ইরান একে নিজেদের নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণের ওপর হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে। ফলে প্রশ্ন হলো, এই অভিযান কি সত্যিই জাহাজগুলোকে নিরাপদে বের করে আনবে, নাকি হরমুজ প্রণালিকে আরও বড় যুদ্ধের দরজায় নিয়ে যাবে?

    বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো, দুই পক্ষই শক্তির ভাষায় কথা বলছে। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে। ইরান বলছে, হরমুজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাদের। আর মাঝখানে আটকে আছে হাজারো জাহাজ, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এবং কোটি কোটি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়। তাই হরমুজ প্রণালি এখন শুধু একটি জলপথ নয়; এটি বিশ্ব রাজনীতি, যুদ্ধনীতি ও অর্থনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

    সিভি/এইচএম

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    মার্কিন-ইরান সমঝোতায় নতুন মধ্যস্থতাকারী হতে পারে চীন

    মে 12, 2026
    মতামত

    বাণিজ্য বিরোধ, তাইওয়ান ও ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্র ও চীন কি কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে?

    মে 12, 2026
    আন্তর্জাতিক

    লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২ চিকিৎসাকর্মী

    মে 12, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.