Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, জুন 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিশ্বজুড়ে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন ১২০ কোটি মানুষ
    আন্তর্জাতিক

    বিশ্বজুড়ে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন ১২০ কোটি মানুষ

    নিউজ ডেস্কমে 24, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিশ্বজুড়ে মানসিক রোগ এখন সবচেয়ে বিস্তৃত স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে উদ্বেগজনক এই চিত্র। এতে বলা হয়েছে, বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ১২০ কোটির বেশি মানুষ কোনো না কোনো মানসিক রোগে ভুগছেন।

    বিশ্বখ্যাত স্বাস্থ্যবিষয়ক সাময়িকী ‘ল্যানসেট’-এ প্রকাশিত এই গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে মানসিক রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২০ কোটি। ১৯৯০ সালের তুলনায় এই সংখ্যা প্রায় ৯৫ শতাংশ বেশি। গবেষণায় বলা হয়েছে, সংক্রমণজনিত রোগ যেমন ইবোলা বা হ্যান্টাভাইরাস নয় বরং মানসিক রোগই এখন সবচেয়ে বিস্তৃত স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে উঠেছে।

    গবেষণায় দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে উদ্বেগজনিত সমস্যা এবং মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার বা গভীর বিষণ্নতা। উদ্বেগজনিত রোগ বেড়েছে প্রায় ১৫৮ শতাংশ এবং গভীর বিষণ্নতা বেড়েছে প্রায় ১৩১ শতাংশ। এই দুই ধরনের মানসিক সমস্যা এখন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিস্তৃত রোগের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে।

    সবচেয়ে সাধারণ মানসিক রোগ: গবেষণায় মোট ১২ ধরনের মানসিক রোগকে সবচেয়ে সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—

    • উদ্বেগজনিত রোগ
    • গভীর বিষণ্নতা
    • দীর্ঘস্থায়ী বিষণ্নতা ডিসথাইমিয়া
    • দ্বিমেরু মানসিক ব্যাধি
    • স্কিজোফ্রেনিয়া
    • অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার
    • আচরণগত সমস্যা
    • অ্যাটেনশন ঘাটতি ও অতিসক্রিয়তা সমস্যা
    • খাদ্যাভ্যাসজনিত অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা
    • বুলিমিয়া নার্ভোসা
    • ইডিওপ্যাথিক বিকাশজনিত বুদ্ধিবৈকল্য
    • এবং অন্যান্য মানসিক রোগ

    কারা বেশি ঝুঁকিতে:

    গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যাটেনশন ঘাটতি ও অতিসক্রিয়তা সমস্যা এবং বিকাশজনিত বুদ্ধিবৈকল্যের হার কিছুটা কমেছে। তবে বাকি বেশিরভাগ মানসিক রোগই দ্রুত বাড়ছে।

    নারীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, দ্বিমেরু ব্যাধি এবং খাদ্যাভ্যাসজনিত সমস্যার হার তুলনামূলকভাবে বেশি। অন্যদিকে শিশু ও কিশোরদের মধ্যে অ্যাটেনশন ঘাটতি ও অতিসক্রিয়তা সমস্যা, অটিজম এবং আচরণগত সমস্যার প্রবণতা বেশি দেখা গেছে। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, মানসিক রোগের সবচেয়ে বড় চাপ পড়ছে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের ওপর।

    উন্নত দেশেই প্রভাব বেশি:

    গবেষণাটি ২০৪টি দেশ ও অঞ্চলের তথ্য বিশ্লেষণ করে করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, প্রায় সব দেশেই মানসিক রোগের সংখ্যা বাড়ছে। তবে উন্নত দেশগুলোতে এর প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি। ‘মানসিক রোগের কারণে হারানো জীবনকাল’ সূচক অনুযায়ী নেদারল্যান্ডসে প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৫৫৫ জন মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। একই সূচকে ভিয়েতনামে এই সংখ্যা ১ হাজার ৩০২ জন।

    মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে গড়ে ১ হাজার ৮৫৩ জন মানসিক রোগে আক্রান্ত। আর ধনী ও উন্নত দেশগুলোতে এই হার আরও বেশি, প্রতি লাখে ২ হাজার ১৮৪ জন।

    কেন বাড়ছে মানসিক রোগ:

    বিশ্বজুড়ে মানসিক রোগের সংখ্যা দ্রুত বাড়ার পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ এককভাবে চিহ্নিত করা কঠিন বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। গবেষণার প্রধান ড. ডামিয়ান স্যান্টোমাউরো সিএনএনকে দেওয়া এক বক্তব্যে বলেন, এর পেছনে বহু ধরনের কারণ কাজ করছে। তবে কোনটি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে, তা আলাদা করে বলা কঠিন।

    অন্যদিকে গবেষণা দলের সদস্য ড. রবার্ট ট্রেস্টম্যান ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। তার মতে, মানসিক রোগ নিয়ে সমাজে আগের মতো ভয় বা সংকোচ এখন অনেকটাই কমে এসেছে। মানুষ এখন নিজের মানসিক সমস্যার কথা আগের চেয়ে বেশি খোলাখুলিভাবে প্রকাশ করছে। তিনি মনে করেন, এই পরিবর্তন অনেক ক্ষেত্রে রোগীর সংখ্যা বেশি দেখানোর একটি বড় কারণ হতে পারে।

    তবে অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, মানসিক রোগ নির্ণয়ের হার বাড়ার পেছনে অতিরিক্ত রোগ শনাক্তকরণ বা ওভার-ডায়াগনোসিস একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। ইংল্যান্ডের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে মানসিক রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি হয়েছে। ২০১৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ৪০ লাখের কিছু কম, যা ২০২৫ সালে প্রায় ৯০ লাখে পৌঁছেছে।

    বিশেষ করে অটিজম ও এডিএইচডি নির্ণয়ের হার বৃদ্ধিকে এই সংখ্যার বড় কারণ হিসেবে দেখছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং। তিনি গত ডিসেম্বরে বলেন, এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মাত্রায় রোগ নির্ণয় হচ্ছে। এ বিষয়ে একটি সরকারি পর্যালোচনার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    বিবিসির একটি জরিপে ৭৫০ জন ব্রিটিশ চিকিৎসকের মতামত নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৪৪২ জন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই অবস্থানের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। অন্যদিকে ৮১ জন চিকিৎসক মনে করেন, এখনো অনেক ক্ষেত্রে মানসিক রোগ কম নির্ণয় হচ্ছে। একজন চিকিৎসক বিবিসিকে বলেন, মানুষ যেন ভুলে যেতে শুরু করেছে যে জীবন সবসময় সহজ নয়। মানসিক কষ্ট বা মন খারাপ হওয়া জীবনের স্বাভাবিক অংশ, যা মোকাবিলা করেই মানুষকে এগোতে হয়।

    ২০২২ সালের এক গবেষণায় অস্ট্রেলিয়ার গবেষকেরা সতর্ক করে বলেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানে অনেক সময় স্বাভাবিক আচরণকেও রোগ হিসেবে চিহ্নিত করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

    তাদের মতে, আগে যেসব আচরণকে সাধারণ বা বয়সভিত্তিক স্বাভাবিক বিষয় হিসেবে দেখা হতো, এখন সেগুলোকে অনেক ক্ষেত্রে মানসিক রোগ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়, কোনো শিক্ষার্থী ক্লাসে অস্থির আচরণ করলেই তাকে সহজে এডিএইচডি রোগী হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে, যা সবসময় সঠিক নাও হতে পারে।

    ওষুধ কোম্পানির ‘মহা-বাণিজ্য’:

    বিশ্বজুড়ে মানসিক রোগের চিকিৎসায় অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। তবে এর পেছনে ওষুধ কোম্পানির বাণিজ্যিক স্বার্থ এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার ভূমিকা নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন। বিবিসির সঙ্গে কথা বলা এক চিকিৎসক জানান, অনেক সময় তারা খুব দ্রুত বিষণ্নতা দূর করার ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন। যদিও তারা জানেন, এসব ওষুধ অনেক ক্ষেত্রে শুধু সাময়িক উপশম দেয় এবং পুরোপুরি নিরাময় নিশ্চিত করে না।

    ‘দ্য ফার্মাসিউটিক্যাল জার্নাল’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডে প্রায় ১৪ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষের জন্য অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধের প্রেসক্রিপশন দেওয়া হয়েছে। শিশুদের ক্ষেত্রেও এই ব্যবহার বেড়েছে। ২০১৫ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে এই ওষুধ ব্যবহারের হার অন্তত ৪১ শতাংশ বেড়েছে।

    আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট। ২০০০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নে অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ব্যবহারের হার বেড়েছে প্রায় ১৪৭ শতাংশ। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে এই বৃদ্ধি ছিল প্রায় ৬৫ শতাংশ। এই পরিসংখ্যানগুলোকে কেন্দ্র করে সমালোচকেরা বলছেন, মানসিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা ব্যবস্থার বিস্তারের সঙ্গে ওষুধ কোম্পানির ব্যবসাও সমানতালে বেড়েছে।

    ‘ফরচুন’ ম্যাগাজিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বে অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধের বাজার দাঁড়াতে পারে প্রায় ১৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, রোগ নির্ণয়ের হার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বড় ওষুধ কোম্পানিগুলোর মুনাফাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর পেছনে একটি বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি একই সঙ্গে বাজারে চাহিদাও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

    ১৯৮০-এর দশকে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের ওপর প্রভাব বিস্তার করে—এমন অভিযোগও রয়েছে। সেই সময় বিষণ্নতাকে সাময়িক মন খারাপ হিসেবে না দেখে একটি রোগ বা ডিসঅর্ডার হিসেবে সংজ্ঞায়িত করার প্রবণতা তৈরি হয়, যার জন্য ওষুধ প্রয়োজন বলে বিবেচিত হয়।

    এরপর ‘এসএসআরআই’ নামের নতুন প্রজন্মের অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধ বাজারে আসে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, এসব ওষুধের কার্যকারিতা সংক্রান্ত প্রাথমিক গবেষণার কিছু অংশ ওষুধ কোম্পানির অর্থায়নে প্রভাবিত ছিল। বড় কয়েকটি ওষুধ কোম্পানির বিরুদ্ধে ডাক্তারদের প্রভাবিত করার অভিযোগও ওঠে। এর মধ্যে রয়েছে চিকিৎসকদের জন্য বিলাসবহুল সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ।

    ২০১২ সালে একটি বড় চুক্তিতে একটি শীর্ষ ওষুধ কোম্পানিকে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার জরিমানা দিতে হয়। অভিযোগ ছিল, ওষুধ প্রেসক্রাইব করাতে চিকিৎসকদের অনৈতিকভাবে উৎসাহিত করা হয়েছিল।

    ল্যানসেট গবেষণায় উল্লেখ করা ১২ ধরনের মানসিক রোগের প্রায় সবগুলোর ক্ষেত্রেই ওষুধভিত্তিক চিকিৎসা প্রয়োজন হয়। সমালোচকদের মতে, রোগ নির্ণয়ের হার বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই ওষুধের বাজারও বড় হয়।

    তবে শুধু ওষুধ শিল্প নয়, অনেক গবেষক মনে করেন আধুনিক জীবনধারাও মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির জন্য দায়ী। একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স কুরমি একটি বিশ্লেষণে বলেন, আধুনিক মানুষ প্রকৃতি ও সামাজিক সংযোগ থেকে দূরে সরে গেছে। শহুরে জীবন, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, কৃত্রিম খাদ্যাভ্যাস এবং নেতিবাচক তথ্যের চাপ—সব মিলিয়ে মানসিক স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    ২০১২ সালের একটি গবেষণায় বলা হয়, অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ, কম শারীরিক পরিশ্রম, সূর্যালোকের ঘাটতি এবং একাকীত্ব মানসিক রোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখে। গবেষণায় আরও উল্লেখ করা হয়, যেসব দেশে আয় বেশি, সেখানে মুড ডিসঅর্ডারের ঝুঁকিও তুলনামূলকভাবে বেশি।

    ল্যানসেটের গবেষণা অনুযায়ী, কোভিড-১৯ মহামারির পর মানসিক রোগের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। লকডাউন, একাকীত্ব, বেকারত্ব এবং অনিশ্চয়তা বহু মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যে গভীর প্রভাব ফেলেছে।

    আধুনিক প্রযুক্তির মধ্যেও সোশ্যাল মিডিয়াকে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রায় ১৪৩টি গবেষণার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার এবং বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও খাদ্যাভ্যাসজনিত সমস্যার মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের সার্জন জেনারেলের মতে, যেসব কিশোর-কিশোরী প্রতিদিন তিন ঘণ্টার বেশি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে, তাদের মানসিক সমস্যার ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। পিউ রিসার্চের এক জরিপে দেখা গেছে, কিশোরদের প্রায় অর্ধেকই মনে করে সোশ্যাল মিডিয়া তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    এতে কি চিন্তিত হওয়া উচিত?

    মানসিক রোগের বৈশ্বিক বৃদ্ধির এই চিত্র দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—এ নিয়ে কি সত্যিই চিন্তিত হওয়া উচিত? এর সহজ উত্তর হলো, বিষয়টি পুরোপুরি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ জিডিপির দেশগুলোতেই মানসিক রোগের হার তুলনামূলক বেশি। একই সঙ্গে এই দেশগুলোই বড় ওষুধ কোম্পানিগুলোর প্রধান বাজার।

    সমালোচকদের মতে, এসব দেশে সামান্য মানসিক অস্থিরতাকেও অনেক সময় দ্রুত রোগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং তার সঙ্গে সঙ্গে ওষুধ নির্ভর চিকিৎসা শুরু হয়ে যায়। ফলে প্রশ্ন উঠছে, সব ক্ষেত্রে কি এই বৃদ্ধি প্রকৃত রোগের সংখ্যা, নাকি রোগ নির্ণয়ের প্রসারও এর পেছনে কাজ করছে।

    বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ আবার মনে করেন, মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষার অনেক সমাধান আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের মধ্যেই রয়েছে। তাদের মতে, স্ক্রিন ব্যবহারের সময় কমানো এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকে কিছুটা দূরে থাকা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম এবং পর্যাপ্ত ঘুম মানসিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখাও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

    সব মিলিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার চেয়ে সচেতন হওয়াই বেশি জরুরি। সঠিক জীবনযাপন, সময়মতো বিশ্রাম এবং সামাজিক সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখলে অনেক ক্ষেত্রেই বড় ধরনের মানসিক সমস্যার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    কুয়েতকে ২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    জুন 6, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে আরও সময় লাগবে: ট্রাম্প

    জুন 6, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের রাডার স্থাপনায় মার্কিন হামলা

    জুন 6, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.