Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, মে 20, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home»আন্তর্জাতিক»ট্রাম্পের ১.৭৭৬ বিলিয়ন ডলারের তহবিল কেন বড় রাজনৈতিক ঝুঁকি
    আন্তর্জাতিক

    ট্রাম্পের ১.৭৭৬ বিলিয়ন ডলারের তহবিল কেন বড় রাজনৈতিক ঝুঁকি

    নিউজ ডেস্কমে 19, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও এমন এক সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে, যা শুধু একটি প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়, বরং তাঁর পুরো রাজনৈতিক চরিত্র ও ক্ষমতা প্রয়োগের ধরনকে সামনে নিয়ে এসেছে। বিচার বিভাগ সোমবার ১.৭৭৬ বিলিয়ন ডলারের একটি নতুন ক্ষতিপূরণ তহবিলের ঘোষণা দিয়েছে। এই তহবিল থেকে সেই ব্যক্তিদের অর্থ দেওয়া হতে পারে, যারা দাবি করছেন, বাইডেন প্রশাসনের সময় তাঁরা রাজনৈতিক কারণে অন্যায়ভাবে হয়রানি বা তদন্তের শিকার হয়েছিলেন।

    একসময় এমন পরিকল্পনা কোনো প্রেসিডেন্টের জন্য ভয়াবহ রাজনৈতিক কলঙ্ক হয়ে দাঁড়াতে পারত। কিন্তু ট্রাম্প বহু বছর ধরে প্রেসিডেন্টের পদ ঘিরে থাকা প্রচলিত নৈতিক প্রত্যাশাকে ভেঙে দিয়েছেন। ফলে তাঁর এই পদক্ষেপ অনেকের কাছে বিস্ময়কর হলেও একেবারে অপ্রত্যাশিত নয়। বরং এটি ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রকল্পের একটি ছোট কিন্তু স্পষ্ট প্রতিচ্ছবি—অভিমান ধরে রাখা, পরাজয় স্বীকার না করা এবং সুযোগ পেলে প্রতিশোধ নেওয়া।

    ট্রাম্প বরাবরই দাবি করে এসেছেন, তাঁকে রাজনৈতিক কারণে অন্যায়ভাবে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছিল। ২০২৪ সালের নির্বাচনে আবার ক্ষমতায় ফিরে আসার পর তাঁর বিরুদ্ধে চলা কয়েকটি ফৌজদারি তদন্ত কার্যত থেমে যায়। কিন্তু তাতেও তাঁর ক্ষোভ শেষ হয়নি। বরং সেই ক্ষোভ এখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কাঠামোর মধ্য দিয়ে নতুন রূপ নিচ্ছে।

    ব্যবসায়ী জীবনে ট্রাম্প অসংখ্য মামলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাঁর বিরুদ্ধে চলা ফৌজদারি মামলাগুলোতেও তিনি আইনি প্রক্রিয়ার সুযোগ নিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে সক্ষম হন। এখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি নিজেকে দেশের শীর্ষ আইন প্রয়োগকারী কর্তৃত্বের কেন্দ্রে দাঁড় করিয়েছেন। সেই অবস্থান থেকে তিনি আইনি ব্যবস্থাকে এমন পথে ঠেলে দিচ্ছেন, যা সমালোচকদের চোখে অত্যন্ত বিতর্কিত।

    এই তহবিলের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক তাৎপর্য হলো, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের একটি পুরোনো প্রবণতাকে আরও স্পষ্ট করেছে—ক্ষমতা ব্যবহার করে বন্ধুদের পুরস্কৃত করা এবং বিরোধীদের শাস্তি দেওয়া। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলে দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বাস করা হয়, তাঁর প্রথম নির্বাচনী প্রচারণার সঙ্গে রাশিয়ার যোগাযোগ, ২০২০ সালের নির্বাচনের ফল মেনে নিতে অস্বীকৃতি, ট্রাম্প পরিবারের ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং ট্রাম্প অর্গানাইজেশনকে ঘিরে তদন্ত—সবই ছিল তাঁকে দুর্বল করার রাজনৈতিক অস্ত্র।

    ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের অনেক পদক্ষেপের মতো এই পরিকল্পনাতেও নির্বাহী ক্ষমতা বিস্তারের প্রবণতা দেখা যায়। এখানে প্রেসিডেন্ট যেন দাবি করছেন, তিনি করদাতাদের বিপুল অর্থ নিজের রাজনৈতিক বিচারবোধ অনুযায়ী বণ্টন করার অধিকার রাখেন। এটিই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু।

    তহবিলটিকে বৈধতার আবরণ দিতে পাঁচ সদস্যের একটি কমিশন গঠনের কথা বলা হয়েছে, যারা ক্ষতিপূরণ দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু সমস্যা হলো, ওই সদস্যদের বরখাস্ত করার ক্ষমতাও ট্রাম্পের হাতে থাকবে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এমন কমিশন কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে। সমালোচকদের মতে, এটি এমন এক কাঠামো যেখানে সিদ্ধান্তগ্রহণের প্রক্রিয়া বাহ্যিকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক মনে হলেও বাস্তবে প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক ইচ্ছার বাইরে যাওয়ার সুযোগ সীমিত।

    ট্রাম্প অবশ্য বিষয়টিকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে তুলে ধরেছেন। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, এটি সেই মানুষদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার উদ্যোগ, যাঁদের ভয়াবহভাবে আচরণ করা হয়েছিল। তাঁর ভাষায়, তাঁদের আইনি খরচ এবং ভোগান্তির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে।

    কিন্তু সমালোচকদের কাছে বিষয়টি এত সরল নয়। তাঁদের মতে, এই পরিকল্পনা কার্যকর হলে ৬ জানুয়ারি ২০২১ সালের ক্যাপিটল হামলায় জড়িত ট্রাম্প সমর্থকেরাও সুবিধা পেতে পারেন। ওই দিন ট্রাম্প সমর্থকেরা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটলে হামলা চালায় এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনের ফল অনুমোদনের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে। অনেকের চোখে এটি যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।

    ক্ষমতায় ফেরার প্রথম দিনেই ট্রাম্প ৬ জানুয়ারির ঘটনায় অভিযুক্ত এক হাজারের বেশি ব্যক্তিকে ব্যাপক ক্ষমা দেন। তিনি ওই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত অপরাধে দণ্ডিত প্রায় সবার সাজা মওকুফ বা ক্ষমা করেন, যার মধ্যে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা বা সহিংস অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিরাও ছিলেন। এখন যদি তাঁদের কেউ সরকারি ক্ষমাপ্রার্থনা বা আর্থিক ক্ষতিপূরণ পান, তাহলে সেটি শুধু আইনি নয়, নৈতিক বিতর্কও তৈরি করবে।

    ট্রাম্প বহু বছর ধরে ৬ জানুয়ারির ঘটনাকে ইতিহাস থেকে মুছে দিতে বা তার গুরুত্ব কমিয়ে দেখাতে চেয়েছেন। কিন্তু এই ক্ষতিপূরণ তহবিল সেই ঘটনাকে আবারও সামনে নিয়ে আসছে—এবার আরও বিতর্কিতভাবে। কারণ প্রশ্ন উঠছে, যারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করেছিল, তাদের কি জনগণের করের টাকা দিয়ে পুরস্কৃত করা হবে?

    এই পরিকল্পনা আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার সম্ভাবনা প্রবল। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী জনগণের অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রধান ক্ষমতা কংগ্রেসের। প্রেসিডেন্ট এককভাবে এমন বিপুল অর্থ বণ্টনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কি না—এই প্রশ্নই আইনি লড়াইয়ের কেন্দ্রে থাকবে।

    ট্রাম্প ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় প্রায়ই বলতেন, তিনি তাঁর সমর্থকদের প্রতিশোধ। সেই বক্তব্য এখন যেন নীতিতে পরিণত হচ্ছে। তহবিলটির পেছনে রয়েছে ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিরুদ্ধে করা ১০ বিলিয়ন ডলারের একটি মামলার নিষ্পত্তি। ওই মামলায় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কর কর্তৃপক্ষ তাঁর এবং ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের কর নথি ফাঁস ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছিল। সমালোচকদের কাছে বিষয়টি অস্বাভাবিক মনে হলেও ট্রাম্প দাবি করতে পারেন, তিনি নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং এখন তাঁর পাশে থাকা মানুষদের ক্ষতিপূরণ দিতে চাইছেন।

    রাজনৈতিকভাবে এই পদক্ষেপ ট্রাম্পের জন্য একধরনের কৌশলও হতে পারে। তিনি বহুবার ওয়াশিংটনের প্রতিষ্ঠিত শক্তি, গণমাধ্যম এবং বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরকে উসকে দিয়ে নিজের সমর্থকগোষ্ঠীকে উজ্জীবিত করেছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তাঁর সমর্থকদের আবেগ আবার জাগিয়ে তুলতে এই তহবিল একটি কার্যকর রাজনৈতিক অস্ত্র হতে পারে।

    তবে ঝুঁকিও কম নয়। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের এমন এক সময়ে এই ঘোষণা এসেছে, যখন তাঁর জনসমর্থন ঐতিহাসিকভাবে নিচু অবস্থানে রয়েছে বলে বলা হচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, প্রশাসন কি জনমতের বাস্তবতা থেকে দূরে সরে গিয়ে কেবল নিজস্ব রাজনৈতিক বৃত্তে বন্দি হয়ে পড়েছে? নাকি ট্রাম্প উপলব্ধি করেছেন, হাতে ক্ষমতা থাকা অবস্থায় যতটা সম্ভব রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত লাভ নিশ্চিত করাই তাঁর লক্ষ্য?

    তবে পুরো বিষয়টিকে একমাত্রিকভাবে দেখাও সহজ নয়। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের মধ্যে এমন একটি প্রশ্নও আছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বহুদিন ধরে বিতর্কিত—রাষ্ট্রীয় তদন্ত কি কখনো রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অতিরিক্ত কঠোর হয়ে ওঠে? নিউইয়র্কে ট্রাম্প ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলায় অতিরিক্ত নজরদারি ছিল কি না, তা নিয়ে বিতর্ক আছে। ওই মামলায় প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের রায় আপিল আদালত বাতিল করেছিল, যদিও মূল রায় পুরোপুরি উল্টে দেওয়া হয়নি। নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস ট্রাম্পদের প্রতি তাঁর কঠোর অবস্থান আগেই প্রকাশ করেছিলেন, যা মামলাটিকে শুরু থেকেই রাজনৈতিক রঙ দেয়।

    একইভাবে, ৬ জানুয়ারির ঘটনায় শুধু সংগঠক বা সহিংস হামলাকারী নয়, বরং সাধারণ পর্যায়ের অনেক ট্রাম্প সমর্থককেও বাইডেন প্রশাসনের বিচার বিভাগ অতিরিক্ত কঠোরভাবে অভিযুক্ত করেছিল কি না—এ নিয়েও ইতিহাসবিদরা ভবিষ্যতে বিতর্ক করতে পারেন।

    কিন্তু এখানেই বড় পার্থক্য। ওই মামলাগুলো আদালত, বিচারক, আইনজীবী, প্রমাণ ও আপিলের মতো প্রতিষ্ঠিত আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের ক্ষতিপূরণ বোর্ড সেই একই ধরনের স্বাধীনতা ও বৈধতার দাবি করতে পারবে কি না, তা নিয়ে গভীর সন্দেহ আছে।

    সমালোচকদের মতে, বিচার বিভাগ এখন ক্রমশ স্বাধীন আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ট্রাম্পের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার হাতিয়ারে পরিণত হচ্ছে। বর্তমানে বিচার বিভাগের নেতৃত্বে আছেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ, যিনি আগে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী ছিলেন। বিশেষ কৌঁসুলি জ্যাক স্মিথের আনা নির্বাচনী হস্তক্ষেপ ও গোপন নথি সংরক্ষণসংক্রান্ত দুটি ফেডারেল মামলায় তিনি ট্রাম্পের পক্ষ নিয়েছিলেন। ট্রাম্প আবার ক্ষমতায় ফেরার পর ওই মামলাগুলো কার্যত এগোতে পারেনি। ট্রাম্প অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।

    এই নতুন তহবিল কীভাবে ব্যবহার হতে পারে, তার ইঙ্গিত আগেও দেখা গেছে। মার্চ মাসে বিচার বিভাগ সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিনের সঙ্গে ১ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থে একটি সমঝোতায় পৌঁছায়। ফ্লিন ২০১৭ সালে রাশিয়ার তৎকালীন রাষ্ট্রদূত সের্গেই কিসলিয়াকের সঙ্গে যোগাযোগ এবং আগের বছর তুরস্ক-সংক্রান্ত লবিং কাজ নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার কাছে মিথ্যা বলার কথা স্বীকার করেছিলেন। পরে ২০২০ সালে ট্রাম্প তাঁকে ক্ষমা করেন।

    এ ছাড়া সাবেক ট্রাম্প প্রচারণা উপদেষ্টা কার্টার পেজের সঙ্গেও বিচার বিভাগ সমঝোতায় পৌঁছায়। তিনি ২০১৬ সালে রাশিয়া-সংযোগের কারণে তাঁর ওপর নজরদারি নিয়ে বিচার বিভাগ ও কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।

    বিচার বিভাগ বলেছে, সরকারের যন্ত্র কোনো আমেরিকানের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার হওয়া উচিত নয়, এবং অতীতের ভুল সংশোধন করাই তাদের উদ্দেশ্য। তহবিলে দাবি করার শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ ডিসেম্বর ২০২৮, অর্থাৎ ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় এক মাস আগে। যদিও বিভাগ বলছে, দাবি করার ক্ষেত্রে কোনো দলীয় শর্ত থাকবে না, সমালোচকদের ধারণা—ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণাধীন কমিশন তাঁর রাজনৈতিক বন্ধুদের বাইরে খুব বেশি কাউকে সুবিধা দেবে না।

    ডেমোক্র্যাটরা ইতোমধ্যে এই পরিকল্পনাকে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আইনহীনতার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরছে। প্রতিনিধি পরিষদের বিচারবিষয়ক কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যরা কর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ট্রাম্পের সমঝোতা ঠেকাতে মামলা করেছেন। তাঁদের যুক্তি, ফেডারেল অর্থ বরাদ্দের ক্ষমতা কেবল কংগ্রেসের।

    ওরেগনের ডেমোক্র্যাট সিনেটর রন ওয়াইডেন অভিযোগ করেছেন, ট্রাম্প ডানপন্থী রাজনৈতিক সহিংসতার জন্য ১.৭ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল তৈরি করছেন। তাঁর মতে, এটি বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কোনো প্রেসিডেন্টের দ্বারা করদাতার অর্থের সবচেয়ে প্রকাশ্য অপব্যবহার হতে পারে।

    এই পরিস্থিতি রিপাবলিকানদেরও কঠিন অবস্থায় ফেলেছে। তাঁরা কি এমন একজন প্রেসিডেন্টকে রক্ষা করবেন, যিনি তাঁদের ভোটভিত্তির কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় কিন্তু বারবার এমন পদক্ষেপ নিচ্ছেন যা দলের বৃহত্তর রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ? নাকি তাঁরা ট্রাম্পের বিরোধিতা করবেন, জেনেও যে তাঁর ক্ষোভ এখনো অনেক রিপাবলিকান নেতার রাজনৈতিক জীবন ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে?

    সব মিলিয়ে ট্রাম্পের ক্ষতিপূরণ তহবিল কেবল অর্থ বণ্টনের পরিকল্পনা নয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, করদাতার অর্থের ব্যবহার এবং প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সীমা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। ট্রাম্প এটিকে অন্যায়ের প্রতিকার হিসেবে দেখাচ্ছেন। তাঁর সমালোচকেরা দেখছেন রাজনৈতিক প্রতিশোধ, আনুগত্যের পুরস্কার এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হিসেবে।

    যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ট্রাম্পের যুগের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো—যা একসময় অচিন্তনীয় ছিল, তা এখন বিতর্কিত হলেও বাস্তব নীতিতে রূপ নিচ্ছে। এই তহবিল সেই বাস্তবতারই আরেকটি বড় উদাহরণ।

    সিভি/এইচএম

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    আফ্রিকায় আইএসবিরোধী বড় অভিযান, তিন দিনে নিহত ১৭৫

    মে 20, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ‘ইরান ক্লান্ত, দ্রুত চুক্তি চায়’—ট্রাম্পের দাবি

    মে 20, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের নতুন শান্তি প্রস্তাবে কী কী শর্ত

    মে 19, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    অর্থনীতি জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.