Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, আগস্ট 16, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ‘একটি পোস্ট’ যেভাবে লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী ভুল তথ্যের বিস্তার করে
    আন্তর্জাতিক

    ‘একটি পোস্ট’ যেভাবে লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী ভুল তথ্যের বিস্তার করে

    নিউজ ডেস্কUpdated:আগস্ট 16, 2026আগস্ট 16, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ইউএনএইচসিআর-এর ত্রিপোলি কার্যালয়ের বাইরে প্রতিবাদকারীরা, ৪ঠা জুন ২০২৬। গেটি ইমেজেস
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিবিসির অনুসন্ধান—

    জুন মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া মাত্র একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে লিবিয়ায় অভিবাসী এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যাপক ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির বিশ্লেষণে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

    ৩ জুন মিসরের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট ছড়িয়ে দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়েছিল, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর ‘অত্যন্ত সাহসের সঙ্গে’ ঘোষণা করেছে যে, ৮ লাখ ৫০ হাজার আফ্রিকান অভিবাসীকে লিবিয়ার জনসংখ্যার মধ্যে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

    দাবিটি ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা।

    ২০২৬ সালের জুন মাসে প্রকাশিত শত শত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট বিশ্লেষণ করে উঠে এসেছে, এই মিথ্যা তথ্য পরবর্তী সময়ে লিবিয়া, মিসর ও তিউনিসিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এর বিস্তারে একটি কৃত্রিম অ্যাকাউন্ট নেটওয়ার্কও ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ইউএনএইচসিআর আনুষ্ঠানিকভাবে দাবিটিকে ‘সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করলেও সংস্থাটির প্রতিবাদ খুব বেশি মানুষের কাছে পৌঁছায়নি।

    এরই মধ্যে এক দিনের মধ্যে বিক্ষোভকারীরা ত্রিপোলিতে ইউএনএইচসিআরের সদর দপ্তরের সামনে জড়ো হন। পরে তারা প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়েন, সেখানে তাঁবু স্থাপন করেন এবং কার্যালয়ের প্রবেশপথের সামনে বালুর স্তূপ তৈরি করেন। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া মিথ্যা দাবিগুলোর পুনরাবৃত্তি করে তারা ইউএনএইচসিআরকে লিবিয়া ছেড়ে যাওয়ার দাবি জানান।

    ইউএনএইচসিআর বলেছে, লিবিয়ায় অভিবাসীদের পুনর্বাসনের কথিত পরিকল্পনা নিয়ে ছড়ানো ভুল তথ্য জাতিসংঘের বিভিন্ন স্থাপনার বিরুদ্ধে সহিংসতা উসকে দিয়েছে। এর মধ্যে ত্রিপোলিতে সংঘর্ষ এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জাওয়িয়ার ঘটনাও রয়েছে।

    উত্তর আফ্রিকায় সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসন নিয়ে অনলাইনে ছড়ানো ভুল তথ্যের বাস্তব জীবনে প্রভাব পড়ার এটি অন্যতম উদাহরণ।

    সম্প্রতি মরক্কো থেকে স্পেনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে অবস্থিত সিউতায় হাজার হাজার অভিবাসীর পৌঁছে যাওয়ার ঘটনাটির সঙ্গেও একই ধরনের ভুয়া দাবির সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

    পরবর্তী কয়েক সপ্তাহে লিবিয়ায় অবস্থানরত অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীরা তাদের বিরুদ্ধে হামলা ও হয়রানি বেড়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

    লিবিয়ায় আশ্রয় নেওয়া এক সুদানি সাংবাদিক, যাঁর প্রকৃত নাম প্রকাশ করা হয়নি, তিনি বলেন, এখন ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে যেকোনো ধরনের সম্পর্ক অভিবাসীদের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।

    তিনি বলেন, ইউএনএইচসিআরের দেওয়া যে পরিচয়পত্র তাদের সুরক্ষা দেওয়ার কথা এবং তাদের ও পরিবারের জন্য উন্নত জীবনের দিকে প্রথম পদক্ষেপ হওয়ার কথা, সেটিই এখন তাদের আরও সহিংসতার ঝুঁকিতে ফেলছে।

    ইউএনএইচসিআরের পরিচয়পত্রটি শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য সংস্থাটির দেওয়া আনুষ্ঠানিক পরিচয়পত্র।

    ওই সুদানি আশ্রয়প্রার্থী জানান, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ত্রিপোলিতে তিনি যে এলাকায় থাকেন, সেখানে রাস্তায় ও কর্মস্থলে অভিবাসীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এমনকি তাদের বাড়িতেও সরকারি কর্মকর্তা এবং লিবিয়ার নাগরিকেরা অভিযান চালিয়েছেন।

    তার ভাষায়, ‘আমরা যেখানেই যাই, ভয়ে থাকি।’

    লিবিয়া অভিবাসীদের জন্য একই সঙ্গে গন্তব্য ও যাত্রাপথের দেশ।

    আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার হিসাবে, ২০২৬ সালের শুরুতে লিবিয়ায় ৯ লাখ ৩০ হাজারের বেশি অভিবাসী ছিল। তাদের বেশিরভাগই সুদান, নাইজেরিয়া, মিসর ও চাদ থেকে আসা।

    জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে ১ লাখ ১২ হাজারেরও বেশি শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীও ছিলেন। তাদের বড় একটি অংশ চলমান সংঘাতের কারণে সুদান থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

    জুনের শুরু থেকে পূর্ব ও পশ্চিম লিবিয়ার উভয় অঞ্চলের কর্তৃপক্ষই অভিবাসীদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছে। এসব অভিযানের মধ্যে গ্রেপ্তার, আটক এবং বহিষ্কারের ঘটনাও রয়েছে।

    পূর্ব লিবিয়াভিত্তিক প্রতিনিধি পরিষদ ‘লিবিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের স্থায়ী বসতি স্থাপন’ প্রত্যাখ্যান করে একটি বিবৃতি দিয়েছে।

    ত্রিপোলিভিত্তিক জাতীয় ঐক্যের সরকারও লিবিয়ায় অভিবাসীদের ‘বসতি স্থাপন’-এর ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছে।

    ত্রিপোলির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তাদের মুখপাত্র কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    ‘বসতি স্থাপনবিরোধী’ আন্দোলন

    অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের লিবিয়াবিষয়ক গবেষক নাদেজ লাহমার বলেন, এই দাবি উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বৃহত্তর একটি ‘বসতি স্থাপনবিরোধী’ আন্দোলনের অংশ।

    তার ভাষ্য, ২০২৩ সাল থেকে উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে এই ধরনের আন্দোলনের বিস্তার ঘটেছে।

    তবে কথিত বসতি স্থাপনে জাতিসংঘের ভূমিকার অভিযোগ তুলে সরাসরি জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করে এত বড় আকারের প্রকাশ্য বিক্ষোভ নতুন মাত্রা তৈরি করেছে বলে মনে করেন তিনি।

    লাহমার জানান, তিউনিসিয়া, মরক্কো, আলজেরিয়া ও মিসরেও তিনি এই পরিভাষার ব্যবহার দেখতে পেয়েছেন।

    তার মতে, এই আন্দোলনের পেছনে এমন একটি ধারণা কাজ করছে যে, শরণার্থী ও অভিবাসীদের যেকোনো ধরনের সহায়তা, স্বীকৃতি কিংবা অধিকার দেওয়ার অর্থ হলো তাদের স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপনে সমর্থন করা।

    তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মানবিক সহায়তা দেওয়ার অর্থ কোনো ব্যক্তির একটি দেশে স্থায়ীভাবে থাকার পক্ষে অবস্থান নেওয়া নয়।

    অনলাইনে মিথ্যা দাবির উৎস

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটি এই ‘বসতি স্থাপন’ সংক্রান্ত দাবির বিষয়ে সুরাইয়া তুয়েবির সঙ্গে যোগাযোগ করে।

    তুয়েবি জানান, তার দাবি আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা ও ইউএনএইচসিআরের বিভিন্ন নথি ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে ইউএনএইচসিআরের ২০২৪ সালের লিবিয়া-বিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদনও রয়েছে।

    ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, লিবিয়ার সরকার ২০২৪ সালের জাতীয় আদমশুমারিতে অভিবাসীদের একটি অংশকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এই গোষ্ঠীর মধ্যে শরণার্থীদের একটি উপগোষ্ঠীও ছিল।

    তুয়েবি আদমশুমারিতে অভিবাসী ও শরণার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করাকে লিবিয়ায় তাদের ‘স্থায়ী বসতি স্থাপনের’ মানসিকতার প্রমাণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।

    এ ছাড়া তিনি লিবিয়ার একটি আইনের কথাও উল্লেখ করেন। ওই আইনে দেশটিতে বিদেশিদের অননুমোদিত বসতি স্থাপন ঠেকানোর ব্যবস্থা রয়েছে এবং অনিয়মিত অভিবাসনকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    তুয়েবির দাবি, ওই আইন বাতিলের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ শরণার্থীদের স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    তবে তিনি জানান, তিনি একটি প্রচারণার অংশ হলেও ‘ভুল তথ্য প্রচারে জড়িত নন’।

    অন্যদিকে ইউএনএইচসিআরের ২০২৪ সালের বার্ষিক ফলাফল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লিবিয়ার সরকার ওই বছরের জাতীয় আদমশুমারিতে অভিবাসীদের একটি নমুনা অন্তর্ভুক্ত করেছে, যার মধ্যে শরণার্থীদের একটি অংশও রয়েছে। প্রতিবেদনে এটিকে শরণার্থী, অভিবাসী ও নাগরিকসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

    অর্থাৎ, লিবিয়ার আদমশুমারিতে বিদেশি নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করার অর্থ জাতিসংঘ দেশটিতে অভিবাসীদের স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করাচ্ছে—এমন কোনো প্রমাণ নেই।

    বরং জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অন্তর্ভুক্তির উদ্দেশ্য ছিল শরণার্থী, অভিবাসী ও নাগরিকসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া।

    পরবর্তীতে তুয়েবির সাক্ষাৎকারের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হয়। ওই অ্যাকাউন্টে প্রতি কয়েক ঘণ্টা পরপর, এমনকি ২৪ ঘণ্টাজুড়েই বিভিন্ন পোস্ট করা হতো। অ্যাকাউন্টটিকে আপাতদৃষ্টিতে মিসরীয় সরকারের সমর্থক বলে মনে হয়েছে।

    প্রায় ১৩ হাজার অনুসারীর কাছে থাকা ওই অ্যাকাউন্টটি সাক্ষাৎকারে দেওয়া মিথ্যা তথ্য আবার প্রচার করে এবং পুরো অঞ্চলে দাবিটিকে আরও ছড়িয়ে দেয়।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটি অ্যাকাউন্টটির মালিকের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি। অ্যাকাউন্টটি এখনো সক্রিয় এবং নিয়মিত বিপুলসংখ্যক পোস্ট করছে।

    তুয়েবির সাক্ষাৎকারসহ ওই পোস্টটিও এখনো অনলাইনে রয়েছে।

    মিথ্যা দাবিটি এবং সেটিকে দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়া ওই অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে মন্তব্য জানতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তারা কোনো জবাব দেয়নি।

    বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মিসর, তিউনিসিয়া ও লিবিয়ার বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দাবিটি ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্তত ১০ লাখ ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছায়।

    দাবিটি প্রচারকারী অনেক অ্যাকাউন্টে কৃত্রিম আচরণের লক্ষণও পাওয়া গেছে। একাধিক প্রোফাইলে প্রায় একই ভাষায় একই ধরনের দাবি প্রকাশ করা হয়েছিল।

    ফেসবুকে এমন একটি সমন্বিত কৃত্রিম অ্যাকাউন্ট নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া যায়, যেটি বিক্ষোভ শুরুর আগের প্রায় এক মাস ধরে অভিবাসীবিরোধী বক্তব্য প্রচার করছিল।

    এসব অ্যাকাউন্ট বিক্ষোভের ভিডিও প্রচার করে এবং পরে অভিবাসীবিরোধী বক্তব্যকে আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেয়।

    নেটওয়ার্কের অ্যাকাউন্টগুলো বিক্ষোভের প্রচারও চালায়। এর মধ্যে ৩ জুন একটি পোস্টে বলা হয়েছিল, পরদিন বিশেষ করে আল-সারাজ এলাকায় বড় ধরনের বিক্ষোভ হবে এবং মানুষ আফ্রিকানদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির অনুসন্ধানে সমন্বিত কৃত্রিম কর্মকাণ্ডের বেশ কয়েকটি সূচক পাওয়া গেছে।

    নেটওয়ার্কের ৪০টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩৪টি ২০২৬ সালের ২ থেকে ৭ মে—মাত্র ছয় দিনের ব্যবধানে তৈরি করা হয়েছিল। একসঙ্গে এতগুলো অ্যাকাউন্ট তৈরির বিষয়টি ব্যাচ আকারে সেগুলো সক্রিয় করার ইঙ্গিত দেয়, যা সমন্বিত কর্মকাণ্ডের একটি সাধারণ লক্ষণ।

    অ্যাকাউন্টগুলোর প্রোফাইল ছবিতে ব্যক্তির ছবি না দিয়ে সাধারণ বা জেনেরিক ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল। একই সঙ্গে নেটওয়ার্কের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে একই ধরনের পোস্ট প্রকাশ করা হয়।

    অল্প সময়ের মধ্যেই নতুন তৈরি এসব অ্যাকাউন্ট সম্মিলিতভাবে ১৪ লাখ ৬০ হাজার অনুসারীর কাছে পৌঁছে যায়।

    ফেসবুকের মালিক প্রতিষ্ঠান মেটা জানিয়েছে, লিবিয়ার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য তারা ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় একটি দল মোতায়েন করেছে। তাদের নীতিমালা লঙ্ঘনকারী বিভিন্ন বিষয়বস্তু সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ভুল তথ্যের পাশাপাশি অভিবাসী, মানবিক সহায়তাকর্মী ও জাতিসংঘের কর্মীদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি দেওয়া বিষয়বস্তুও রয়েছে।

    যে অ্যাকাউন্টগুলোর কথা উল্লেখ করেছে, সেগুলোও তারা তদন্ত করছে বলে জানিয়েছে মেটা।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির যোগাযোগের পর নেটওয়ার্কটির ১১টি অ্যাকাউন্ট সরিয়ে দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

    তবে অনলাইনে মিথ্যা তথ্য ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি আশ্রয়প্রার্থীদের বাস্তব জীবনেও সহিংসতার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

    আমনা নামে এক সুদানি নারী ২০২৪ সালে সুদান থেকে লিবিয়ায় যাওয়ার পথে সহিংসতার ঘটনায় তার এক সন্তানকে হারান। নিজের আশ্রয়প্রার্থী পরিচয়ের কারণেও তিনি হামলার শিকার হয়েছেন বলে জানান।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, ছয়জন তরুণ সেই বাড়িতে ঢুকে পড়ে, যেখানে তিনি তার ১২ বছর বয়সী ছেলের সঙ্গে থাকছিলেন।

    তারা মা ও ছেলেকে মারধর করে। জোর করে তার মুখের পর্দা খুলে দেয় এবং তার পোশাক ছিঁড়ে ফেলে।

    এরপর তারা পুরো বাড়িতে তল্লাশি চালায়। একপর্যায়ে তার স্বামীর ইউএনএইচসিআর পরিচয়পত্র এবং ছেলের পরিচয়পত্র খুঁজে পায়। তারা দুটি নথিই ছিঁড়ে ফেলে। একই সঙ্গে পরিবারের কাছে থাকা সামান্য নগদ অর্থ এবং ছেলের ব্যবহৃত একটি মুঠোফোন নিয়ে চলে যায়।

    আমনা বলেন, তাকে কাপড় খুলে নির্যাতনের দৃশ্য দেখে তার ছেলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।

    তার ভাষায়, ছেলেটি এখনো খুব ছোট এবং ঘটনাটি থামানোর মতো কোনো ক্ষমতা তার ছিল না।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ ঝড়-বন্যায় ৫ জনের মৃত্যু

    আগস্ট 16, 2026
    আন্তর্জাতিক

    উচ্চ মূল্যস্ফীতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করলেন পেজেশকিয়ান

    আগস্ট 16, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ফ্রান্সের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিল ইরান

    আগস্ট 16, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.