Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, সেপ্টে. 1, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিজয়কে প্রধানমন্ত্রী করার দাবি, চাপে পড়ল তামিলনাড়ুর জোট সরকার
    আন্তর্জাতিক

    বিজয়কে প্রধানমন্ত্রী করার দাবি, চাপে পড়ল তামিলনাড়ুর জোট সরকার

    হাসিব উজ জামানআগস্ট 31, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়া জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর ওরফে থালাপতি বিজয়কে ঘিরে। রাজ্য রাজনীতিতে নতুন শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা তাঁর দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগামের কয়েকজন নেতা এখন তাঁকে শুধু তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়, জাতীয় রাজনীতির সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও দেখতে চাইছেন।

    বিজয়কে প্রধানমন্ত্রী করার দাবি সামনে আসতেই ক্ষমতাসীন জোটের ভেতরে শুরু হয়েছে অস্বস্তি। বিশেষ করে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দেওয়া সাম্প্রতিক কড়া বার্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। দলটির এক মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম যদি রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে সমর্থন না করে, তাহলে কংগ্রেসের দুই মন্ত্রী সরকার থেকে পদত্যাগ করবেন।

    চলতি বছর তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে সরকার গঠন করে বিজয়ের নেতৃত্বাধীন জোট। রাজনীতিতে দল গঠনের মাত্র দুই বছরের মধ্যেই নির্বাচনে সাফল্য পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসেন বিজয়। তাঁর এই দ্রুত উত্থান ইতোমধ্যেই ভারতের রাজনীতিতে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। এবার তাঁকে জাতীয় রাজনীতির শীর্ষ পদে দেখতে চাওয়ার দাবি সেই আলোচনাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে গেছে।

    তামিলাগা ভেট্রি কাজাগামের ভেতরে সাম্প্রতিক সময়ে ‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিজয়’—এমন স্লোগান ও প্রচার বাড়তে শুরু করেছে। দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা প্রকাশ্যেই বিজয়কে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার পক্ষে কথা বলছেন। বিভিন্ন জায়গায় ‘বিজয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী’ লেখা পোস্টারও দেখা গেছে। এতে তামিলনাড়ুর ক্ষমতাসীন জোটের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

    পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হয় কংগ্রেসের পর্যটনমন্ত্রী রাজেশ কুমারের বক্তব্যে। তিনি সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন, ২০২৯ সালের নির্বাচনে কংগ্রেসের অবস্থান পরিষ্কার এবং দলটি রাহুল গান্ধীকেই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়।

    রাজেশ কুমারের বক্তব্য অনুযায়ী, তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম যদি রাহুল গান্ধীকে সমর্থন না করে, তাহলে সরকারের মন্ত্রিসভায় থাকা কংগ্রেসের দুই মন্ত্রী তাঁদের পদে থাকবেন না। অর্থাৎ বিজয়কে জাতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী করার উদ্যোগকে কংগ্রেস সহজভাবে দেখছে না।

    এই অবস্থানকে শুধু একটি রাজনৈতিক মন্তব্য হিসেবে দেখলে পরিস্থিতির গুরুত্ব পুরোপুরি বোঝা যাবে না। কারণ তামিলনাড়ুর বর্তমান সরকার যে জোটের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে কংগ্রেসের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ। ফলে প্রধানমন্ত্রী পদ নিয়ে মতপার্থক্য যদি শেষ পর্যন্ত রাজ্য সরকারের জোটগত সমীকরণেও প্রভাব ফেলে, তাহলে বিজয় সরকারের জন্য তা বড় ধরনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

    বর্তমান বিধানসভায় মোট আসন ২৩৪টি। সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১১৮টি আসন। কিন্তু তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম এককভাবে পেয়েছে ১০৭টি আসন। সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা থেকে দলটি ১১ আসন দূরে রয়েছে।

    এরপর কংগ্রেসের ৫ জন বিধায়ক, ভিসিকে, আইইউএমএল এবং অন্যান্য মিত্রদের সমর্থনে সরকার গঠন করা হয়। কংগ্রেসের দুই বিধায়ককে মন্ত্রিসভাতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে। ফলে কংগ্রেস যদি কোনো কারণে সমর্থন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

    এই সংখ্যার হিসাবই বিজয়কে ঘিরে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। কারণ একদিকে তাঁর দলের একটি অংশ তাঁকে জাতীয় রাজনীতির সম্ভাব্য মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে, অন্যদিকে সরকার টিকিয়ে রাখতে যাদের সমর্থন প্রয়োজন, সেই কংগ্রেস এখন রাহুল গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী প্রার্থিতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

    বিজয়ের জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো তাঁর দলটির তুলনামূলকভাবে নতুন রাজনৈতিক পরিচয়। মাত্র দুই বছর আগে দল প্রতিষ্ঠা করে নির্বাচনে বড় সাফল্য পাওয়া বিজয় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রে পৌঁছে গেছেন। এখন দলের নেতাদের একাংশ তাঁকে আরও বড় রাজনৈতিক পরিসরে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

    তামিলাগা ভেট্রি কাজাগামের নেতা আধার অর্জুন ও শরৎকুমারসহ কয়েকজন প্রকাশ্যে বিজয়ের নাম প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য সামনে এনেছেন। তাঁদের বক্তব্য এবং বিভিন্ন স্থানে পোস্টার প্রকাশের কারণে বিষয়টি আর দলের অভ্যন্তরীণ আলোচনা হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেনি। এটি এখন জোটের শরিকদের মধ্যেও প্রকাশ্য রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে।

    কংগ্রেসের নেতারা শুরুতে এসব বক্তব্যকে খুব বেশি গুরুত্ব দেননি। কিন্তু রাজেশ কুমারের সরাসরি হুঁশিয়ারির পর বোঝা যাচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে দলটির ভেতরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নিয়ে জোটের শরিকদের অবস্থান এখন থেকেই স্পষ্ট করার চেষ্টা শুরু হয়েছে।

    এদিকে বিজয়ের আরেক জোটসঙ্গী এমডিএমকের প্রধান ভাইকো রাহুল গান্ধীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে ইন্ডিয়া জোটের নেতৃত্ব কংগ্রেসের হাতে রয়েছে। তাই রাহুল গান্ধীকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।

    ভাইকো একই সঙ্গে জোটের মন্ত্রীদের রাজনৈতিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, জোটের অংশ হয়ে সরকারের দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় এমন বক্তব্য দেওয়া উচিত নয়, যা জোটের মধ্যে বিভ্রান্তি বা বিরোধ তৈরি করতে পারে।

    অন্যদিকে তামিলাগা ভেট্রি কাজাগামের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো অবস্থান জানানো হয়নি। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, মুখ্যমন্ত্রী বিজয় নিজেও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।

    বিজয়ের এই নীরবতা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কাছে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তাঁর দলের নেতারা যখন তাঁকে প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলছেন, তখন বিজয় নিজে সেই দাবিকে সমর্থন করছেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তিনি যদি ভবিষ্যতে জাতীয় রাজনীতিতে যাওয়ার বিষয়ে আগ্রহ দেখান, তাহলে তামিলনাড়ুর বর্তমান জোট রাজনীতির পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়েও নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।

    আবার তিনি যদি এই দাবি থেকে নিজেকে দূরে রাখেন, তাহলে বর্তমান বিতর্ক অনেকটাই দলের অভ্যন্তরীণ নেতাদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা হিসেবে দেখা হতে পারে। ফলে বিজয়ের পরবর্তী বক্তব্য বা সিদ্ধান্ত এই পুরো পরিস্থিতির গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

    তবে জোটের বর্তমান আসনসংখ্যা বলছে, বিষয়টি শুধু প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধ নয়। এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত রয়েছে তামিলনাড়ু সরকারের স্থায়িত্বের প্রশ্নও। ২৩৪ আসনের বিধানসভায় ১১৮ আসনের প্রয়োজন হলেও বিজয়ের দল এককভাবে ১০৭টি আসনে জয় পেয়েছে। ফলে জোটের শরিকদের সমর্থন ছাড়া সরকার পরিচালনা করা কঠিন।

    কংগ্রেসের ৫ বিধায়ক ও অন্যান্য মিত্রদের সমর্থন তাই বিজয় সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কংগ্রেসের দুই বিধায়ক মন্ত্রিসভায় থাকায় তাদের পদত্যাগের হুমকি বিষয়টিকে আরও রাজনৈতিক গুরুত্ব দিয়েছে।

    তবে এই মুহূর্তে কংগ্রেস সরকার থেকে সরে যাচ্ছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বরং দলটি স্পষ্ট করেছে, জাতীয় পর্যায়ে তাদের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর প্রশ্নে অবস্থান বদলানোর সম্ভাবনা নেই। একই সময়ে বিজয়ের দলও আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি।

    ফলে বর্তমান পরিস্থিতিকে মূলত ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জোটের ভেতরে আগাম টানাপোড়েন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন এখনো সামনে থাকলেও প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। বিজয়ের দ্রুত উত্থান সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

    তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বিজয়ের উত্থান নিজেই একটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। চলচ্চিত্রজগতের জনপ্রিয়তাকে রাজনৈতিক সংগঠনে রূপ দিয়ে তিনি মাত্র দুই বছরের মধ্যে রাজ্যের ক্ষমতায় পৌঁছেছেন। এখন তাঁর দলের নেতাদের একটি অংশ যদি তাঁকে জাতীয় পর্যায়ের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সফল হয়, তাহলে দক্ষিণ ভারতের রাজনীতি থেকে ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে নতুন একটি শক্তির উত্থান ঘটতে পারে।

    তবে সেই পথ সহজ নয়। জাতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হওয়ার জন্য শুধু একটি রাজ্যে নির্বাচনী সাফল্য যথেষ্ট নয়। বিভিন্ন রাজ্যে রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা, জোটসঙ্গীদের সমর্থন এবং বৃহত্তর রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে সমন্বয় প্রয়োজন। বিজয়ের সামনে তাই তামিলনাড়ুর সাফল্যকে জাতীয় পর্যায়ে রূপান্তর করার বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।

    অন্যদিকে কংগ্রেসও বিষয়টিকে নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের সঙ্গে যুক্ত করে দেখছে। রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে ধরে রাখতে দলের অবস্থান স্পষ্ট। ফলে বিজয়কে ঘিরে তামিলাগা ভেট্রি কাজাগামের অভ্যন্তরীণ প্রচার যদি আরও জোরালো হয়, তাহলে জোটের ভেতরে মতপার্থক্য আরও বাড়তে পারে।

    এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, বিজয় নিজে কোন পথে হাঁটবেন। তিনি কি শুধু তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রাজ্য রাজনীতিতে মনোযোগ রাখবেন, নাকি তাঁর দল তাঁকে জাতীয় রাজনীতির সম্ভাব্য মুখ হিসেবে এগিয়ে নেবে? আর যদি দ্বিতীয় পথটি বেছে নেওয়া হয়, তাহলে কংগ্রেসসহ জোটের অন্য শরিকরা সেই সিদ্ধান্ত কতটা মেনে নেবে?

    মুখ্যমন্ত্রী বিজয় এখনো নীরব। কিন্তু তাঁর দলের কয়েকজন নেতার প্রকাশ্য দাবি এবং কংগ্রেসের কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে দিচ্ছে, বিষয়টি আর নিছক স্লোগানের পর্যায়ে নেই। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তামিলনাড়ুর এই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ আগামী দিনে ভারতের জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ২৫ বছর পূর্তিতে বিশকেকে এসসিও সম্মেলন, যুদ্ধ-বাণিজ্য-নিরাপত্তা প্রধান এজেন্ডা

    আগস্ট 31, 2026
    আন্তর্জাতিক

    মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের পালটা আঘাত

    আগস্ট 31, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের খার্গ দ্বীপ ‘গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে’, দাবি ট্রাম্পের

    আগস্ট 31, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.