Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, সেপ্টে. 25, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার ডাক ‘বন্ধু’ আমিরাতসহ ৮ মুসলিম দেশের
    আন্তর্জাতিক

    ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার ডাক ‘বন্ধু’ আমিরাতসহ ৮ মুসলিম দেশের

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 10, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ছবি: আল জাজিরার ভিডিও থেকে সংগৃহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেওয়ায় যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আট মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। একই সঙ্গে অন্যান্য দেশকেও যুক্তরাজ্যের মতো পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা। সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল

    দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে কাতার, তুরস্ক, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করার ব্রিটিশ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান।

    বিবৃতিতে তারা বলেন, “অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করার যুক্তরাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই।”

    এর আগে মঙ্গলবার ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা এবং এসব বসতির সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন।

    মিলিব্যান্ডের ঘোষণার পরপরই যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং কানাডার নেতারা একটি যৌথ বিবৃতিতে জানান, তারা ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করা এবং এসব বসতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

    এরপর কানাডা, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্পেন এবং সুইডেন পৃথক এক বিবৃতিতে জানায়, তারা নিজ নিজ দেশে ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য বাণিজ্যের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করবে অথবা ইউরোপীয় পর্যায়ে এ ধরনের পদক্ষেপকে সমর্থন করবে। কয়েকটি দেশ এমন ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে বলেও জানানো হয়।

    যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে আট দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, তারা আশা করছেন, এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণে উৎসাহিত করবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অবৈধ বসতি স্থাপনের সঙ্গে জড়িত ইসরায়েলি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা।

    বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতি বসতি সম্প্রসারণ কার্যক্রম বন্ধ করা এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ভৌগোলিক ও জনমিতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে নেওয়া সব পদক্ষেপ প্রত্যাহারের আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

    আলাদা অংশে গাজায় যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত ২০ দফা পরিকল্পনা “পূর্ণাঙ্গ ও অবিলম্বে” বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথাও উল্লেখ করা হয়। তবে ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে এই ধারণা প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

    বিবৃতির শেষে আট দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, “ন্যায্য, দীর্ঘস্থায়ী ও সামগ্রিক শান্তি অর্জনের একমাত্র কার্যকর পথ হলো দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন এবং একটি স্বাধীন, সার্বভৌম, ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত ও কার্যকর ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।”

    এদিকে মিলিব্যান্ডের ঘোষণার পর ইসরায়েল যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে পাল্টা কয়েকটি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। এর মধ্যে জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের সেবা দেওয়া ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করার সিদ্ধান্তও রয়েছে।

    ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার আরও কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক গাজা সহায়তা কেন্দ্রে কর্মরত ব্রিটিশ প্রতিনিধিদের বহিষ্কার এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্রিটিশ কার্যক্রম বন্ধ করার বিষয়ও রয়েছে।

    পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর বসতি স্থাপনকারীদের হামলা প্রায় প্রতিদিন বাড়তে থাকার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্য ইসরায়েলি বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

    মিলিব্যান্ড বলেন, ব্রিটিশ সরকার ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতাকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে “জাতিগত নিধনের” পর্যায়ের ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করে এবং এর পেছনে “বসতি স্থাপনকারী সন্ত্রাসীরা” জড়িত।

    তবে এসব হামলার ঘটনায় জড়িত ইসরায়েলিদের গ্রেপ্তারের ঘটনা খুবই কম। সমালোচকেরা অভিযোগ করে আসছেন, ইসরায়েল সরকার এসব সহিংসতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে, এমনকি উৎসাহিতও করছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইরান কেন আঞ্চলিক বিমানবন্দর নিয়ে হুমকি দিচ্ছে, কী হতে পারে প্রভাব?

    সেপ্টেম্বর 24, 2026
    আন্তর্জাতিক

    মক্কাসহ সৌদির একাধিক এলাকায় সতর্কতা জারি সিভিল ডিফেন্সের

    সেপ্টেম্বর 24, 2026
    আন্তর্জাতিক

    মার্কিন এফ-৩৫-এর সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ চীনের হাতে, ফেরত পেতে তৎপর পেন্টাগন

    সেপ্টেম্বর 24, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.