গত ২১ নভেম্বর আইএইএ’র বোর্ড অব গভর্নরস পশ্চিমা দেশগুলোর একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে। প্রস্তাবে ইরানের পারমাণবিক কার্যকলাপের সমালোচনা করা হয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, ‘আইএইএকে ২০২৫ সালের বসন্তের মধ্যে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে।’
ইরান এই প্রস্তাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অবাস্তব ও ‘হিতে বিপরীত’ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে।
ইরানের বিভিন্ন পর্যায়ের বিশেষায়িত সংস্থাগুলো এর আগেও সতর্ক করে বলেছে, ইরানের সঙ্গে যে কোনো ধরনের সাংঘর্ষিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং অবৈধ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিবৃতি প্রচারের জন্য আইএইএ বোর্ড অব গভর্নরসকে যদি পশ্চিমারা ব্যবহার করে, তাহলে প্রতিশোধের মুখোমুখি হতে হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের টেলিগ্রাম চ্যানেলে পোস্ট করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান বিভিন্ন ধরনের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নতুন উন্নত সেন্ট্রিফিউজ স্থাপনসহ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গে কারিগরি ও সুরক্ষা সহযোগিতা অতীতের মতো অব্যাহত থাকবে। যেমনটি উভয়ের সম্মতিতে হয়েছিল। আন্তর্জাতিক আইনি নীতি ও মানদণ্ডের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে গঠনমূলক সম্পৃক্ততার জন্য তেহরান ভালোভাবে প্রস্তুতও রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মহান ইরানি জাতির অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা এবং শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরমাণু কর্মসূচি গড়ে তোলার নীতি অনুসরণে ইরান অবিচল রয়েছে। দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা অনুসারে ‘জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শিল্পকে আরও বিকাশের জন্য’ প্রতিশোধমূলক আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

