কোনো রকমের পূর্বসতর্কতা দেওয়া ছাড়াই গতকাল শনিবার স্থানীয় সময় ভোররাত চারটার দিকে বৈরুতে এ হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করার নামে লেবাননে যে তাণ্ডব ইসরায়েল চালাচ্ছে, বৈরুতে এ হামলা তারই সাম্প্রতিকতম উদাহরণ।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়, এটি ছিল লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে হত্যার চেষ্টা।
লেবাননের জাতীয় বার্তা সংস্থা বলেছে, হামলায় বাংকার বাস্টার বোমা ব্যবহার করা হয়েছে। হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহসহ সংগঠনটির জ্যেষ্ঠ নেতাদের হত্যায় এর আগে ইসরায়েল যে ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করেছিল, এটি তার অনুরূপ।
গতকালের হামলায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা ১৫ থেকে বেড়ে ২০–এ দাঁড়িয়েছে। ভবনের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে জোর চেষ্টা চালাচ্ছিলেন জরুরি বিভাগের কর্মীরা।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ওই ঘটনায় ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। হতাহত ব্যক্তির সংখ্যা বাড়তে পারে।
বিস্ফোরণ এত শক্তিশালী ছিল যে এর প্রভাব বৈরুত শহরজুড়ে অনুভূত হয়। বৈরুতের ঘনবসতিপূর্ণ বাসতা এলাকায় এ হামলায় অন্তত আটতলা একটি আবাসিক ভবন বিধ্বস্ত হয়েছে।

