Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, অক্টো. 4, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ‘জায়নবাদ বর্ণবাদ’ প্রস্তাব ঘিরে গ্রিন পার্টির সদস্যদের হেনস্থা করছে ইসরায়েলপন্থীরা
    আন্তর্জাতিক

    ‘জায়নবাদ বর্ণবাদ’ প্রস্তাব ঘিরে গ্রিন পার্টির সদস্যদের হেনস্থা করছে ইসরায়েলপন্থীরা

    নিউজ ডেস্কঅক্টোবর 4, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ব্রাইটনে গ্রিন পার্টির সম্মেলনের বাইরে গ্রিন পার্টির সদস্যদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলের সমর্থকরা গালিগালাজ করছে। ছবি: মিডল ইস্ট আই
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাজ্যের গ্রিন পার্টিকে ঘিরে তৈরি হওয়া বড় বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন লুবনা স্পেইটান। ব্রিটিশ-ফিলিস্তিনি এই ব্যক্তি একটি প্রস্তাবের রচয়িতা, যেটি নিয়ে গ্রিন পার্টির সদস্যরা ভোট দিতে যাচ্ছেন। প্রস্তাবে জায়নবাদকে বর্ণবাদের একটি রূপ হিসেবে ঘোষণা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    প্রস্তাবটি যুক্তরাজ্যের জাতীয় গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং গ্রিন পার্টির সম্মেলনেও এটি সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয়গুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে।

    শনিবার ব্রাইটনে গ্রিন পার্টির সম্মেলনস্থলের বাইরে একটি উত্তেজনাপূর্ণ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কয়েক ডজন ইসরায়েলপন্থী বিক্ষোভকারী সম্মেলনে প্রবেশকারী গ্রিন পার্টির সদস্যদের লক্ষ্য করে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

    বিক্ষোভকারীদের “সন্ত্রাসী সমর্থকরা আমাদের রাস্তা থেকে দূর হও” এবং “কোনো ফিলিস্তিন নেই, কোনো ফিলিস্তিন নেই”—এ ধরনের স্লোগান দিতে শোনা যায়।

    কেউ কেউ হাতে প্ল্যাকার্ড বহন করছিলেন। সেসব প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, “বর্ণবাদী গ্রিনদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান”, “জায়নবাদ-বিরোধিতা = সন্ত্রাসবাদ” এবং “আরও গাছ, কম হামাস”।

    এ ছাড়া অনেক বিক্ষোভকারী ইসরায়েলি পতাকা নাড়াচ্ছিলেন। কয়েকজন ইউনিয়ন জ্যাক বহন করছিলেন। একজন ব্যক্তি, যিনি নিজেকে ভারতীয় ইহুদি হিসেবে পরিচয় দেন, ইসরায়েলি ও ভারতীয় পতাকার সমন্বয়ে তৈরি একটি পতাকা বহন করছিলেন।

    এই বিক্ষোভের বিষয়ে লুবনা স্পেইটান বলেন, “বিরোধিতা সবসময়ই থাকবে। কিন্তু অবিচারের মুখে আমাদের দৃঢ়, অবিচল ও অটল থাকতে হবে। আমাদের বর্ণবাদ, বৈষম্য, গণহত্যা এবং হলোকাস্টের সব ধরনের মোকাবিলা করা উচিত।”

    তিনি বলেন, “আমরা প্রস্তাবে স্পষ্টভাবে জানিয়েছি যে, সব ইহুদি জায়নবাদী নন এবং সব জায়নবাদীও ইহুদি নন।”

    ইসরায়েলপন্থী বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য

    সম্মেলনের বাইরে বিক্ষোভকারী এক ইরানি নারী গ্রিন পার্টিকে বামপন্থী ও ইসলামপন্থীদের জোট হিসেবে আখ্যা দেন।

    তিনি বলেন, “আমি ইরানে উগ্র ইসলামপন্থীদের কারণে কী ঘটেছে তা দেখেছি এবং আমি আতঙ্কিত যে যুক্তরাজ্যেও এমনটা ঘটতে পারে।”

    আরেকজন মধ্যবয়সী শ্বেতাঙ্গ পুরুষ বিক্ষোভকারী দাবি করেন, গ্রিন পার্টি ইহুদি-বিরোধী।

    তিনি গ্রিন পার্টির নেতা জ্যাক পোলানস্কিকে ‘আত্মঘৃণাকারী ইহুদি’ বলে আখ্যা দেন, যা ইসরায়েলি সরকারের সমালোচনাকারী ইহুদিদের লক্ষ্য করে ব্যবহৃত একটি অবমাননাকর শব্দ হিসেবে পরিচিত।

    ওই ব্যক্তি বলেন, “আমি ইহুদি নই, আমি খ্রিস্টান। হলোকাস্ট আমরাই ঘটিয়েছিলাম।” তিনি আরও বলেন, এখন ইহুদিরা “ইসলামের দ্বারা” নির্যাতিত হচ্ছে।

    নিজেকে ফরাসি হিসেবে পরিচয় দেওয়া এক নারী গ্রিন পার্টিকে হামাসের সমর্থক হিসেবে উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, “ফ্রান্সে ইসলামপন্থী ও বামপন্থীদের নিয়ে কী ঘটেছে তা কি আপনি দেখেছেন? আমি চাই না এখানেও তেমনটা ঘটুক।”

    অন্যদিকে, পাল্টা বিক্ষোভকারীদের একটি দলও সম্মেলনের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান নেয়। তাদের অধিকাংশই গ্রিন পার্টির সদস্য ছিলেন।

    পুলিশ দুই পক্ষকে আলাদা করে রাখে। উভয় পক্ষ শান্তিপূর্ণ অবস্থানে ছিল এবং বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।

    পাল্টা বিক্ষোভকারীদের কয়েকজন ফিলিস্তিনি পতাকা নিয়ে গণহত্যাবিরোধী স্লোগান দেন। অন্যদিকে একটি দলকে “জায়নবাদের বিরুদ্ধে ইহুদিরা” লেখা ব্যানার বহন করতে দেখা যায়।

    ওরি নামের এক তরুণ পাল্টা বিক্ষোভকারী, যিনি নিজেকে ইহুদি হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, তিনি বলেন, “আমরা এখানে ‘জায়নবাদ বর্ণবাদ’ প্রস্তাবকে সমর্থন করতে এসেছি। আমি মনে করি, সংসদে এমন একটি মূলধারার রাজনৈতিক দল থাকা ভালো হবে যারা বলবে জায়নবাদ বর্ণবাদ। আশা করি, এর ফলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা সম্ভব হবে।”

    তিনি বিক্ষোভকারীদের ‘করুণ’ আখ্যা দেন এবং বলেন, প্রস্তাব পাস হলে দলের কিছু ইহুদি সদস্য নিজেদের অনাকাঙ্ক্ষিত মনে করতে পারেন—এই ধারণার সঙ্গে তিনি একমত নন।

    তিনি বলেন, “প্রায়ই নিপীড়করা নিজেদের নিপীড়িত জনগণের শিকার হিসেবে মনে করে। জায়নবাদীরা মনে করে তারা ফিলিস্তিনি মুক্তি সংগ্রামের শিকার। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

    প্রস্তাব নিয়ে দলের ভেতরেও মতভেদ

    রোববার জায়নবাদকে বর্ণবাদের একটি রূপ হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাবে ভোট দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন গ্রিন পার্টির সদস্যরা।

    প্রস্তাবটি পাস হলে এটি দলের সরকারি নীতিতে পরিণত হবে এবং গ্রিন পার্টি হবে যুক্তরাজ্যের প্রথম বড় রাজনৈতিক দল, যারা জায়নবাদকে বর্ণবাদ হিসেবে স্বীকৃতি দেবে।

    এই প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন হলোকাস্ট থেকে বেঁচে যাওয়া বিশিষ্ট ব্যক্তি ও আন্দোলনকর্মী স্টিফেন কাপোস। তিনি বলেছেন, “মতাদর্শ ও চর্চা—দুই দিক থেকেই জায়নবাদ ক্ষতিকর, এর কোনো বৈধতা নেই এবং এটিকে প্রত্যাখ্যান করা উচিত।”

    তবে গ্রিন পার্টির সাবেক নেতা ক্যারোলিন লুকাস শুক্রবার প্রস্তাবটির সমালোচনা করেছেন। তিনি এটিকে বিভাজনমূলক বলে উল্লেখ করে বলেন, দলের অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে এর প্রভাব নিয়ে তার “গুরুতর উদ্বেগ” রয়েছে।

    তিনি বলেন, “জায়নবাদের কোনো একক সংজ্ঞা নেই। যারা এই প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন তাদের উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, আমি মনে করি এটি বিভেদ তৈরির প্রকৃত ঝুঁকি তৈরি করছে এবং এটিকে এমন একটি বার্তা হিসেবে দেখা হতে পারে যে ইহুদিরা দলে স্বাগত নয়।”

    সম্মেলনের আগে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, গ্রিন পার্টির যেসব ইহুদি সদস্য নিজেদের জায়নবাদী হিসেবে পরিচয় দেওয়া সিনাগগের সঙ্গে যুক্ত, তারা দলীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে পারেন।

    তবে প্রস্তাবটির প্রধান লেখক স্পেইটান এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, এটি একটি “ই-মোশন”, যার অর্থ এটি বাইরের বিষয় সম্পর্কিত এবং দলের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার ওপর এর কোনো প্রভাব নেই।

    তবে জাতিগত ও ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর সমান অধিকার নিশ্চিত করে একটি একক গণতান্ত্রিক ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের আহ্বান জানানো এই প্রস্তাবটি দলের ভেতর থেকেই সমালোচনার মুখে পড়েছে।

    গ্রিন পার্টির নেতা জ্যাক পোলানস্কি, যিনি নিজেও একজন ইহুদি, গত মাসে বলেছিলেন যে প্রস্তাবটিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা দরকার যে এটি ইহুদি জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

    তার মতে, কেউ যদি দখলদারিত্ব, বর্ণবৈষম্য ও গণহত্যার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন, কিন্তু কোনো জায়নবাদী সিনাগগের সদস্য হন, তাহলে গ্রিন পার্টির মধ্যে তার সঙ্গে ভিন্ন আচরণ করা উচিত নয়।

    তবে এ বিষয়ে স্পেইটান বলেন, তিনি মনে করেন এই সংশোধনী প্রস্তাবটিকে “দুর্বল” করে দেবে।

    তিনি বলেন, “ফিলিস্তিনি হিসেবে আমাদের জনগণের মুক্তির পক্ষে কথা বলার আগে প্রতিবার এই ঘোষণা দিতে হওয়া উচিত নয় যে আমরা ইহুদিবিদ্বেষী নই। আমাদের দাবিকে এমনভাবে বৈধতা দেওয়ারও প্রয়োজন নেই যে এটি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কোনো আক্রমণ নয়, যা বাস্তবে নয়।”

    তিনি আরও বলেন, তার দাদা ফিলিস্তিনে তার ইহুদি প্রতিবেশীর পাশে বসবাস করতেন এবং তাদের মধ্যে কোনো সমস্যা ছিল না।

    জায়নবাদ নিয়ে মূল বিতর্ক

    ব্রিটিশ ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ এবং গ্রিন পার্টির সদস্য কিয়ারান আন্দ্রিউ বলেন, তিনি মনে করেন প্রস্তাবটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ফিলিস্তিনিদের অমানবিকীকরণের জন্য জায়নবাদ দায়ী।

    তিনি বলেন, “যদি আপনি স্বীকার করেন যে গত ১০০ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনিদের ওপর যা করা হয়েছে তা উপনিবেশ স্থাপন, জাতিগত নির্মূল, বর্ণবৈষম্য এবং গণহত্যার দীর্ঘ প্রক্রিয়া, তাহলে আপনাকে প্রশ্ন করতে হবে—এটি কীভাবে সম্ভব হলো?”

    তার মতে, “এর ভিত্তি ছিল জায়নবাদ নামের একটি মতাদর্শ। এটি এমন একটি বর্ণবাদী মতাদর্শ, যা ফিলিস্তিনিদের অমানবিক করে তোলে।”

    গ্রিন পার্টির অভ্যন্তরীণ সংগঠন ‘গ্লোবাল মেজরিটি গ্রিনস’-এর সভাপতি হামজা ইগালও একই মত প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তিনিও প্রস্তাবটির পক্ষে রয়েছেন।

    তিনি বলেন, “একমাত্র গ্রিন পার্টিই এগিয়ে এসে বলেছে—আসুন ফিলিস্তিনিদের কথা বলার সুযোগ দিই, তাদের নিজেদের পক্ষে কথা বলতে দিই। এই প্রস্তাবটি আমাদের ফিলিস্তিনি সদস্যদের কাছ থেকে এসেছে, তাই আমরা এটিকে সমর্থন করেছি।”

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইরান ইস্যুতে বড় পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন ট্রাম্প

    অক্টোবর 4, 2026
    বিশ্ব অর্থনীতি

    এক ডলারে ২৭ লাখ ইরানি রিয়াল, মুদ্রা সংকটে গভীর হচ্ছে ইরানের অর্থনৈতিক চাপ

    অক্টোবর 4, 2026
    আন্তর্জাতিক

    নেতানিয়াহুকে বিচার করতে গিয়ে নিষেধাজ্ঞায় বিচারক, আইসিসি বনাম যুক্তরাষ্ট্র

    অক্টোবর 4, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.